প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাছরাঙা টেলিভিশনের নাম জড়িয়ে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি নিয়ে এখন নেটিজেন ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি কেন্দ্র করে দু’পক্ষের কাছ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য ও দাবি সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও আলোচনার শীর্ষে নিয়ে গেছে।
মেহজাবীন চৌধুরীর দাবি: 'ভিডিওটি এআই (AI) দিয়ে তৈরি'
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনি সেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বানানো বা 'ডিপফেক' (Deepfake)। দর্শকদের বিভ্রান্ত না হতে এবং এই ধরণের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যাখ্যা: 'টেলিগ্রাম চ্যানেল হ্যাকড'
অন্যদিকে, এই বিতর্কে মাছরাঙা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে ভিন্ন এক বক্তব্য সামনে এসেছে। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, তাদের অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলটি হ্যাকড হয়েছিল। হ্যাকাররা চ্যানেলটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেখান থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিতর্কিত এই ভিডিও ফাইলগুলো ফাঁস বা লিক করে দেয়।
দর্শকদের মাঝে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে দর্শক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে:
একপক্ষের মত: মেহজাবীন চৌধুরীর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে অনেকেই বলছেন, বর্তমান সময়ে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনো তারকার মুখ বসিয়ে স্ক্যাম বা ভুয়া ভিডিও তৈরি করা খুবই সহজ হয়ে গেছে।
অন্যপক্ষের সংশয়: মাছরাঙা টেলিভিশনের টেলিগ্রাম চ্যানেল হ্যাক হয়ে ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি জেনে অনেক দর্শক সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের বিস্ময় ও নানা প্রশ্নের কথা প্রকাশ করছেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি বর্তমানে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো ধরণের ছড়িয়ে পড়া কন্টেন্ট শেয়ার বা বিশ্বাস করার আগে সাইবার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন