ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ নাম বদলের প্রস্তাব


সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ নাম বদলের প্রস্তাব

সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব

 

জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ দেশের লাইব্রেরি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই’ কর্নারে রূপান্তরের প্রস্তাব করেছেন। তিনি সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় রাস্তা বিরোধে পিটিয়ে হত্যা, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যক্তির মৃত্যু

 

এর আগে সংসদের বৈঠকটি বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে শুরু হয়।

মারদিয়া মমতাজ তার উত্থাপিত প্রশ্নে উল্লেখ করেন, ‘আমরা জানি, গত ফ্যাসিস্ট রেজিমের সময় একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি পাঠাগারগুলো এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুজিব কর্নার স্থাপন করা হয়েছিল। ২৪ আগস্টের পর এই নোটিশগুলো বা শিরোনামগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পাঠাগারগুলো আগের অবস্থায় রয়ে গেছে।

 

আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

তিনি স্পিকার মাধ্যমে মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, ‘যদি এই লাইব্রেরিগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে তা দেশের মানুষের জন্য কল্যাণের কাজ হতে পারে। এ বিষয়ে কোনো চিন্তা আছে কি না?’

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় তার জবাবে বলেন, ‘আমাদের জাতীয় থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত অনেক পাবলিক লাইব্রেরি রয়েছে। সংসদ সদস্য যে লাইব্রেরিগুলোর কথা বললেন, আমরা অবশ্যই এগুলোকে আমাদের আওতায় নেব। তিনি একটি তালিকা করে আমাদের দিতে পারেন, আমরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরনো ঋণের চাপ সামলে বৈদেশিক দায় পরিশোধে সরকারের অগ্রগতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


পুরনো ঋণের চাপ সামলে বৈদেশিক দায় পরিশোধে সরকারের অগ্রগতি

বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণের চাপ সামলাতে সক্ষম হয়েছে, যদিও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া বড় অঙ্কের ঋণের পরিশোধের বাড়তি চাপ রয়েছে। নিয়মিতভাবে এবং সফলতার সঙ্গে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করছে সরকার। নতুন ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানও গ্রহণ করা হয়েছে।

 

বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা, বিনিয়োগের সুফল এবং ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সরকার ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এর পরিমাণ ছিল ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ১৮ কোটি ১ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

 

এ মাসে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এটি নির্দেশ করে যে, সরকার আগের ঋণের দায় নিয়মিত পরিশোধের পাশাপাশি নতুন ঋণ গ্রহণেও সংযত অবস্থান নিয়েছে। ঋণের অর্থ এমন প্রকল্পে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেগুলো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান, বিশেষ করে উৎপাদনশীল ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে গতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

 

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পরিমাণ আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৪৪৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৪০৯ কোটি ডলার। এর প্রধান কারণ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া বড় অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের ঋণ এখন পরিশোধের পর্যায়ে এসেছে। আগের দেড় দশকে নেওয়া এসব প্রকল্প ঋণের অনেকগুলোর অবকাশকাল বা গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে যাওয়ায় আসল ও সুদ পরিশোধ শুরু হয়েছে। ফলে বর্তমান সরকারের সময়ে এসব ঋণের পরিশোধের চাপ বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাসসকে বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের নামে ব্যাপকভাবে ঋণ নিয়েছে। এসব ঋণ নেওয়ার সময় প্রকল্পের ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা অর্থের বিপরীতে প্রাপ্ত সুফল এবং সুদের হার যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ খাতেও ক্যাপাসিটি চার্জসহ বিভিন্ন কারণে বিপুল ঋণ ও ভর্তুকির বোঝা তৈরি হয়েছে। এখন ওই ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ বর্তমান সরকারকে সামলাতে হচ্ছে। তবে সরকার এই দায় পরিশোধ করছে।

যত্রতত্র ঋণ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ঋণের বোঝা রেখে গেছে উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার দেশি-বিদেশি যেকোনো ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিনিয়োগ, বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য ঋণের ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ঋণ নিলে তার বিপরীতে কী রিটার্ন আসবে এবং কতটা কর্মসংস্থান তৈরি হবে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পরিমাণ ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২৬৭ কোটি ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৩৭ কোটি ডলার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আরো বেড়ে ৪০৯ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বড় অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ব্যাপক বৈদেশিক অর্থায়ন নেওয়া হয়। বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচিতেও বৈদেশিক সহায়তার ব্যবহার ছিল উল্লেখযোগ্য।

ইআরডির তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৪ কোটি ডলার এবং অর্থছাড় হয়েছিল ১ হাজার ২৮ কোটি ডলার।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাসসকে বলেন, অতীতে যতটুকু বৈদেশিক ঋণ পাওয়া সম্ভব, তা নেওয়ার একটি প্রবণতা ছিল। এখন দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করেই বৈদেশিক সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এবং জাপান থেকে পাওয়া অর্থায়ন আগের মতো সহজ শর্তের নয়। তাই এসব ঋণ ভবিষ্যতে পরিশোধের সক্ষমতা দেশের রয়েছে কি না, সেটিও সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে।

ড. জাহিদ আরো বলেন, ‘ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সরকারকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।

একই সঙ্গে আর্থিক খাতের সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে বাস্তবায়ন এবং এর সুফল দৃশ্যমান করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, প্রকল্প গ্রহণের আগে এর সম্ভাব্য আর্থিক ও অর্থনৈতিক সুফল এবং বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত রিটার্ন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় দাঁড়িয়েছে ৮০৭ কোটি ডলারে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৮৫৭ কোটি ডলার। প্রকল্প সহায়তার অর্থছাড় ৮৫২ কোটি ডলার থেকে কমে ৮০২ কোটি ডলারে নেমেছে।

তবে অনুদানের অর্থছাড় বেড়ে ৫৫ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৪৫ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈদেশিক সহায়তার সবচেয়ে বড় উৎস ছিল বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি এ সময়ে ২০৭ কোটি ডলার অর্থছাড় করেছে। এরপর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে এসেছে ১৯১ কোটি ডলার।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বিগত সরকারের সময়ে নেওয়া ঋণের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ এখন পরিশোধযোগ্য হয়ে উঠেছে। তাই চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুত করা, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করা এবং এসব প্রকল্প থেকে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করা জরুরি।

তারা উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আরও ভালো শর্তে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এবং সম্ভব হলে রেয়াতি বা সহজ শর্তের অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা, গোডাউনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


সার নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা, গোডাউনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা নিয়ে গেলেন কৃষকেরা
 
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সারের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ডিলারের দেখা না পেয়ে উত্তেজিত কৃষকেরা একটি সার ডিলার পয়েন্টের গোডাউনের টিনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 
 
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রৌমারী মহিলা কলেজপাড়া এলাকায় মেসার্স মিতা-হাসান এন্টারপ্রাইজের ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
 
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্দবেড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের এলাকার কৃষকেরা সার সংগ্রহের জন্য গভীর রাত থেকেই ওই ডিলার পয়েন্টে জড়ো হতে থাকেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ডিলারের দেখা না পাওয়ায় একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়।
 
স্থানীয়রা জানান,সকাল ১১টা পর্যন্ত ডিলার সার বিতরণ করতে না আসায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
 
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ডিলারের গোডাউনের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে সারের বস্তা নিয়ে যায়।
 
মেসার্স মিতা-হাসান এন্টারপ্রাইজের সার ডিলার মো: মতিয়ার রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সার বিতরণ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে ইউএনও’র কাছে যাওয়া হয়। এরই মধ্যে ধৈর্যহারা কৃষকেরা গোডাউন থেকে আনুমানিক শতাধিক বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। ঠিক কত বস্তা সার নেওয়া হয়েছে, তা দিনশেষে হিসাব করে জানা যাবে।
 
এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। কৃষকেরা ধৈর্য ধরে সার উত্তোলন করলে কোনো সমস্যা হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল থেকে খোলাবাজারে সার বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। এতে সার নিয়ে ছড়ানো গুজবও দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাহবুবুল হাসান বলেন,আমি নিজেই বিভিন্ন সার ডিলার পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন। একটি সার বিক্রয়কেন্দ্রে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
 
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার পাথরডুবির মানুষের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার পাথরডুবির মানুষের
স্বাধীনতার পর থেকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরডুবি থেকে থানাঘাট যাওয়ার পথে গলাচিপা এলাকায় স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরেও সেখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে তাদের।
 
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণ পাথরডুবি ও থানাঘাট এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ পথে চলাচল করেন। কিন্তু গলাচিপা এলাকায় সেতু না থাকায় বাঁশের সাঁকোটিই তাদের একমাত্র ভরসা। 
 
স্থানীয়রা নিজেদের বাঁশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করা হলেও এক বছর পার না হতেই ভেঙে যায়। আবার নতুন করে তৈরি করতে হয়। 
 
এই সাঁকো দিয়ে কৃষি চাষাবাদ ও অসুস্থ রোগী নিয়ে যাওয়া যায় না। পানি কম থাকলে কাঁধে করে পারাপার করা হয়। অনেকে অসুস্থ হলেও যাতায়াতের ভোগান্তিতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত।
 
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটি দিয়ে পারাপারের সময় অনেকেই ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাঁকো পার হতে গিয়ে ইতোমধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। কারও হাত-পায়ে আঘাত লেগেছে, আবার কারও হাত ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
 
শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সাঁকোটি পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
 
এ বিষয়ে পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, “একটা ব্রিজের জন্য স্থানীয় পর্যায় ছাড়াও সাবেক ও বর্তমান এমপি এবং ঢাকা থেকে আগত পিডি ও ইঞ্জিনিয়ারদের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।”
 
সংসদ অধিবেশন চলায় কুড়িগ্রাম -১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 
এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারের দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


সারের দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ
সারের দাবিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন কৃষকেরা। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার সোনাহাট এলাকায় চাহিদামতো সার না পাওয়ার অভিযোগে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে যাওয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে কিছু সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে সোনাহাট এলাকায় সার বিতরণ শুরু হলে চাহিদামতো সার না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাঁরা সড়কে বসে অবরোধ করেন। খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গেলে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে কৃষি কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে।
 
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন বলেন, উপজেলার কোনো না কোনো ইউনিয়নে প্রতিদিনই সার নিয়ে কৃষকেরা বিক্ষোভ করছেন এবং কোথাও কোথাও সড়ক অবরোধ করছেন। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে প্রতিদিনই যেতে হচ্ছে।
 
ওসি বলেন, ‘কৃষি বিভাগে কী পরিমাণ সার মজুত আছে এবং কৃষকদের চাহিদা কত, তা পরিষ্কারভাবে জানানো হলে এ ধরনের সমস্যা কমত। কৃষি বিভাগ পর্যাপ্ত সার থাকার কথা বলছে, অথচ কৃষকেরা সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করছেন। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে গিয়ে পুলিশের অন্য কাজ ব্যাহত হচ্ছে।’
 
এদিকে একই উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের শহীদ মোড় এলাকাতেও সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কৃষকেরা। এ সময় তাঁরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
 
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত সার রয়েছে। আগাম ভুট্টা ও বেগুন চাষের জন্য কৃষকেরা বাড়তি সার মজুত করায় কোথাও কোথাও সাময়িক সংকট তৈরি হচ্ছে। সমন্বয়ের মাধ্যমে সার বিতরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
 
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৩ আগস্ট ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারে এক ডিলারের গুদামের বেড়া ভেঙে ২২৫ বস্তা সার নিয়ে যান কৃষকেরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে ১১৫ বস্তা সার ফেরত দেন তাঁরা। ওই ঘটনায় ধলডাঙ্গা বাজারের সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে কৃষকদের সময়মতো সার না দেওয়া ও ক্যাশমেমোতে অসংগতির অভিযোগ ওঠে। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%