মোঃ সাকিব দিনাজপুর হিলি প্রতিনিধি
০৬:৪০ পি.এম
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে পরিচালিত পৃথক অভিযানে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ। একইসঙ্গে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আরও ২ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের এসব অভিযানে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাকিমপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, অভিযানের সময় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর উপজেলার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহারের সম্ভাব্য কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
হাকিমপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক, চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ ধরনের অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও বৃদ্ধি পাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও তাড়াশ উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পৌর এলাকার শেরখালি গ্রামের বাসিন্দা অ্যাড. শাহজালাল এবং তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য বাবুল শেখ।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অ্যাডভোকেট শাহজালালের বিরুদ্ধে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দুটি হত্যা এবং শাহজাদপুর থানায় বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়েছে। দীর্ঘদিন তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে পাবনা সদরের শালগড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার তাকে শাহজাদপুর চৌকি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
তাড়াশ থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বারুহাস ইউনিয়নের বিনোদপুর বাজারে বিএনপির প্রার্থী আবদুল মান্নান তালুকদার নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেন। ওই সময় মান্নান তালুকদারের গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আহত হন। ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বারুহাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে অপসারিত সংসদ সদস্য ডা. আবদুল আজিজসহ ৯৯ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩০০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
বাবুল শেখ ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাড়াশ সদরের নিজ বাড়ি থেকে বাবুল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের নির্দেশে শুক্রবার তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জি-৭ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনীতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালির মধ্যে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মন্তব্যের কারণে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ইতালির টেলিভিশন চ্যানেল লা-৭–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, সম্প্রতি জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মেলোনি তাঁর সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্য ‘ভিক্ষা’ করেছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, সে (মেলোনি) আমার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ‘ভিক্ষা’ করেছিল। সে আমার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য খুবই মরিয়া ছিল। আমি আসলে ছবি তুলতাম না, কিন্তু তার জন্য খারাপ লাগায় রাজি হয়েছিলাম।
ট্রাম্পের এ মন্তব্যের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মনগড়া’ বলে অভিহিত করেন এবং বলেন, আমি কিংবা ইতালি কখনো কারও কাছে কিছু ‘ভিক্ষা’ চায় না।
মেলোনি আরো বলেন, তিনি ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে বিস্মিত হয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কেন তার মিত্রদের প্রতি এমন আচরণ করেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক বার্তায় মেলোনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার মিত্রদের সঙ্গে এভাবে আচরণ করেন। এটি প্রথমবার নয়। হতাশাজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের প্রতি তিনি এমন কঠোর অবস্থান দেখান না; বরং তাদের নেতাদের প্রতি অনেক বেশি সহনশীলতা প্রদর্শন করেন।’
এই ঘটনায় ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যকে ইতালির প্রতি অবমাননাকর আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিলের ঘোষণা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তাজানি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিয়ে করা গুরুতর ও অপমানজনক মন্তব্য পুরো ইতালিকেই অপমান করেছে। এজন্য আগামী ২১ ও ২২ জুন নির্ধারিত আমার যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি এই অনুরোধটি গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক আধা-সরকারি (ডিও) পত্রের মাধ্যমে জানান।
পত্রে প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়টি উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁর নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের অপচেষ্টা ও প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন। যা তাঁর কাছে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্যকে অক্ষুণ্ণ রাখাটাই অধিকতর উপযুক্ত।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরও জানান, শিবগঞ্জ-মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন এবং সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতার ফলে ১৯৯৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত ও উন্নত হয়েছে। যেমন, মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয় এবং আরও কিছু প্রতিষ্ঠান।
পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে তাঁর বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন করা না হয়। একই সাথে তিনি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
জানা গেছে, এই চিঠির অনুলিপি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক সক্ষমতা বিকাশ করছে। এটি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে। আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষ্যে তিনি একটি বাণী প্রদান করেন এবং এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ আয়োজনকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী সকল ক্ষুদে ফুটবলার, কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, আয়োজক, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’
তিনি আরও বলেন, শিশুদের সঠিক শারীরিক, মানসিক এবং নৈতিক বিকাশ একটি উন্নত, সুস্থ এবং মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। জাতি গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সরকার ক্রীড়াকে পেশা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণে নেয়া হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি। প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ সকল উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হয়ে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি দেশে একটি সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ফুটবল বাংলাদেশে সকল অঞ্চলে প্রধান জনপ্রিয় খেলা। চলমান বিশ্বকাপের প্রভাবে এই জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তবে আমাদের খেলার মান এবং অংশগ্রহণ এখনও কাক্সিক্ষত মানে পৌঁছাতে পারে নি। ফুটবল খেলার সম্প্রসারণ, মানোন্নয়ন এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাটির নিয়মিত চর্চা এবং অনুশীলনের বিকল্প নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট এ লক্ষ্য অর্জনে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। এ টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা ক্ষুদে ফুটবলাররা ইতোমধ্যে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ব্যাপক পরিসরে আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের ফুটবল প্রতিভা বিকাশের জন্য অন্যতম একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠুক; ক্ষুদে ফুটবলাররা দেশের ক্রীড়াজগতকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশের জন্য আরো সম্মান এবং মর্যাদা বয়ে আনুক- এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ