বিনোদন ডেস্ক : প্রতিবেদক ডিক বাপ্পী
বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
মাছরাঙা টেলিভিশনের নাম জড়িয়ে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি নিয়ে এখন নেটিজেন ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি কেন্দ্র করে দু’পক্ষের কাছ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য ও দাবি সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও আলোচনার শীর্ষে নিয়ে গেছে।
মেহজাবীন চৌধুরীর দাবি: 'ভিডিওটি এআই (AI) দিয়ে তৈরি'
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনি সেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বানানো বা 'ডিপফেক' (Deepfake)। দর্শকদের বিভ্রান্ত না হতে এবং এই ধরণের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যাখ্যা: 'টেলিগ্রাম চ্যানেল হ্যাকড'
অন্যদিকে, এই বিতর্কে মাছরাঙা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে ভিন্ন এক বক্তব্য সামনে এসেছে। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, তাদের অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলটি হ্যাকড হয়েছিল। হ্যাকাররা চ্যানেলটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেখান থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিতর্কিত এই ভিডিও ফাইলগুলো ফাঁস বা লিক করে দেয়।
দর্শকদের মাঝে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে দর্শক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে:
একপক্ষের মত: মেহজাবীন চৌধুরীর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে অনেকেই বলছেন, বর্তমান সময়ে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনো তারকার মুখ বসিয়ে স্ক্যাম বা ভুয়া ভিডিও তৈরি করা খুবই সহজ হয়ে গেছে।
অন্যপক্ষের সংশয়: মাছরাঙা টেলিভিশনের টেলিগ্রাম চ্যানেল হ্যাক হয়ে ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি জেনে অনেক দর্শক সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের বিস্ময় ও নানা প্রশ্নের কথা প্রকাশ করছেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি বর্তমানে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো ধরণের ছড়িয়ে পড়া কন্টেন্ট শেয়ার বা বিশ্বাস করার আগে সাইবার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহান ২৬ আশ্বিন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর পবিত্র বার্ষিক উরস শরীফের পরবর্তী চাহরম শরীফ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মিলাদ-কিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের শেষে আল্লাহর দরবারে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন ও রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)।
মুনাজাতে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে সমবেত আশেক-ভক্ত, জায়েরীনসহ সকলের গুনাহখাতা ও ভুলত্রুটি ক্ষমা, রহমত-বরকত নাজিল এবং সুস্থ, স্বচ্ছল, বরকতময় ও রোগমুক্ত জীবন কামনা করেন।
হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.) মুনাজাতে বলেন, "রব্বুল আলামীন, পরওয়ারদিগারে আলম, আমরা আপনার গুনাহগার বান্দারা - ২৯ আশ্বিন গাউসুল আজম বিল বিরাসাত কুতুবুল আকতাব শাহ সুফি হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (ক.)-বাবা ভাণ্ডারী কেবলা কাবার মহান খোশরোজ শরীফকে সামনে রেখে এবং মহান ২৬ আশ্বিন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর পবিত্র বার্ষিক উরস পরবর্তী চাহরম শরীফকে সামনে রেখে সমবেত হয়েছি। আমাদের হাজিরিকে কবুল করুন। আমাদের গুনাহখাতা ও ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন। সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।"
বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর পবিত্র মাজার শরীফে আগত আশেক-ভক্ত ও জায়েরীনদের সঙ্গে নিয়ে মুনাজাতে তিনি আরও বলেন, “মওলা! আপনার বান্দারা দরবারে পাকের, ত্বরীকার, মুর্শিদের, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর গোলামীর যে সার্ভিস আদায় করছেন, তার উজরত হিসেবে তাঁরা শুধু দরবার শরীফের তবারুক কামনা করছেন। সমস্ত তবারুকাতকে আমাদের জন্য গোলামীর উজরত হিসেবে কবুল করুন। সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।”
তিনি সমবেত মুসল্লি, আশেক-ভক্ত ও জায়েরীনদের সুস্থতা, স্বচ্ছলতা, রোগমুক্তি এবং বরকতময় জীবনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানান। একই সঙ্গে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর কদম শরীফের উসিলায় সকলের ফরিয়াদ কবুল এবং পবিত্র চাহরম শরীফ উপলক্ষে আয়োজিত দিনের যাবতীয় এন্তেজাম কবুল করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার দরবারে আকুল প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এআই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সায়েম হোসেন এবং তাঁর দল। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে তাঁর উদ্ভাবিত ‘দ্য ওরিয়েন্টাল ব্রেইল প্রজেক্ট’ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে দলটি ৪৫ হাজার সৌদি রিয়াল পুরস্কার লাভ করেছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্ভাবক অংশগ্রহণ করেন। পুরস্কার গ্রহণ করেন দলের সুপারভাইজার ড. এ কে এম আজাদ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘এআই হ্যাকাথন ফর পিপল উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবজুড়ে ২ হাজার ২৫১টি প্রজেক্ট জমা পড়ে। চার ধাপের বাছাই প্রক্রিয়ার পর ১৩০টি প্রজেক্ট চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে সায়েমের প্রকল্প প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতাটি কিং সালমান সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি রিসার্চের (কেএসসিডিআর) আয়োজনে সপ্তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধিতা গবেষণা সম্মেলনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
পুরস্কার হিসেবে দলটি ৪৫ হাজার সৌদি রিয়াল পেয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকার অধিক। সৌদি রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদের কাছ থেকে বিজয়ীরা পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রজেক্টটির সুপারভাইজার ছিলেন সৌদি আরবের ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম আজাদ। দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াকুব শাকিল।
সায়েমের উদ্ভাবিত ‘দ্য ওরিয়েন্টাল ব্রেইল প্রজেক্ট’ থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা গ্রহণকে সহজতর করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। প্রচলিত ব্রেইল বইয়ের ডটগুলো ছোট হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর জন্য সেগুলো শনাক্ত করা এবং শেখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
এছাড়া ইংরেজি ভাষার ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রী ও গ্রন্থাগার তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ হলেও আরবি, বাংলা ও উর্দুর মতো ল্যাটিন-বহির্ভূত লিপির ভাষায় ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রীর ঘাটতি রয়েছে। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বিশেষ করে আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।
নিজের উদ্ভাবন সম্পর্কে সায়েম হোসেন বলেন, “বিশ্বের ২৩টি আরবিভাষী দেশ এবং ৫৭টি মুসলিমপ্রধান দেশের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার চিন্তা থেকেই এ উদ্ভাবনের উদ্যোগ নিই। আমার লক্ষ্য, যেসব শিক্ষার্থীর জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রী নেই, তাদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা। বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার সুবাদে প্রতিবন্ধিতা ও পুনর্বাসন নিয়ে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়। সেই আগ্রহ থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।”
বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, “বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণায় ভালো করছে। সায়েমের এ অর্জন প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতে সে আরও ভালো করবে। বিভাগের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে গবেষণায় কাজ করছেন। ইতোমধ্যে বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে গেছেন এবং ছয় থেকে আটজন শিক্ষক জিএসটিতে রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণায় ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগকে অস্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার, গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন যে, ওইদিন সৌদি আরবের ভূখণ্ডে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করেনি।
তবে, সৌদি আরব পূর্বে জানিয়েছিল যে, মদিনাকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে ইয়াহিয়া সারি মদিনায় হামলার খবরকে ‘মিথ্যা অপপ্রচার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফলে, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে স্পষ্ট বিরোধ দেখা দিয়েছে।
এর আগে, মক্কা ও মদিনায় হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ হুতিদের বিরুদ্ধে উঠেছিল। তবে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে, সৌদি আরব এবং তাদের সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন হুতিরা নতুন এলাকা দখলে নিয়েছে বলে এএফপির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৭ দিনের সংঘাতে গোষ্ঠীটি আরো ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
হুতিরা দাবি করেছে যে, ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এসব স্থাপনা তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গ্যাসের কম্প্রেসার লাইন বিস্ফোরণের ফলে স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
ঘটনার চার দিন পর বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু ঘটে।
মৃতদের মধ্যে রয়েছেন শরিফ হোসেন (৩৪) এবং তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩০)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, বিস্ফোরণের ফলে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরিফের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তারা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টায় রোজিনা আক্তার এবং কিছু সময় পর তার স্বামী শরিফ হোসেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
দগ্ধ অন্য দুইজন, নিহতের শ্যালক রিয়াজ (৪০ শতাংশ) এবং ভবনের তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া (৭০ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ৬ তলা ভবন ইসলাম টাওয়ার-এর দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে কম্প্রেসার লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে কক্ষটিতে উপস্থিত শরিফ, রোজিনা, রিয়াজ ও রনি দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ হোসেন (৩৪) ও তার স্ত্রী রোজিনা আক্তারের মৃত্যু ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ