বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪২ পি.এম
ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কারণ, রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষা ছিল। কিন্তু ঠিক তখনই শেফিল্ড ইউনাইটেডের হৃদয় ভেঙে যায়। এর পেছনে ছিলেন ইবাউ অ্যাডামস।
৮৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোলটি করেন অ্যাডামস। ফলে পোর্টসমাউথ ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই পরাজয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হতাশা স্বাভাবিক।
তবে শেফিল্ডের মধ্যে হতাশার পাশাপাশি ক্ষোভও রয়েছে। এই ক্ষোভের কারণ হামজা চৌধুরীকে প্রদত্ত বিতর্কিত লাল কার্ড। বাংলাদেশি মিডফিল্ডার ৪৪ মিনিটে দুটি হলুদ কার্ড না দেখালে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
১০ জন নিয়ে অর্ধেকের বেশি সময় লড়াই করে শেফিল্ড, যা তাদের দৃঢ়তার প্রমাণ দেয়। ৫৮ মিনিট পর্যন্ত তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচ শেষে কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ডের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে হামজা প্রথম হলুদ কার্ড পান। ১১ মিনিট পরে পোর্টসমাউথের উইঙ্গার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে ফাউল করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে লাল কার্ড দেখানো হয়। হামজাকে নাটমেগ করার সময় রায়ান বাংলাদেশি মিডফিল্ডারের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েন। এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেফিল্ডের কোচ।
ওয়াইল্ডার বলেন, ‘হামজা যাবে কোথায়? সে কি মিস্টার ক্লেপল (রেন্টাগোস্ট নাটকের চরিত্র) হুট করে অদৃশ্য হয়ে যাবে? মাঠজুড়ে এমন ঘটনা ঘটছে। স্যাম ম্যাককালামকে তিন-চারবার বাধা দেওয়া হয়েছে। হামজা আসলে কোথায় যাবে, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ হয়তো যা বলতে চাই, তা বলতে পারছি না। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও আমাদের দলের এক খেলোয়াড়কে বক্সে টেনে ধরা হয়, স্পষ্ট দেখা গেছে, জার্সি প্রায় খুলে আসার উপক্রম হয়েছিল।’
ওয়াইল্ডার দাবি করেন, হামজাকে লাল কার্ড দেখানোর কথা ছিল না। তিনি বলেন, ‘কথা হচ্ছিল রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখাবেন না। দেখলাম প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা গিয়ে ভিড় করছে; সেটা গেমসম্যানশিপের অংশ হতে পারে। মনে হচ্ছে, আমাদের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়েছে।’
হামজা লাল কার্ড দেখানোর আগে ৪১ মিনিটে জ্যাক সোয়ানসোনের গোলে পোর্টসমাউথ লিড নেয়। তার মাঠ ছাড়ার পর ৫৪ মিনিটে আদ্রিয়ান সেগেচিচ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরে শেফিল্ড। ৫৯ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাপেট তানগাঙ্গা। আর ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলটি করেন থমাস ক্যানন। শেষ মুহূর্তে শেফিল্ডের হৃদয় ভাঙেন অ্যাডামস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমুদ্রকেন্দ্রিক শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রক্রিয়ায় পরিবেশের ঝুঁকি বৃদ্ধি করা উচিত নয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার এই খাতের সকল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আগ্রহী।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘বিমক্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানিয়েছেন, বাংলাদেশে শুধু বাণিজ্য নয়, বরং বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এছাড়া, বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিতে সহযোগিতা জোরদারের জন্য নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইওরিস ভ্যান বোমেল আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উহান ওপেনে একটি নাটকীয় ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান লি শীর্ষ বাছাই আরিনা সাবালেঙ্কাকে পরাজিত করে শেষ ষোলোতে প্রবেশ করেছেন। সাবালেঙ্কা, যিনি চারবারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী, নয়টি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়েও তিন সেটের লড়াইয়ে ৩-৬, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৫) ব্যবধানে হেরে যান।
দ্বিতীয় সেটে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অবস্থায় সাবালেঙ্কা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। তৃতীয় সেটে তিনি একসময় ৪-১ ও পরে ৫-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। এই সময় বেলারুশের এই তারকা তার ডান হাঁটুতে চিকিৎসা নেন, যা আগে থেকেই টেপ বাঁধা ছিল। তবে তিনি দুর্দান্তভাবে ফিরে এসে স্কোর ৫-৫ করেন এবং ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়।
টাইব্রেকারেও নাটকীয়তা ছিল। অ্যান লি নয়টি ম্যাচ পয়েন্ট নষ্ট করার পর তার ১০ম ম্যাচ পয়েন্টে জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পয়েন্টে একটি অসাধারণ ফোরহ্যান্ড উইনার মেরে মার্কিন খেলোয়াড়টি ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় জয় অর্জন করেন।
এটি সাবালেঙ্কার টানা দ্বিতীয় পরাজয়। গত সপ্তাহে চায়না ওপেনের শেষ ৩২-এর ম্যাচে তিনি নিকোলা বারতুনকোভার কাছে হেরেছিলেন। ইউএস ওপেনের ফাইনালে এলেনা রিবাকিনার কাছে হারের পর এটি ছিল সাবালেঙ্কার প্রথম টুর্নামেন্ট।
এদিকে, দ্বিতীয় বাছাই জেসিকা পেগুলাও শেষ ৩২ থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি এক মাসের বেশি সময় পর কোর্টে ফিরে তিনটি ম্যাচ পয়েন্ট পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তিনি জেলেনা ওস্তাপেঙ্কোর কাছে ২-৬, ৭-৬ (৯-৭), ৬-৩ ব্যবধানে পরাজিত হন।
দ্বিতীয় সেটে তিনবার ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করেন ওস্তাপেঙ্কো। ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে সাবালেঙ্কার কাছে হারের পর পেগুলা আর কোনো ম্যাচ খেলেননি। ব্যস্ত গ্রীষ্মকালীন সূচির শারীরিক ধকলের কারণে সিঙ্গাপুর ও বেইজিংয়ের টুর্নামেন্টও তিনি মিস করেছিলেন। গত বছর উইহান ওপেনের রানার্সআপ ছিলেন এই মার্কিন খেলোয়াড়।
অন্যদিকে, ইগা শভিয়ন্তেক কোনো বিপদ ছাড়াই শেষ ষোলোতে উঠেছেন। পোল্যান্ডের ম্যাগদালেনা ফ্রেচকে ৬-২, ৬-১ গেমে পরাজিত করেছেন ষষ্ঠ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই তারকা। শুরুতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়লেও তিনি টানা ছয় গেম জিতে প্রথম সেট নিজের করে নেন। দ্বিতীয় সেটেও টানা চার গেম জিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।
দিনের অন্য ম্যাচে পঞ্চম বাছাই এলিনা সভিতোলিনা ৬-২, ৫-৭, ৬-২ ব্যবধানে লিউদমিলা সামসোনোভার বিপক্ষে জয় পান। ১৭০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের সোনে কার্তাল ৬-০, ৭-৫ ব্যবধানে নবম বাছাই বেলিন্ডা বেনচিচকে পরাজিত করে বড় অঘটন ঘটান। ষষ্ঠ বাছাই ক্যারোলিনা মুচোভা ক্যাটি ম্যাকনালিকে ৩-৬, ৭-৬ (৭-১), ৭-৬ (৭-৪) ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোতে প্রবেশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জোসে মরিনিয়োর মন্তব্যের প্রতি কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রোমার কোচ জিয়ান পিয়েরো গাসপেরিনি। মরিনিয়ো চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে রোমার খেলোয়াড়দের ‘নিস্পন্দ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে গাসপেরিনির দাবি, স্টাডিও অলিম্পিকোতে ম্যাচের অধিকাংশ সময় তার দলই শ্রেয়তর ফুটবল উপস্থাপন করেছে, যদিও তারা শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদের কাছে শক্ত অবস্থান থেকে ম্যাচ হারানোর পর গাসপেরিনি হতাশ হয়ে পড়েন। তবে মরিনিয়োর মূল্যায়নের প্রতি তার আপত্তি ছিল বেশি। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে একের পর এক সেটপিস থেকে গোল করে স্প্যানিশ জায়েন্টরা জয় নিশ্চিত করে। মরিনিয়ো ইঙ্গিত দেন, চাপের মুখে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছিল ইতালীয় দলটি।
অ্যামাজন প্রাইমকে মরিনিয়ো বলেন, '৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা ভেবেছিল ম্যাচ শেষ। কিন্তু বাস্তবে রোমার খেলোয়াড়েরাই শেষ হয়ে গিয়েছিল।'
গাসপেরিনি মরিনিয়োর এই মন্তব্যকে ভালোভাবে নেননি। তিনি ম্যাচের একটি বড় সময়জুড়ে নিজের দলকে আধিপত্য বিস্তার করতে দেখেছিলেন। কিন্তু শেষের দিকে কর্নার থেকে তিনটি গোল হজম করে রোমা, যা স্বাগতিক সমর্থকদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ কোচের মন্তব্যের জবাবে গাসপেরিনি বলেন, 'আমি তা মনে করি না। আমার তো মনে হয়, যারা আর পেরে উঠছিল না, তারা ছিল ওরা (রিয়াল)। আমরা আরও কয়েকটি গোল করতে পারতাম। প্রতিটি বিভাগেই ওরা আমাদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে। ওরা গোল করেছে এবং সেই গোলগুলো যথার্থভাবেই গণনা করা হয়েছে। শারীরিক শক্তি কাজে লাগাতে ওরা ভালো করেছে। তবে বাকি দিকগুলোতে ওরা অবশ্যই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।'
গাসপেরিনির কাছে এই হার আরও বেশি যন্ত্রণাদায়ক ছিল, কারণ যেভাবে তার দল গোলগুলো হজম করেছে, সেটি ছিল বেশ হতাশাজনক। ৮০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পর রক্ষণ থেকে আক্রমণে ফেরার সময় যেন স্থবির হয়ে পড়ে রোমা। আর সেই সুযোগ বারবার কাজে লাগায় রিয়াল মাদ্রিদ, বিশেষ করে উচ্চতায় এগিয়ে থাকা খেলোয়াড়দের ব্যবহার করে।
রোমার রক্ষণভাগ পুরো ম্যাচে দৃঢ় দেখানোর পর হঠাৎ এতটা দুর্বল হয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন গাসপেরিনি।
স্কাই স্পোর্ট ইতালিয়াকে তিনি বলেন, 'আমরা যেন জয়ের শেষ সীমায় এসে আটকে গিয়েছিলাম, পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছিলাম। অথচ প্রথমার্ধেও তারা কয়েকটি কর্নার পেয়েছিল, কিন্তু তখন আমাদের রক্ষণে এমন দুর্বলতা দেখা যায়নি। ওরা খুব সহজেই গোল করেছে। এ ধরনের ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। এমন হারের পর ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। গোলগুলো হজম করার আগ পর্যন্ত আমরা যেভাবে খেলেছি, সেখান থেকেই আবার শুরু করতে হবে। আমাদের প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে, নইলে এতক্ষণ যা ভালো করেছি, সবকিছুই মূল্যহীন হয়ে যাবে।'
দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড় মানু কোনে ও পাওলো দিবালার চোটও এই হারের হতাশা বাড়িয়েছে। ম্যাচ চলাকালে দুজনকেই মাঠ ছাড়তে হয়। গাসপেরিনি তাদের চোটের ধরন সম্পর্কে জানান, 'কোনের পেশিতে সমস্যা হয়েছে, আর দিবালার কাফের পেশিতে কিছুটা টান লেগেছে। কোনের সমস্যাটি একটু বেশি গুরুতর বলে মনে হচ্ছে। এ ধরনের উচ্চগতির ম্যাচে ছোটখাটো চোট এড়ানো কঠিন। তবে এই ধাক্কা সামলে আমরা শক্তভাবে ফিরে আসব।'
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে দলের মানসিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গাসপেরিনি মনে করেন, চাপের মুখে সংযম হারানোই ছিল মূল সমস্যা।
তিনি বলেন, 'হয়তো আমাদের ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল এবং আমরা বুঝতে পারিনি যে মুহূর্তটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবলে এমনটা ঘটে, যদিও এটি অস্বাভাবিক। ওই ৮০ মিনিটের ভালো খেলা থেকে আবার শুরু করার শক্তি আমাদের খুঁজে বের করতে হবে এবং জবাব দিতে হবে।'
রিয়াল মাদ্রিদ বক্সের ভেতর শারীরিক শক্তি কাজে লাগিয়ে আক্রমণ শুরু করার পর তার দল যে সমস্যায় পড়েছিল, তা স্বীকার করেছেন রোমার কোচ। একই সঙ্গে এটিকে নিজেদের একটি দুর্বলতা হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
গাসপেরিনি বলেন, 'কিছু দল শুধু খেলোয়াড়দের সামনে ঠেলে দিয়ে বক্সে আক্রমণ করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা দুর্বল। শারীরিকভাবে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে এমনটা ঘটে। এই জায়গায় আমাদের উন্নতি করতে হবে।'
এত হতাশাজনক পরিণতির পরও গাসপেরিনির বিশ্বাস, এই পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে যে ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সামর্থ্য রোমার রয়েছে।
তিনি বলেন, 'এটা শারীরিক শক্তি কমে যাওয়ার কারণে হয়নি। ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার পরও আমরা খেলা চালিয়ে গেছি এবং কয়েকটি আক্রমণ আরও ভালোভাবে শেষ করতে পারতাম। গোলগুলো এসেছে সেটপিস থেকে, আর এ ক্ষেত্রে তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। আমরা হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ছি, কিন্তু রিয়ালের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। ওদের হাতে ওই একটিই অস্ত্র ছিল। আমরা উচ্ছ্বাস থেকে হতাশায় চলে এসেছি। এই ধাক্কা দ্রুত সামলে নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ২১ বছর বয়সী মনিকা ইয়াসমিন, যিনি দুই সন্তানের জননী, রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক এবং শাশুড়ি ও স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
নিহত মনিকা ইয়াসমিন ঝিনাইদহ পৌর এলাকার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের কন্যা। প্রায় ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রামের মো. জাকির হোসেনের ছেলে নিশাদের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। তাদের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর বিকেলে অসুস্থ চাচিকে দেখতে যাওয়ার জন্য স্বামীর অনুমতি নিতে হাটগোপালপুর বাজারে নিশাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান মনিকা। সেখানে নিশাদকে ফোনে কথা বলতে দেখে তিনি জানতে চান, কে সঙ্গে কথা বলছেন এবং ফোনটি দেখতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নিশাদ বাজারের মাঝেই তার ওপর হাত তোলেন এবং মারধর করেন।
এরপর মনিকা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ চাচির কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানান। ওই দিন আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাবার বাড়িতে তার মৃত্যু ঘটে। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
পরিবারের আরও অভিযোগ, নিশাদ দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রায়ই মনিকাকে মারধর করা হতো বলে দাবি করেছেন স্বজনেরা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ বিষয়ে জানান, পুলিশ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
দুই সন্তানের জননী মনিকার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার দাবি করেছেন শোকার্ত স্বজনেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ