১২:০৩ পি.এম
যুদ্ধে বিরতি বজায় থাকা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে, তা বন্ধে দ্রুত চাপ প্রয়োগের জন্য স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল রবিবার সংগঠনটি এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি দেয়।
এছাড়া, তারা অভিযোগ করেছে যে, যুদ্ধবিরতির সফল বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি করেছে।
হামাসের দাবি অনুযায়ী, গতকাল রবিবার সকালে ইসরায়েলি হামলায় ১৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া, বেশ কিছু পরিবারের সবকিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মধ্যস্থতাকারী দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতাকে ভেঙে দিতে যুদ্ধবিরতিতে হামলা চালানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর ইরান আক্রমণের নতুন পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
বিবৃতিতে সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, ‘যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহুর সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই সামরিক অভিযানকে ত্বরান্বিত করছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতাকে বাধাগ্রস্ত করা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন বিপর্যস্ত করা।’
হামাস মধ্যস্থতাকারী এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে জড়িত দেশের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে। একইসাথে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত হামলা বন্ধের জন্য এবং চুক্তি মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, সংগঠনটি জানিয়েছে, এই হামলাগুলো যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন ইসরায়েলি নেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয় এবং ফিলিস্তিনিরা এখনও গণহত্যা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। তাদের সুরক্ষার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না।
এদিকে, গত শুক্রবার গাজায় যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে একটি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পিস বোর্ড যৌথভাবে এই ঘোষণা দিয়েছে। পিস বোর্ড জানায়, হামাস একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে ইসরায়েল এখনও কিছু জানায়নি।
আরও পড়ুন: ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ১৮ শতাংশ কমাতে হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন