ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকর করার দাবি ইনকিলাব মঞ্চের


জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকর করার দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি আলোচনা করে সমাধান করার মাধ্যমে জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারের সমালোচনা করেছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া এবং শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়ার জন্য।

‎

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রংপুর নগরীর প্রেসক্লাব চত্বরে শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে আবদুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

‎

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদে সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে। সনদের যেসব বিষয়ে আপত্তি রয়েছে, সেগুলো আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর করতে হবে। শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‎

সরকারের আট মাসের কার্যক্রমের সমালোচনা করে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক বলেন, বিচারহীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪৯২ বস্তা সারসহ ৮ পাচারকারী আটক

‎

কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবি তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. ইউনূসের প্রতি ঋণী, হেনস্তাকারীরা স্বৈরাচার: আবিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


ড. ইউনূসের প্রতি ঋণী, হেনস্তাকারীরা স্বৈরাচার: আবিদ

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হেনস্তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান। তিনি মন্তব্য করেছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও ভিন্নতার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশের জনগণ ড. ইউনূসের কাছে ঋণী, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফল।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা আজকে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছি, তা জুলাই গণঅভ্যুত্থানেরই ফল। ড. ইউনূস জুলাই গণঅভ্যুত্থানেরই অংশ, আমাদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের শেষ পেরেক। তাই রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা ভিন্নতার বাইরেও জুলাইয়ের জন্য ড. ইউনূসের কাছে আমরা ঋণী।’

ড. ইউনূসকে হেনস্তাকারীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘ড. ইউনূসকে হেনস্তাকারী স্বৈরাচারী শক্তির তীব্র বিরোধিতা করি, নিন্দা জানাই। বিদেশে বসে ভেজা বিড়ালের মতো এসব হ্যারেজমেন্ট না করে সাহস থাকলে দেশে এসে আমাদের ফেস করুন, আমরা এখনো রাজপথেই আছি।’

স্ট্যাটাসের শেষাংশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রশ্নে স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, জুলাইয়ের প্রশ্নে বাংলাদেশে স্বৈরাচারবিরোধী সব রাজনৈতিক শক্তি সর্বদা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় নীতিতে পরিবর্তন আনেনি যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় নীতিতে পরিবর্তন আনেনি যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ : মার্কিন একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

এই মন্তব্যটি এসেছে কিয়েভের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনের সমালোচনার প্রেক্ষাপটে, যেখানে রাশিয়ার আসন্ন হামলা সম্পর্কে সতর্ক না করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি ব্রাসেলস থেকে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মার্কিন কর্মকর্তা এএফপি-কে জানিয়েছেন, "যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের মতো মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনেনি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি উদ্যোগে সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা প্রদান: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সরকারি উদ্যোগে সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা প্রদান: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, সংকট কাটানোর পর।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার কারণে দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের গত সাত মাসের কার্যকরী পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইল্যান্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

এম এ মুহিত বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মাথায় পূর্ববর্তী ব্যর্থতা ও সংকটের ফলস্বরূপ দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত সাত মাসে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হামের প্রাদুর্ভাব এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান। তাই ইপিআই কার্যক্রমে চিহ্নিত সীমাবদ্ধতা ও সংকটগুলো দ্রুত দূর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এক সময় অত্যন্ত সমাদৃত ও প্রশংসিত একটি মডেল ছিল। বহু বছর ধরে এ কর্মসূচি আমাদের শিশুদের অকাল মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং দুর্গম প্রান্তিক অঞ্চলেও সেবা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিগত সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে এই সফল কার্যক্রমে মারাত্মক ছন্দপতন ঘটেছিল।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনাম যুদ্ধে নিহত ৭০০-এর বেশি সেনার শেষকৃত্য সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


ভিয়েতনাম যুদ্ধে নিহত ৭০০-এর বেশি সেনার শেষকৃত্য সম্পন্ন

ঢাকা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করার লক্ষ্যে একটি বৃহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বুধবার ৭০০-এর বেশি নিহত সেনার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর তাঁদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।

হো চি মিন সিটির রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁদের শেষ শ্রদ্ধা জানান। কিছু মানুষের হাতে সাদা ফুল ছিল, কেউ প্রার্থনা করছিলেন। পোড়ামাটির কফিন, যা ভিয়েতনামের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ছিল, শোভাযাত্রা করে শহরের উপকণ্ঠে একটি শহীদ সেনা সমাধিক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে যায়।

এ খবরটি হো চি মিন সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে। সামরিক বাহিনী জানায়, উদ্ধারকৃত ৭৩১ জনের দেহাবশেষ পৃথক ও গণকবর থেকে তোলা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বাহিনী কমিউনিস্টদের একটি বিদ্রোহ দমন করার সময় এসব যোদ্ধা নিহত হন। শহরের একটি গাছপালাঘেরা জনসাধারণের পার্ক থেকে তাঁদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

লে নগক মাই উয়েন, যিনি তাঁর দাদির নামে নামকরণ করা পার্কটিতে প্রায়ই যেতেন, সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে, ওই পার্কেই তাঁর দাদির দেহাবশেষ সমাহিত থাকতে পারে। সম্প্রতি পার্কটির একটি স্মৃতিফলকের কাছে ধূপ জ্বালানোর পর ৩৬ বছর বয়সী উয়েন এএফপিকে বলেন, ‘এই পার্কে এলে আমি সব সময় এক ধরণের পবিত্রতা অনুভব করেছি।’

তিনি আরও বলেন, কাজটি ‘অত্যন্ত কঠিন’ হলেও তাঁর দাদির দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে তিনি ‘দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।’ গত মার্চে শুরু হওয়া ৫০০ দিনের জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্কটিতে খননকাজ চালানো হয়। যুদ্ধের পর থেকে নিখোঁজ থাকা কয়েক লাখ মানুষের সন্ধানে এটিকে ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

জুলাই মাস থেকে কয়েক শত বিশেষজ্ঞ ও সেনাসদস্য পার্কটিতে মাটির বিভিন্ন স্তর খুঁড়ে দেহাবশেষ উদ্ধারের কাজ করছেন। এ কাজে বুলডোজার, খননযন্ত্র ও পানির পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে অনেক সময় কাদামাটির মধ্যে হাত দিয়েই খুঁজতে হচ্ছে তাঁদের।

বুধবারের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান বাজছিল। এ সময় শহরের উপমেয়র নগুয়েন মান কুয়ং বলেন, ‘নিহত সহযোদ্ধাদের সন্ধান অব্যাহত রাখতে কোনো সুযোগ বা পদ্ধতিই আমরা উপেক্ষা করব না।’

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনুসন্ধান-

কুয়ং বলেন, ‘যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে এ পর্যায়ে উদ্ধার করা অধিকাংশ সেনার নাম ও তাঁদের আদি নিবাস এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।’ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরকার একজন নিহত সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছে। তিনি হলেন স্কোয়াড লিডার হুয়িন ভ্যান কুয়েন। ১৯৬৮ সালে যুদ্ধে অংশ নেওয়া এই সেনার দেহাবশেষ লে থি রিয়েং পার্ক থেকে উদ্ধার করা হয়।

জুলাই মাসে তার দেহাবশেষের সঙ্গে পাওয়া নাম লেখা একটি কাগজের টুকরো এবং স্বজনদের ডিএনএ নমুনা মিলে যাওয়ায় তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে প্রায় ১২ লাখ ভিয়েতনামি সেনা নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। এ যুদ্ধে প্রথমে সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্স এবং পরে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা জড়িয়ে পড়ে।

দেশজুড়ে পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি—এমন সেনাদের ২ লাখ ৩০ হাজার কবর রয়েছে। এ ছাড়া আরও হাজার হাজার সেনার দেহাবশেষ দুর্গম জঙ্গলে, কৃষিজমির নিচে কিংবা সাবেক যুদ্ধক্ষেত্রগুলোতে চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হয়। ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ৭ হাজার সেনার দেহাবশেষ উদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। উপপ্রধানমন্ত্রী ফাম থি থান ট্রা একে ‘বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন রাজনৈতিক দায়িত্ব, একই সঙ্গে হৃদয়ের গভীর থেকে আসা নির্দেশ’ বলে অভিহিত করেছেন।

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া প্রতিবেশী দেশ লাওস ও কম্বোডিয়াসহ ভিয়েতনামের বিভিন্ন পুরোনো যুদ্ধক্ষেত্রে অনুসন্ধানে দেড় হাজারের বেশি লোক নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁদের পাশাপাশি আরও হাজার হাজার মানুষ তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজে যুক্ত আছেন। নিখোঁজ সেনাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার অশনাক্ত কবর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেহাবশেষের ১৮ হাজার নমুনার ডিএনএ বিশ্লেষণ এবং তাঁদের নিকটাত্মীয়দের জিনগত তথ্য নিয়ে একটি ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে।

প্রকল্পের পরিচালনা দলের সদস্য কর্নেল ত্রিন তুং লাম বলেন, কাজটি সহজ নয়। তবে তাঁর মতে, এই ‘সবচেয়ে বিশেষ ও মানবিক’ উদ্যোগ নেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই। গত সপ্তাহে হ্যানয়ের ডিএনএ শনাক্তকরণ কেন্দ্রে পরীক্ষাগারের কর্মীদের দেহাবশেষ থেকে আলাদা করা হাড়ের টুকরো সাবধানে কাটতে দেখা যায়। ডিএনএ বিশ্লেষণের জন্য নমুনা সংগ্রহ করছিলেন তাঁরা।

কেন্দ্রটির পরিচালক ত্রান তুং থান এএফপিকে বলেন, মারাত্মকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত দেহাবশেষ পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বে প্রথমবারের মতো একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন ও উন্নয়ন করেছে। আন্তর্জাতিক কমিশন অন মিসিং পারসনসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পাওয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালানো হয়েছে। এতে ৫৮টি নমুনার মধ্যে ৫৪টি থেকে সফলভাবে জিনগত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে থান সতর্ক করে দেন, প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ। আর এ কাজে তাঁদের সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে হচ্ছে।

‘শেষ ভরসা’-

থান বলেন, ‘নিহতদের জীবিত স্বজন ও নিকটাত্মীয়দের বয়স বাড়ছে, তাঁরা মারা যাচ্ছেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের একটি উৎস হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্যদিকে, প্রাকৃতিক পরিবেশে দেহাবশেষের ক্ষয় অব্যাহত রয়েছে।’ এতে ডিএনএ সংগ্রহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

অনেকের কাছে স্বজনদের খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা আজীবনের সাধনায় পরিণত হয়েছে। ৬৮ বছর বয়সী দোয়ান ভ্যান কং ও তার পরিবারের সদস্যরা ১৯৫০ সালে নিহত তাঁর চাচার পরিণতি জানতে বছরের পর বছর বিভিন্ন সমাধিক্ষেত্রে ঘুরেছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। মৃত্যুর সময় তাঁর চাচার বয়স ছিল বিশের কোঠায়।

তাদের ধারণা, ফরাসি সেনাদের অতর্কিত হামলার পর তার চাচাকে বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে একটি গণকবরে সমাহিত করা হয়েছিল। সেখানে কমিউনিস্ট যোদ্ধাদেরও কবর দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁরা মনে করেন। কং এএফপিকে বলেন, ‘সন্দেহভাজন ওই স্থানগুলো খননের কোনো সুযোগ ছিল না।’

এখন নিখোঁজ স্বজনদের বিষয়ে উত্তর খুঁজতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগকেই নিজের ‘শেষ ভরসা’ বলে মনে করছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%