বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৩ পি.এম
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জোসে মরিনিয়োর মন্তব্যের প্রতি কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রোমার কোচ জিয়ান পিয়েরো গাসপেরিনি। মরিনিয়ো চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে রোমার খেলোয়াড়দের ‘নিস্পন্দ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে গাসপেরিনির দাবি, স্টাডিও অলিম্পিকোতে ম্যাচের অধিকাংশ সময় তার দলই শ্রেয়তর ফুটবল উপস্থাপন করেছে, যদিও তারা শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদের কাছে শক্ত অবস্থান থেকে ম্যাচ হারানোর পর গাসপেরিনি হতাশ হয়ে পড়েন। তবে মরিনিয়োর মূল্যায়নের প্রতি তার আপত্তি ছিল বেশি। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে একের পর এক সেটপিস থেকে গোল করে স্প্যানিশ জায়েন্টরা জয় নিশ্চিত করে। মরিনিয়ো ইঙ্গিত দেন, চাপের মুখে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছিল ইতালীয় দলটি।
অ্যামাজন প্রাইমকে মরিনিয়ো বলেন, '৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা ভেবেছিল ম্যাচ শেষ। কিন্তু বাস্তবে রোমার খেলোয়াড়েরাই শেষ হয়ে গিয়েছিল।'
গাসপেরিনি মরিনিয়োর এই মন্তব্যকে ভালোভাবে নেননি। তিনি ম্যাচের একটি বড় সময়জুড়ে নিজের দলকে আধিপত্য বিস্তার করতে দেখেছিলেন। কিন্তু শেষের দিকে কর্নার থেকে তিনটি গোল হজম করে রোমা, যা স্বাগতিক সমর্থকদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ কোচের মন্তব্যের জবাবে গাসপেরিনি বলেন, 'আমি তা মনে করি না। আমার তো মনে হয়, যারা আর পেরে উঠছিল না, তারা ছিল ওরা (রিয়াল)। আমরা আরও কয়েকটি গোল করতে পারতাম। প্রতিটি বিভাগেই ওরা আমাদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে। ওরা গোল করেছে এবং সেই গোলগুলো যথার্থভাবেই গণনা করা হয়েছে। শারীরিক শক্তি কাজে লাগাতে ওরা ভালো করেছে। তবে বাকি দিকগুলোতে ওরা অবশ্যই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।'
গাসপেরিনির কাছে এই হার আরও বেশি যন্ত্রণাদায়ক ছিল, কারণ যেভাবে তার দল গোলগুলো হজম করেছে, সেটি ছিল বেশ হতাশাজনক। ৮০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পর রক্ষণ থেকে আক্রমণে ফেরার সময় যেন স্থবির হয়ে পড়ে রোমা। আর সেই সুযোগ বারবার কাজে লাগায় রিয়াল মাদ্রিদ, বিশেষ করে উচ্চতায় এগিয়ে থাকা খেলোয়াড়দের ব্যবহার করে।
রোমার রক্ষণভাগ পুরো ম্যাচে দৃঢ় দেখানোর পর হঠাৎ এতটা দুর্বল হয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন গাসপেরিনি।
স্কাই স্পোর্ট ইতালিয়াকে তিনি বলেন, 'আমরা যেন জয়ের শেষ সীমায় এসে আটকে গিয়েছিলাম, পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছিলাম। অথচ প্রথমার্ধেও তারা কয়েকটি কর্নার পেয়েছিল, কিন্তু তখন আমাদের রক্ষণে এমন দুর্বলতা দেখা যায়নি। ওরা খুব সহজেই গোল করেছে। এ ধরনের ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। এমন হারের পর ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। গোলগুলো হজম করার আগ পর্যন্ত আমরা যেভাবে খেলেছি, সেখান থেকেই আবার শুরু করতে হবে। আমাদের প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে, নইলে এতক্ষণ যা ভালো করেছি, সবকিছুই মূল্যহীন হয়ে যাবে।'
দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড় মানু কোনে ও পাওলো দিবালার চোটও এই হারের হতাশা বাড়িয়েছে। ম্যাচ চলাকালে দুজনকেই মাঠ ছাড়তে হয়। গাসপেরিনি তাদের চোটের ধরন সম্পর্কে জানান, 'কোনের পেশিতে সমস্যা হয়েছে, আর দিবালার কাফের পেশিতে কিছুটা টান লেগেছে। কোনের সমস্যাটি একটু বেশি গুরুতর বলে মনে হচ্ছে। এ ধরনের উচ্চগতির ম্যাচে ছোটখাটো চোট এড়ানো কঠিন। তবে এই ধাক্কা সামলে আমরা শক্তভাবে ফিরে আসব।'
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে দলের মানসিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গাসপেরিনি মনে করেন, চাপের মুখে সংযম হারানোই ছিল মূল সমস্যা।
তিনি বলেন, 'হয়তো আমাদের ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল এবং আমরা বুঝতে পারিনি যে মুহূর্তটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবলে এমনটা ঘটে, যদিও এটি অস্বাভাবিক। ওই ৮০ মিনিটের ভালো খেলা থেকে আবার শুরু করার শক্তি আমাদের খুঁজে বের করতে হবে এবং জবাব দিতে হবে।'
রিয়াল মাদ্রিদ বক্সের ভেতর শারীরিক শক্তি কাজে লাগিয়ে আক্রমণ শুরু করার পর তার দল যে সমস্যায় পড়েছিল, তা স্বীকার করেছেন রোমার কোচ। একই সঙ্গে এটিকে নিজেদের একটি দুর্বলতা হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
গাসপেরিনি বলেন, 'কিছু দল শুধু খেলোয়াড়দের সামনে ঠেলে দিয়ে বক্সে আক্রমণ করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা দুর্বল। শারীরিকভাবে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে এমনটা ঘটে। এই জায়গায় আমাদের উন্নতি করতে হবে।'
এত হতাশাজনক পরিণতির পরও গাসপেরিনির বিশ্বাস, এই পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে যে ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সামর্থ্য রোমার রয়েছে।
তিনি বলেন, 'এটা শারীরিক শক্তি কমে যাওয়ার কারণে হয়নি। ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার পরও আমরা খেলা চালিয়ে গেছি এবং কয়েকটি আক্রমণ আরও ভালোভাবে শেষ করতে পারতাম। গোলগুলো এসেছে সেটপিস থেকে, আর এ ক্ষেত্রে তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। আমরা হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ছি, কিন্তু রিয়ালের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। ওদের হাতে ওই একটিই অস্ত্র ছিল। আমরা উচ্ছ্বাস থেকে হতাশায় চলে এসেছি। এই ধাক্কা দ্রুত সামলে নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ২১ বছর বয়সী মনিকা ইয়াসমিন, যিনি দুই সন্তানের জননী, রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক এবং শাশুড়ি ও স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
নিহত মনিকা ইয়াসমিন ঝিনাইদহ পৌর এলাকার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের কন্যা। প্রায় ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রামের মো. জাকির হোসেনের ছেলে নিশাদের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। তাদের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর বিকেলে অসুস্থ চাচিকে দেখতে যাওয়ার জন্য স্বামীর অনুমতি নিতে হাটগোপালপুর বাজারে নিশাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান মনিকা। সেখানে নিশাদকে ফোনে কথা বলতে দেখে তিনি জানতে চান, কে সঙ্গে কথা বলছেন এবং ফোনটি দেখতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নিশাদ বাজারের মাঝেই তার ওপর হাত তোলেন এবং মারধর করেন।
এরপর মনিকা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ চাচির কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানান। ওই দিন আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাবার বাড়িতে তার মৃত্যু ঘটে। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
পরিবারের আরও অভিযোগ, নিশাদ দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রায়ই মনিকাকে মারধর করা হতো বলে দাবি করেছেন স্বজনেরা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ বিষয়ে জানান, পুলিশ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
দুই সন্তানের জননী মনিকার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার দাবি করেছেন শোকার্ত স্বজনেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হকের দায়িত্ব পালনের ওপর হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছে।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি এই তথ্য জানান।
এই আদেশের ফলে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক হিসেবে ফজলুল হকের দায়িত্ব পালনে হাইকোর্টের আদেশজনিত বাধা আপাতত থাকছে না।
এর আগে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী ফজলুল হককে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। গত ২৬ জুলাই এ নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। পরে ২ আগস্ট রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআইয়ের ফেডারেশন ভবনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ফজলুল হক তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের উপদ্রবে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। ঘরের দেয়াল, রান্নাঘর, উঠান ও শাকসবজির ক্ষেত সব জায়গায় ছোট-বড় অসংখ্য শামুক ছড়িয়ে পড়েছে। ফসলের ক্ষতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঝাড়ু দিয়ে সরিয়ে কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, বাড়ির দেয়াল, উঠান, গাছের গোড়া ও শাকসবজির বাগানে অসংখ্য শামুক ছড়িয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, দিনের বেলায় দেয়ালে লেগে থাকা এসব শামুক রাতের বেলায় ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। সরিয়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর আবারও ফিরে আসে। দেশি শামুকের তুলনায় আকারে কয়েক গুণ বড় এসব শামুকের বিস্তার ঠেকাতে বাসিন্দারা হিমশিম খাচ্ছেন।
স্থানীয় এক গৃহবধূ বলেন, "ঘরের দেয়াল শামুকে ভরে গেছে। ঝাড়ু দিয়ে সরিয়ে দিলেও আবার ফিরে আসে। রান্নাঘর ও বিছানার আশপাশেও উঠে যাচ্ছে। এতে বাচ্চারা ভয় পাচ্ছে, দুর্গন্ধও হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ঘরে বসবাস করাই কঠিন হয়ে পড়বে।"
শামুকের উপদ্রবে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাচাইল গ্রামের কৃষক জানান, "লাউ, পুঁইশাক ও কচুর লতিসহ বিভিন্ন শাকসবজি খেয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে শামুক। রাতে টর্চলাইট নিয়ে ক্ষেতে গেলে চারদিকে শামুক দেখা যায়। এভাবে চলতে থাকলে ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।"
এদিকে শামুকের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজিব জানান, "কিছু প্রজাতির শামুকের মাধ্যমে বহন করা পরজীবী মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে মেনিনজাইটিসসহ গুরুতর রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।" তিনি এ কারণে শামুক খালি হাতে না ধরা এবং স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার পরামর্শ দেন।
তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায় বলেন, "এটি আফ্রিকান জায়ান্ট শামুক হতে পারে। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের কারণে এদের বংশবিস্তার বেড়ে থাকতে পারে।" তিনি এ পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতার সঙ্গে শামুক অপসারণের পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, "গ্লাভস ব্যবহার করে শামুক সংগ্রহ করে নিরাপদ উপায়ে অপসারণ করতে হবে। আক্রান্ত এলাকায় কীটনাশক প্রয়োগের আগে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শামুক দমনে এমন রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না, যাতে মাটি, ফসল ও পরিবেশের ক্ষতি হয়।"
আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের বৈজ্ঞানিক নাম Lissachatina fulica। পূর্ব আফ্রিকায় উদ্ভূত এই প্রজাতি দ্রুত বংশবিস্তার ও বিস্তৃত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণাত্মক প্রজাতি হিসেবে পরিচিত। শাকসবজি, ফল, চারা ও বিভিন্ন উদ্ভিদের পাতা খেয়ে এটি ফসলের ক্ষতি করতে পারে। কিছু পরজীবীর বাহক হিসেবেও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই শামুকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সতর্কতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩’র উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আগামীকাল ১৬ অক্টোবর থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জন্য জানানো হয়েছে যে, আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যাবে। ফরম পূরণ করে পরদিন ১৭ অক্টোবর একই স্থানে ও সময়ে জমা দিতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ