ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ বন্ধে ইরানকে সরাসরি আহ্বান ট্রাম্পের


ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ বন্ধে ইরানকে সরাসরি আহ্বান ট্রাম্পের

ইসরাইলের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তেহরানের উদ্দেশে বলেছেন, ‘তোমরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছো, এবার তা বন্ধ করো। আলোচনার টেবিলে ফিরে আসো এবং একটি চুক্তি করো।’

রোববার (৭ জুন) রাতে উত্তর ইসরাইলে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এ তথ্য জানান ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানকে আলোচনা টেবিলে ফিরে আসতে হবে এবং একটি চুক্তি করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এটি (ক্ষেপণাস্ত্র হামলা) আলোচনা প্রক্রিয়ায় কোনো সাহায্য করবে না।

ট্রাম্প বলেন, আমরা চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম। তিনি একটি সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের সময়সীমা সম্পর্কে বলেন, আমি বলব, সামনের সপ্তাহের সোমবার, মঙ্গলবার বা বুধবারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

আরও পড়ুন: বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া গাড়ির চালককে উদ্ধার করলেন সাংবাদিক উইল মারে

শনিবার (৬ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে আইএএফ বিমান অভিযান চালায়। এই হামলায় ৪ জন শিশুসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। বৈরুতে আইএএফ হামলা চালানোর পর, ট্রাম্প বলেন, তিনি এতে খুশি হননি।

রোববারের হামলার পর, ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বৈরুতে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হামলার জবাবে তারা উত্তর ইসরাইলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ইরান থেকে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ সম্পর্কে তারা জানিয়েছে, আকাশপথে নিক্ষিপ্ত এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে লেবাননের রাজধানীতে ইসরাইলি হামলার জবাবে পালটা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরানি কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: মায়ের জন্মদিনের উপহার বন্দুক দিয়ে ৪ জনকে হত্যা কিশোরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকে রাজশাহীতে কমেছে বৃষ্টিপাত, ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ এম


পাঁচ দশকে রাজশাহীতে কমেছে বৃষ্টিপাত, ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা

 

গত পাঁচ দশক ধরে রাজশাহীতে বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টিপাত প্রায় ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রা বাড়ছেও।

এছাড়া, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার কারণে দেশের অন্যতম খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সংকট আরো গভীর হচ্ছে। কৃষি, জীবিকা ও দীর্ঘমেয়াদি পানির নিরাপত্তা ক্রমেই বড় হুমকির মুখে পড়ছে, বলছে এক গবেষণা।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ক্লিনার ওয়াটার-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বৃষ্টিপাতের হ্রাস, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক অসহযোগিতার কারণে ২০৩২ সালের মধ্যে রাজশাহী অঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র পানিসংকট অব্যাহত থাকবে। গবেষণাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের একটি দলের দ্বারা পরিচালিত।

গবেষণায় স্যাটেলাইট চিত্র, আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য, ভূগর্ভস্থ পানির উপাত্ত এবং রাজশাহীর ১৩টি উপজেলার ৩৮৫টি পরিবারের ওপর পরিচালিত মাঠ জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৭৮ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে রাজশাহীতে গড় বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাত ছিল এক হাজার ৪০৬ মিলিমিটার। কিন্তু ২০১১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তা কমে গিয়েছে ৯২৫ মিলিমিটারে। অর্থাৎ, কয়েক দশকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ৩৪ শতাংশ কমে গেছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হ্রাস পাচ্ছে।

গবেষকদের মতে, বরেন্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের কমে যাওয়ার প্রবণতা ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত। গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীর শেষভাগে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কয়েক দফা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে। ২০৮৮ সালের মধ্যে তা ৪৭.১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৫ বছরে রাজশাহীর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গড়ে ৩.৭৮ মিটার নিচে নেমে গেছে। ১৯৯০ সালে যেখানে গড় গভীরতা ছিল ১১.৬৬ মিটার, ২০২৪ সালে তা বেড়ে ১৫.৪৪ মিটার হয়ে গেছে।

জরিপে অংশ নেওয়া ৯৫ শতাংশের বেশি মানুষ জানিয়েছে, দৈনন্দিন ব্যবহারের পানি সংগ্রহ ও নিশ্চিত করতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। শতভাগ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ধারাবাহিকভাবে নিচে নেমে যেতে দেখছেন। তবে সংকট বাড়লেও প্রায় ৭৮ শতাংশ মানুষ জানায়, পানির ব্যবস্থাপনা বা সংকট মোকাবেলায় তারা কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পাননি।

গবেষকরা বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে রাজশাহীর পানির নিরাপত্তা আরো ঝুঁকির মুখে পড়বে। তারা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এলাকাভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সাশ্রয়ী সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, কৃত্রিমভাবে ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং খরা-সহনশীল ফসলের চাষ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছেন।

গবেষকদের মতে, পানিনির্ভর ধান চাষের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো এবং কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হলে রাজশাহীর ক্রমবর্ধমান পানিসংকটে কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের পর মুক্তি পাচ্ছে রশ্মিকার ‘ককটেল ২’, কেন শঙ্কায় ছিলেন অভিনেত্রী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ এম


বিয়ের পর মুক্তি পাচ্ছে রশ্মিকার ‘ককটেল ২’, কেন শঙ্কায় ছিলেন অভিনেত্রী?

প্রথম থেকেই শোনা যাচ্ছিল, এই ছবিতে নাকি কৃতি ও রশ্মিকাকে সমকামী যুগল হিসাবে দেখা যাবে। তবে এ ধারণা সত্যি নয়! তাহলে কোন কারণে ভয় পেয়েছিলেন রশ্মিকা?

 

রশ্মিকা এমন্দানার সঙ্গে ছবিতে শাহিদ কপূর ও কৃতি সেননের সাথে দেখা যাবে কি কারণে ভয় পান রশ্মিকা? ছবি: সংগৃহীত।

২০১২ সালে ‘ককটেল’ ছবির মাধ্যমে দর্শক মুগ্ধ হয়েছিল। সইফ আলি খান, দীপিকা পাড়ুকোন এবং ডায়না পেন্টি অভিনীত এই ছবিতে ত্রিকোণ প্রেমের গল্প তুলে ধরা হয়েছিল। এবার সেই পুরনো গল্প নতুন মোড়কে আবার সামনে এসেছে। মুক্তি পেয়েছে ‘ককটেল ২’। রশ্মিকার বিয়ের দিন কয়েকের মধ্যে ছবির প্রচার শুরু হয়। রশ্মিকা নিজেই জানিয়েছেন, এই ছবি নিয়ে তিনি বেশ ভয়ে ছিলেন।

প্রথম থেকেই শোনা যাচ্ছিল, এই ছবিতে কৃতি ও রশ্মিকাকে সমকামী যুগল হিসাবে দেখা যাবে। তবে পরিচালক হোমি জানিয়েছেন, এমন কোনো গল্প নেই। দুই নায়িকার মধ্যে কেবল ভালো বন্ধুত্বই দেখানো হয়েছে। কৃতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, “দুটো ছেলের ভাল বন্ধুত্ব হলে তাকে ‘ব্রোম্যান্স’ বলা হবে। আর দুটো মেয়ের ভাল বন্ধুত্ব যেন হতেই পারে না!” তবে রশ্মিকার ভয় ছিল অবশ্য ভিন্ন। তিনি জানান, এটি তার প্রথম ছবি যেখানে তিনি এত শহুরে মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিদ্রা কমাতে মেনে চলতে পারেন যেসব অভ্যাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ এম


অনিদ্রা কমাতে মেনে চলতে পারেন যেসব অভ্যাস

 

 

সারাদিনের কাজের পর রাতে যে সকলের ঘুম নেই তাদের জীবনে সুখের অভাব। পৃথিবীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ বর্তমানে ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার শিকার। তবে আপনি কি জানেন, কিছু নিয়ম মানলে অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?

অনেকের দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততায় রাতের ঘুম আসতে দেরি হয়। রাত যত বাড়তে থাকে, তত সহজে ঘুম আসে না।

অন্যদিকে যারা রাতে পড়াশোনা করেন বা অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাদের সমাধানও একই। যখন ঘুমানোর সময় হয়, তখন আর জোর করে জেগে থাকতে হয়। আর যদি ঘুমানোর সময় চলে যায়, তখন ঘুম আসা তো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে রাতে দেরি করে ঘুমানোর কারণে সকালে ঘুম ভাঙতেই সমস্যা হয়। ঘুমের এই সমস্যায় অনেকের মনোরম মেজাজও খিটখিটে হয়ে যায়।

এসব সমস্যার সমাধানে কিছু নিয়মিত দিক মেনে চলার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়ম পালন করতে পারলে চোখে শান্তির ঘুম নেমে আসবে।

প্রথমত, ঘুমানোর জন্য একটি ভালো ঘর বেছে নিন। সেই ঘরটি যেন কম আওয়াজ প্রবাহিত করে, বিষয়টি নিশ্চিত করুন। এছাড়া একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর জন্য নির্ধারণ করুন। শুতে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন।

দ্বিতীয়ত, আপনার ডায়েটের তালিকায় সেই খাবারের প্রতি প্রাধান্য দিন যা ঘুমের জন্য উপযোগী। সেজন্য বাদাম, দুধ, আখরোট, মধু, কলা, ডিম এবং মিষ্টি আলুর মতো খাবার রাখতে পারেন। ঘুমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম বা হাঁটাহাটির অভ্যাস গড়ে তুলুন।

তৃতীয়ত, সঠিক সময়ে ঘুম আনতে ঘুমের ৪ ঘণ্টা আগে কফি, সিগারেট ও অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় পরিহার করুন। রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে গ্রহণ করুন।

প্রতিদিন এই তিন অভ্যাস পালন করে আপনি সঠিক সময়ে শান্তির ঘুমের নিশ্চয়তা পেতে পারেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখতে জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ এম


মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখতে জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

 

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে কাজের চাপ এবং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহের কারণে অনেকেই মানসিক ক্লান্তি ও উদ্বেগে ভোগেন। অফিসের দায়িত্ব, পারিবারিক ব্যস্ততা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবিরাম নোটিফিকেশনের ভিড়ে মনকে শান্ত রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে মনোযোগ কমে যায় এবং দৈনন্দিন কাজকর্মও অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং মনে হয়।

তবে মানসিক প্রশান্তি অর্জনের জন্য কঠিন কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে মনকে অনেক বেশি স্থির ও স্বস্তিতে রাখা সম্ভব।

ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন

দিনের শুরুতে মোবাইল ফোন কিংবা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকা একটি কার্যকর অভ্যাস হতে পারে। ঘুম থেকে উঠেই ই-মেইল, সংবাদ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর না দিয়ে কিছুটা সময় নিজের জন্য ব্যয় করলে দিনটি তুলনামূলকভাবে শান্তভাবে শুরু করা যায়। এ সময় হাঁটা, বই পড়া অথবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো উপকারী হতে পারে।

ব্যায়াম বা শরীরচর্চা

মানসিক চাপ কমাতে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধীরে ও গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস শরীরকে শিথিল করে এবং উদ্বেগ কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত এ ধরনের অনুশীলন মনোযোগ এবং মানসিক স্থিতিশীলতা বাড়াতেও সহযোগিতা করতে পারে।

প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটানো

প্রকৃতির সান্নিধ্য মানুষের মনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। পার্কে হাঁটা, খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা কিছু সময় রোদে কাটানো মানসিক চাপ হ্রাসে সহায়ক হতে পারে। গবেষণায়ও প্রকৃতির সঙ্গে সময়ে কাটানোর নানাভাবে উপকারিতার কথা উঠে এসেছে।

ইতিবাচক চিন্তা

এ ছাড়া প্রতিদিন কৃতজ্ঞতার বিষয়গুলো লিখে রাখার অভ্যাস মানসিক সুস্থতা বাড়াতে সাহায্য করে। জীবনের ছোট ছোট আনন্দ, প্রিয়জনের সহায়তা অথবা ভালো কোনো অভিজ্ঞতার কথা মনে করলে ইতিবাচক চিন্তার বিকাশ ঘটে।

পছন্দের কাজ

সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেও মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়। ছবি আঁকা, হস্তশিল্প তৈরি, রঙ করা অথবা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকলে মন ভালো থাকে এবং চাপ কমে। এখানে নিখুঁত ফলাফলের চেয়ে কাজের আনন্দটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

গান বা শান্তিদায়ক সুর

অনেকের কাছে অদ্ভুত মনে হলেও গুনগুন করে গান গাওয়াও মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে। এটি শরীরে এক ধরনের আরামদায়ক অনুভূতি তৈরি করে, যা স্নায়ুতন্ত্রকে প্রশমিত করতে ভূমিকা রাখে।

শরীরের যত্ন নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক চাপের কারণে শরীরের বিভিন্ন পেশিতে টান তৈরি হতে পারে। নিয়মিত হালকা স্ট্রেচিং করলে সেই অস্বস্তি কমে এবং শরীর-মন দুটোই বেশি স্বস্তি অনুভব করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক প্রশান্তি কোনো একদিনের অর্জন নয়; বরং এটি নিয়মিত চর্চার ফল। প্রতিদিন কিছু ইতিবাচক অভ্যাস অনুসরণ করলে ব্যস্ত জীবনেও চাপ কমিয়ে মনকে শান্ত রাখা সম্ভব।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%