ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পড়ল পাঁচ প্যানেল


সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পড়ল পাঁচ প্যানেল

সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের (এসএএফএফ) সভাপতি নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নির্বাচনে বদর আল-রুজাইজার নেতৃত্বাধীন প্যানেলকে একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু বাদ পড়া একাধিক প্যানেল তাদের বিরুদ্ধে আপিল ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সৌদি আরবের দৈনিক আরিয়াদিয়া রিপোর্ট করেছে যে, খালিদ আল-গামদির নেতৃত্বাধীন প্যানেলসহ অন্তত দুটি বাদ পড়া প্যানেল আল-রুজাইজার প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাদ পড়া অন্য প্যানেলগুলোও নিজেদের আইনি লড়াইয়ে যোগ দিতে পারে।

বাদ পড়া প্যানেলগুলোর অভিযোগ রয়েছে যে, তাঁদের প্রার্থিতা বাতিল করার জন্য যে নিয়ম ও শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, একই মানদণ্ড অনুমোদিত প্যানেলের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি ২৭ অক্টোবর

শনিবার নির্বাচন কমিটি প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই করার পর বদর আল-রুজাইজার ছাড়া বাকি পাঁচটি প্যানেলকে নির্বাচনী দৌড় থেকে বাদ দেয়। বাতিল হওয়া প্যানেলগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ আল-গামদি, ফাহাদ আল-ঘাফিলি, হাতেম খাইমি, আহমেদ আল-ওয়াদাই ও শাকের আল-ওসাইমি।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব প্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে অপর্যাপ্ত ক্রীড়া ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করা এবং সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধির নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ না করার।

বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে ফাহাদ আল-ঘাফিলি নির্বাচনী কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন না। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি রোশন লিগের একটি ক্লাবের সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর যুক্ত থাকার পরও তাঁর সেই অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত ছিল না। তাই তাঁর প্যানেলের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

অবশেষে কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ঘাফিলি বলেন, 'কমিটির সিদ্ধান্তের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।' নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূচি অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালক পদে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুবিধা ছিল। এ সময়ের মধ্যে মোট সাতটি প্যানেল মনোনয়ন দাখিল করেছে। পরে তুর্কি আল-দাবান তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: গাড়িচাপায় দুই পা হারালেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস

শুধু এরপর ২ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত প্রার্থীদের কাগজপত্র ও নির্বাচনী শর্ত যাচাই করে নির্বাচন কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়।

সূত্র: গোল ডটকম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নতুন করে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নতুন করে আলোচনা

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে, বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বর্তমানে মির্জা ফখরুলের নাম অনেকটা জোরেসোরে আলোচিত হচ্ছে, তবে দলের কিছু সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও নিলেও এসব এখন পর্যন্ত গুঞ্জন মাত্র। আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বিএনপি জানায়নি।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। এর কিছু ঘণ্টা পর বিকেলের দিকে, কিছু গণমাধ্যমে দলীয় সূত্রের বরাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়।

একটি গণমাধ্যমে আবার দলীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে রাষ্ট্রপতি পদে দলের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন তা নিয়ে নতুন আলোচনা আবার উসকে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেন, "রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম যে আলোচনা হচ্ছে সেটি আসতেই পারে।"

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এ বিষয়ে অবহিত করা হলে তিনি জানিয়েছেন যে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। দলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাকে কিছু জানানো হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "সিধান্ত আমাদের দলীয় প্রধান তারেক রহমান নেবেন। এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আমাদের জানানো হয়নি। এখন সম্ভাব্য ক্যান্ডিডেট হিসেবে আলোচনায় অনেকজনই আছেন। সেখানে কে কার নামকে হাইলাইট করবে, সেটা তাদের নিজস্ব বিষয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ৯ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এখন সময় দেশ গড়ার, এখন সময় জাতির ভাগ্য গঠনের। কাজেই আমাদের ২০ কোটি মানুষকে কাজে লাগাতে হবে এবং ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের দেশকে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

আজ রোববার রাতে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশে কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণের উন্নয়নের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে- বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক মানুষ, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা কী করবে। প্রত্যেক মানুষকে আজ সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রাজপথে এসে তা বন্ধ করে দিতে চায়, যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এটা আজকে বাংলাদেশের মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি, আমরা শপথ গ্রহণ করি- দেশের উন্নয়ন ও দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে, তাদেরকে আমাদের রুখে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমাদের স্লোগান- করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির প্রত্যেক নেতাকর্মী একটি কথা বলে থাকে- আমাদের সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। কাজেই জনগণের সমর্থন যেহেতু বিএনপির পক্ষে আছে, জনগণ যেহেতু বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে, জনগণ যেহেতু বিএনপির ৩১ দফার পক্ষে রায় দিয়েছে, সুতরাং সে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করাই এখন আমাদের মূল পবিত্র দায়িত্ব। কারণ ৩১ দফা হচ্ছে জনগণের দফা। কাজেই জনগণের দফা পূরণ ও বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিএনপি দেশ ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ আগস্ট পূর্ণ সূর্যগ্রহণ: নিরাপদে দেখার বিষয়ে নাসার নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


১২ আগস্ট পূর্ণ সূর্যগ্রহণ: নিরাপদে দেখার বিষয়ে নাসার নির্দেশনা

আগামী ১২ আগস্ট বিশ্বজুড়ে ঘটতে যাচ্ছে এক মহাজাগতিক বিস্ময়—পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে, দিনের বেলায় আচমকা গোধূলির মতো অন্ধকার নেমে আসবে এবং এতে দেখা যাবে তারামণ্ডলী! তবে অভাবনীয় এই দৃশ্যটি দেখতে গেলে সুরক্ষামূলক চশমা ব্যবহার না করলে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাই, গ্রহণকে নিরাপদে উপভোগ করার জন্য নাসা কিছু জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে।

পূর্বনির্ধারিত সময়ে, চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের ঠিক মাঝখানে এসে সূর্যকে সম্পূর্ণভাবে ঢাকা দেয়, তখনই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে। নাসার মতে, যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে, তাহলে এই সময় সূর্যের বাইরের স্তর বা 'করোনা' স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এবারের সূর্যগ্রহণটি মূলত গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন, উত্তর রাশিয়া এবং পর্তুগালের কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে। যদিও, উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে আংশিক গ্রহণ দৃশ্যমান হলেও, বাংলাদেশে এই সময় রাত হওয়ার কারণে গ্রহণটি দেখা যাবে না।

নাসা জানিয়েছে, সাধারণ রোদচশমা পরে কখনোই গ্রহণ দেখা উচিত নয়। এর জন্য অবশ্যই 'ISO 12312-2' মানসম্পন্ন বিশেষ সোলার গ্লাস ব্যবহার করা উচিত। চোখে দেওয়ার আগে গ্লাসে ফাটল বা দাগ আছে কিনা, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তবে কেবল সূর্য যখন পুরোপুরি ঢাকা পড়ে, তখনই ক্ষণিকের জন্য গ্লাসটি খুলে দেখা নিরাপদ। উপরন্তু, সোলার গ্লাস পরে কোনো ক্যামেরা, বাইনোকুলার, কিংবা টেলিস্কোপ দিয়ে সূর্যের দিকে তাকানো যাবে না। গ্লাস না থাকলে, পিনহোল প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাটিতে ছায়া দেখা যেতে পারে। নাসা রোদে দীর্ঘক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের সুরক্ষার জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য পরিশোধ করা যাবে বাংলাদেশি টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


দেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য পরিশোধ করা যাবে বাংলাদেশি টাকায়

পর্যটনপ্রেমীরা এখন থেকে বাংলাদেশি টাকায় পরিশোধ করতে পারবেন বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজের মূল্য। বাংলাদেশ ব্যাংক স্থানীয়ভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্যুর অপারেটরদের বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজের মূল্য বাংলাদেশি টাকায় গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার (৯ আগস্ট) এই সুবিধার বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যা পর্যটক এবং ট্যুর অপারেটর উভয়ের জন্যই লাভজনক। বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত হোটেল, যাতায়াত এবং গন্তব্যস্থানের অন্যান্য সেবার মূল্য টাকায় পরিশোধ করা যাবে।

নতুন এই ব্যবস্থার অধীনে ট্যুর অপারেটররা ভ্রমণকারীদের কাছ থেকে দেশে টাকায় প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করবে। এরপর অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটর, হোটেল বা ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানো সম্ভব হবে। এই ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে সংগৃহীত টাকার বিপরীতে প্রচলিত বিনিময় হারে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানো হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই সুবিধা পেতে ট্যুর অপারেটরদের ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)-এর সদস্য হতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশি ট্যুর অপারেটর, হোটেল বা ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে তাদের চুক্তি বা সমঝোতা থাকতে হবে।

বিদেশি প্যাকেজের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর অনুমতি রয়েছে। তবে এই সীমা ভ্রমণের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রার কোটার বাইরে প্রযোজ্য। কিন্তু, সুবিধা শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যারা বাংলাদেশি টাকায় প্যাকেজের মূল্য পরিশোধ করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, গ্রাহক থেকে সংগৃহীত টাকা বিদেশ ভ্রমণের সেবার বিপরীতে ব্যবহার হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করা আবশ্যক। এর মধ্যে বিদেশি সেবা প্রদানকারীর ইনভয়েস, চুক্তিপত্র, বিস্তারিত ভ্রমণসূচি ও ব্যয়ের হিসাব, ভ্রমণকারীর পাসপোর্ট নম্বরের তালিকা, দেশীয় ও বিদেশি ট্যুর অপারেটরের মধ্যে চুক্তি এবং টাকায় অর্থ গ্রহণের প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রত্যেক ভ্রমণকারীর পাসপোর্ট নম্বরের বিপরীতে লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে ট্যুর অপারেটরদের, এবং একটি ক্যালেন্ডার বছরে কত বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করা হয়েছে তা সমন্বিত হিসাব রাখার জন্যও নির্দেশনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ভ্রমণকারীরা যদি অন্য ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে তাদের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রার সীমা ইতিমধ্যে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তা জানাতে হবে ট্যুর অপারেটরদের।

ট্যুর অপারেটররা তাদের সেবা মূল্য বা কমিশন বাংলাদেশি টাকাতেই রেখে দিতে পারবেন। কিন্তু বিদেশি অংশীদারদের কাছে পাঠানো অর্থের পরিমাণের সঙ্গে প্রযোজ্য কর বাদ দেওয়ার পরের প্রকৃত পাওনা অর্থের সমান হতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ কথা পরিষ্কার করেছে যে, এই সুবিধা শুধুমাত্র প্রকৃত বিদেশ ভ্রমণসেবার জন্যই ব্যবহৃত হবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে না।

বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে লেনদেনটি বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করবে। অর্থ পাঠানোর পর সাত দিনের মধ্যে এই রেমিট্যান্সের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে, এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা যাচাই করবে।

বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজের বিপরীতে অর্থ পাঠানোর বিষয়ে গত ৭ মে জারি করা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসংক্রান্ত নির্দেশনা এফইপিডি-তে থাকা বিধান সংশোধন করে নতুন নির্দেশনাটি জারি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%