ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় ১ মৃত্যু, হাসপাতালে ১১০ জন ভর্তি


ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় ১ মৃত্যু, হাসপাতালে ১১০ জন ভর্তি

সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১১০ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ১৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) আটজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন, এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রোগী রয়েছেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের টেন্ডারে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

অন্যদিকে, ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মোট তিন হাজার ১৩৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র লাভ করেছেন। চলতি বছরের ১ জুন পর্যন্ত মোট তিন হাজার ৩০৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ছয় শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক চার শতাংশ নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচারের নামে অবিচার ও দীর্ঘসূত্রিতায় দেশে অপরাধ বাড়ছে: ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


বিচারের নামে অবিচার ও দীর্ঘসূত্রিতায় দেশে অপরাধ বাড়ছে: ডা. শফিকুর রহমান

বিচারের নামে অবিচার ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেশে অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে, এই মন্তব্য তুলে ধরেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন নিহত রামিসার বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি এ কথা বলেন।

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরে জামায়াত আমির বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সেখানে উপস্থিত হন।

এ সময় শফিকুর রহমান আরও বলেন, শিশু রামিসা হত্যার বিচারে সরকারের প্রতিশ্রুতি শতভাগ বাস্তবায়ন হবে বলেই আশা করে জামায়াত।

তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিকতা থাকলে দ্রুতই বিচার সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

এই ঘটনার মাধ্যমে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হলো।

গত ২৪ মে তারিখে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসংক্রান্ত শুনানি নিয়ে অভিযোগ গঠনের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

ওইদিন দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।

একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখা পাওয়া যায়। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়া পাওয়া না যাওয়ায় রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এখন খুঁজে পাওয়া যায় আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানা গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় গত ২০ মে আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

ঘটনার সময় সে জানায় যে, ইয়াবা সেবন করেছিলেন।

জবানবন্দিতে সোহেল বলেছেন, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার সময় রামিসা ঘর থেকে বের হলেই তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বাথরুমে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

এই সময় সে মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকে।

এই সুযোগে সোহেল তার গলা কেটে হত্যা করে এবং মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে।

দুটি হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে।

এছাড়া, ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়।

ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিল। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে।

মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার ভিত্তি স্থাপন করা সেতুর স্থান ঘুরে দেখল চীনা প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


খালেদা জিয়ার ভিত্তি স্থাপন করা সেতুর স্থান ঘুরে দেখল চীনা প্রতিনিধিদল

নারায়ণগঞ্জের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা সেতুর স্থান পরিদর্শন করেছেন চীন সরকারের মালিকানাধীন চীনা রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের একটি প্রতিনিধিদল।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকায় সেতুর স্থান পরিদর্শনে যান চীনা প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতে জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর প্রস্তাবিত নবীগঞ্জ সেতু, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প এবং পানি পরিশোধন প্লান্ট নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর প্রতিনিধি দল শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রস্তাবিত নবীগঞ্জ সেতুর নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশাসহ, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নবীগঞ্জ খেয়াঘাট এলাকায় বহুল প্রত্যাশিত নবীগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জের শহর ও বন্দর এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাদ মাগরিব ধানমন্ডিতে তোফায়েলের জানাজা, দাফন হবে মায়ের কবরের পাশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


বাদ মাগরিব ধানমন্ডিতে তোফায়েলের জানাজা, দাফন হবে মায়ের কবরের পাশে

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজার নামাজ সোমবার (১ জুন) বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

জানাজার নামাজ শেষে, সেখানে মরদেহ রাখা হবে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে। উক্ত মরদেহকে পরে মঙ্গলবার (২ জুন) হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে ভোলায় নেয়া হবে। তারপর জোহরের নামাজের পরে ভোলা জেলা স্কুল মাঠে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় মৃত্যুবরণ করেন ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এই তোফায়েল আহমেদ। তার বয়স শেষ সময়ে ছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর সময় তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

তোফায়েল আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল মৌলভী আজহার আলী এবং মা ফাতেমা বেগম।

তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান তোফায়েল আহমেদ।

এরপর ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তোফায়েল আহমেদ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন বর্ষীয়ান এ নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমাদের মূল সমস্যা প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয় ও দুর্নীতি: ড. এনামুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


আমাদের মূল সমস্যা প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয় ও দুর্নীতি: ড. এনামুল হক

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বলেছেন, “আমাদের মূল সমস্যা প্রকল্প নয়; সমস্যা হলো প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয় ও দুর্নীতি।”

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. এনামুল হকের মতে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-র আকারই মূল সমস্যা নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যথাযথ প্রকল্প নির্বাচন এবং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন সময়মতো নিশ্চিত করা।

তিনি সরকারি ব্যয়ে দুর্নীতি ও অপচয় কমানোর পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিআইডিএস মহাপরিচালক বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়নে আরও শক্তিশালী পেশাগত বিশ্লেষণের আহ্বান জানান। বিশেষ করে প্রকল্পের সামাজিক সুফল, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব এবং ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ গভীরভাবে পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেন এই অর্থনীতিবিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%