পারভিন আক্তার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৩:৩২ পি.এম
অংশ হিসেবে পূর্ব নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত সহিতুন্নেসা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ফলজ গাছ রোপন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, জনাব মোঃ রায়হান কবির।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রূপগঞ্জ; সহকারী কমিশনার (ভূমি)গণ, রূপগঞ্জ; সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং এলাকার জনসাধারণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে কিশোরী ও তরুণীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য নিয়ে কক্সবাজারে আয়োজিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’। এই জব ফেয়ারটি হোটেল সি প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে পর্যটন, রিটেইল, ব্যাংকিং, আইসিটি, সেবা ও অন্যান্য খাতের ২০টির বেশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নিত।
জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এবং যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (FCDO)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘স্বপ্নের সারথী—গার্লস এডুকেশন অ্যান্ড স্কিলস পার্টনারশিপ (GESP)’ প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজনটি করা হয়।
এর আগে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত ১৬ জুন বান্দরবানে প্রথম জব ফেয়ারটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এই জব ফেয়ারটি কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কিশোরী ও তরুণীদের সঙ্গে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি সংযোগ তৈরির সুযোগ তৈরি করে।
মেলায় বিডিজবস, সম্ভাব জবস, অনার, অপো ও স্বপ্ন সুপার শপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে সিভি জমা দেওয়ার, সরাসরি সাক্ষাৎকার, ক্যারিয়ার পরামর্শ এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ ছিল।
কক্সবাজার, যা পর্যটন ও সেবা খাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানে দুর্ভিক্ষ, বাল্যবিবাহ, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং দক্ষতার অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলায় ‘স্বপ্নের সারথী’ প্রকল্প কিশোরী ও তরুণীদের ডিজিটাল সক্ষমতা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রস্তুত করছে।
সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে তারা শুধু নিজের জীবনেই পরিবর্তন আনবে না, বরং পরিবার ও সমাজের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন সুযোগ তৈরি করছে।’
ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফাহমিদা শবনাম বলেন, ‘মেয়েদের জন্য প্রশিক্ষণ, আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে কাজ করলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব। স্বপ্নের সারথী প্রকল্প মেয়েদের শুধু চাকরির জন্য প্রস্তুত করছে না, বরং তাদের নিজেদের সম্ভাবনা চিনতে এবং ভবিষ্যতের জন্য নেতৃত্ব দিতে উৎসাহিত করছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কলাবাগান থানার ভুতের গলি মসজিদের পাশে একটি ষষ্ঠতলা নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময়ে মো. ইয়াসিন (৩৮) নামে এক রাজমিস্ত্রি পড়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনা ঘটে শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে। মৃত্যুবরণ করা ইয়াসিন লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।
মৃত মো. ইয়াসিনের সহকর্মী সায়েদুল জানান, নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময়ে অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে, তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল পৌনে ১২টায় চিকিৎসক ইয়াসিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহটিকে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে গীতা স্কুলের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ভোগ নিবেদন ও ভোগ আরতি, মহা প্রসাদ বিতরণ গীতাযজ্ঞ ও সকল বিদ্যার্থীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। পরে ২০০ কন্ঠে পবিত্র শ্রীমদ্ভাগবতগীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে শ্রী শ্রী কুলেশ্বরী বাড়ি দেবালয় প্রাঙ্গণে গীতাযজ্ঞ ও সকল বিদ্যার্থীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শ্রী শ্রী কুলেশ্বরী বাড়ি দেবালয় কমিটি।
শ্রী শ্রী কুলেশ্বরী বাড়ি দেবালয় কমিটির সভাপতি শ্রী নরেশ চন্দ্র মোদকের সভাপতিত্বে ও গীতা স্কুলের পরিচালক রাজীব চন্দ্র সাহার সঞ্চাচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাখেন- শ্রী শ্রী কুলেশ্বরী বাড়ি দেবালয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মোদক, কোষাধ্যক্ষ রামকৃষ্ণ মোদক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাগর সরকারসহ বিভিন্ন মন্দিরের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
এ সময় বিভিন্ন মন্দিরের কার্যনিবাহী পরিষদ, গীতা স্কুলের পরিচালক তপন মোদক,সজীব মোদক ও সৌরভ মোদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এই হামলায় রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর মধ্যে একটি তেল শোধনাগারও রয়েছে বলে জানা গেছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর ওপর এটিকে অন্যতম বড় ইউক্রেনীয় হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
এই হামলার আগে ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক আক্রমণে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিলের পর সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনে রুশ হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন।
দেশটির ছয়টি অঞ্চলে একদিনেই এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
এদিকে রাশিয়া রাজধানী কিয়েভের একটি ঐতিহাসিক মঠ কমপ্লেক্সেও হামলা চালিয়েছে।
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই স্থাপনাটি ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নিদর্শন।
রুশ হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার মস্কোকে লক্ষ্য করে বড় আকারের ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন।
হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে একটি তেল শোধনাগারও ছিল।
ইউক্রেনের দাবি, এসব স্থাপনা রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাজধানীর দিকে আসার সময় প্রায় ১৮০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
তবে কিছু ড্রোন বিভিন্ন স্থাপনায় আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর আগে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, 'ইউক্রেনের মানুষ এই যুদ্ধ চায় না। তারা কখনোই তা চায়নি।
কিন্তু যদি ইউক্রেন পুড়ে যায়, তাহলে তোমাদের মস্কোও পুড়বে।'
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ওপর রাশিয়া যে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে, তার জবাব হিসেবে ইউক্রেন মস্কোতে ড্রোন হামলা করেছে।
তার মতে, এটি প্রতিশোধমূলক বা অযৌক্তিক কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং রাশিয়ার হামলারই পাল্টা প্রতিক্রিয়া।
একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইউক্রেন শুধু সাধারণ লক্ষ্যবস্তু নয়, বরং রাশিয়াকে যুদ্ধ পরিচালনায় সহায়তাকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোকেও লক্ষ্য করছে।
মস্কোর তেল শোধনাগারের মতো স্থাপনায় হামলাকে তিনি ইউক্রেনীয় বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ইউক্রেন শুধু নিজেদের রক্ষাই করছে না, বরং রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতাকেও দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
তবে যুদ্ধে দুই পক্ষের কত সেনা নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে না।
বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
যুদ্ধ তিন বছরের বেশি সময় ধরে চললেও এখনো সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের কোনো ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।
ইউক্রেনে জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশন (এইচআরএমএমইউ) চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, এই বছরের মে মাস গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী ছিল।
ওই মাসে রুশ হামলায় ২৭৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন আরো এক হাজার ৭৬৩ জন।
এদিকে রাশিয়ার ভেতরেও ইউক্রেনীয় হামলার ঘটনা ঘটছে।
চলতি সপ্তাহে রুশ গণমাধ্যম জানায়, বেলারুশের একটি কিশোর ফুটবল দলকে বহনকারী একটি বাসে ইউক্রেনের হামলায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, ইউক্রেনের হামলার জবাবে রাশিয়া নিয়মিতভাবে বড় আকারের সম্মিলিত হামলা চালাবে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে ইউক্রেনকে নতুন করে সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে অতিরিক্ত ১০ কোটি ডলার সহায়তা দেওয়া হবে।
এর ফলে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে ১৮০ কোটি ডলারে।
মার্লেস বলেন, রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা জোরদার করতে ইউক্রেনের যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, অস্ট্রেলিয়া সেই সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ