ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০


রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০

রাশিয়া ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত থেকে এই হামলা চলছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৯০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ওপর চালানো এই হামলাকে দেশটির ‘সবচেয়ে ভয়াবহ ও ব্যাপক হামলা’ হিসেবে তারা দেখছেন।

আরও পড়ুন: গ্যাস সরবরাহ চারদিন বন্ধ থাকবে এমন সংবাদ বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

তিনি আরও বলেন, আহতদের মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর নিহতদের স্মরণে কিয়েভে শুক্রবার শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।

যদিও অতীতে কিছু হামলায় মৃতের সংখ্যা বেশি ছিল, এবারের হামলায় রাজধানীজুড়ে সর্বাধিক সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক আঘাত হানা হয়েছে।

হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কারণে একাধিক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

অন্যদিকে, মস্কো দাবি করেছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন: হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ানো হবে।’

এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শত্রুপক্ষ আবারও পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে।

কিয়েভ মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মানুষ (যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার শিশু) নিরাপত্তার জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যা।

আরও পড়ুন: ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সব অবৈধ ক্লিনিক চালু হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব কিয়েভের দারনিৎস্কি জেলা। সেখানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৯০ পরীক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


চাঁদপুরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৯০ পরীক্ষার্থী

 জেলায় এবারের এইচএসসি, আলিম, ভোকেশনাল ও বিএম থেকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৫৪৮। প্রথম দিনের পরীক্ষায় বিভিন্ন কারণে অংশগ্রহণ করেনি, অর্থাৎ অনুপস্থিত ছিল ৩৯০ পরীক্ষার্থী। এদিকে, একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শিক্ষা শাখার সহকারী কমিশনার নাঈমা আফরোজের কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

এই দিনে এইচএসসিতে বাংলা প্রথম পত্রের বিষয়ে মোট ৩২ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৭০৬ জন। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১০ হাজার ৪৬৯ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ২৩৭ জন।

আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ক ১১ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ৩৮৮। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ হাজার ২৪৬ জন, অনুপস্থিত ছিল ১২১ জন এবং ১ জন বহিষ্কার হয়েছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের বিষয়ে ৩ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৪২। এদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ১৩৯ জন, এবং অনুপস্থিত ৩ জন।

একই বোর্ডের বিএম পরীক্ষা বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ৬ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৯৭। অংশগ্রহণ করেছে ৭৬৮ জন এবং অনুপস্থিত ২৯ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজারের ব্যাগে মিলল নবজাতকের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


বাজারের ব্যাগে মিলল নবজাতকের মরদেহ

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় রাস্তার পাশে ময়লার স্তুপে পড়ে থাকা একটি বাজারের ব্যাগ থেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি অজ্ঞাত নবজাতকের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর আড়াইটার সময় নোয়াখালী পৌরসভার বিশ্বনাথ সংলগ্ন সড়কের পাশে যে ময়লার স্তুপ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের সময় কয়েকজন পথচারী ময়লার স্তুপে পড়ে থাকা একটি বাজারের ব্যাগটি দেখে সন্দেহপ্রবণ হয়ে সেটি খুলে দেখেন। এসময় ব্যাগের ভেতরে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান তারা। তারপর বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জন্ম দেওয়ার পর নবজাতকটিকে কেউ ফেলে রেখে গেছে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাখাইনে দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কাঁপছে টেকনাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


রাখাইনে দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কাঁপছে টেকনাফ

টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আবারও দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। এপারের সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর থেকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন এলাকায় বলিবাজার ও কুমিরখালীতে সংঘর্ষ চলছে। এর আগে, বুধবার (১ জুলাই) দিন ও রাতে মংডু শহরে বিমান থেকে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, দুপুরের দিকে রাখাইনের বলিবাজার ও কুমিরখালী এলাকা থেকে বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনায় হোয়াইক্যং সীমান্তের বাড়িঘর কেঁপে ওঠে। এ পর্যন্ত অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সিরাজুল মোস্তফা লালু জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল, তখন সীমান্ত এলাকার মানুষ আতঙ্কে দিন কাটিয়েছেন। এখন আবারও নতুন করে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাখাইনে হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হ্নীলা মৌলভীবাজারের বাসিন্দা জেলে রহমত উল্লাহ জানান, সকালে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলাম। দুপুরের দিকে মৌলভীবাজারের ওপারে রাখাইন সীমান্ত থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। আতঙ্কে মাছ ধরা বন্ধ করে দ্রুত ফিরে এসেছি। এর আগে বুধবার রাত ৯টার পর থেকে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে এসেছিল। সেই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে যুদ্ধ বিমানের শব্দও। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি, ফলে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

টেকনাফের সীমান্ত ঘেঁষা সাবরাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, রাত ৯টার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে শাহপরীরদ্বীপসহ আশপাশের এলাকায় শব্দের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। টেকনাফের জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা দিল মোহাম্মদ দিলু বলেন, কয়েকটি বিকট শব্দ টেকনাফ পর্যন্ত স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। নাফ নদীর দিক থেকে মাঝে মাঝে আগুনের ঝলকানিও দেখা যাচ্ছে, যা কিছুক্ষণ পর আবার নিভে যাচ্ছে। এতে স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে আতঙ্ক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ যুদ্ধের কারণে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এলাকার খাইংখালী, পালংখালী, রহমতের বিল, আঞ্জুমান পাড়া ও টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, পৌরসভা, সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় আজ রাত ৯ টা থেকে বোমা ও মর্টার হামলার শব্দে কেঁপে ওঠে উখিয়া-টেকনাফের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের বাড়িঘর।

হ্নীলা মাষ্টার কামাল জানিয়েছেন, আগামী কাল এইচএসসি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতেছে সাড়ে ৯ টায় পর পর ৪টি বিকট শব্দ কেঁপে উঠল বাড়িঘর, পরীক্ষার্থীরা ভয়ে চিৎকার করে কান্না করতেছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাট্যংপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, মিয়ানমারে থেকে অনেক দিন পরে বোমার এমন শব্দ কোনো দিন শুনিনি। মনে হয় বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সব মর্টারশেল পড়ছে। সীমান্তের একদম পাশে আমার বাড়ি। এত বিকট শব্দে আমার বাড়ি যেভাবে কেঁপে ওঠে তা ভাষায় ব্যক্ত করতে পারছি না।

পালংখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মামুন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন মিয়ানমারে যুদ্ধ বন্ধ থাকলেও রাত সাড়ে ৯ টা থেকে আবারও বোমা ও মর্টারশেলের শব্দে আতঙ্কে রয়েছি। শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তে বসবাসকারী সিনিয়র শিক্ষক জাকারিয়া আলফাজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের মতো বিকট শব্দ কাঁপছে ঘরবাড়ি মনে হচ্ছে বাংলাদেশ ভূমিকম্প হয়েছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পরে আবার পর পর বজ্রপাতের মত বিকট শব্দ কাঁপছে হ্নীলার ঘরবাড়ি, তার বাড়িও কাঁপছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বিস্ফোরণের বিকট শব্দ পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে মিয়ানমারের মংডু এলাকার সীমান্তের ওপারে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা যাচ্ছে এবং অনেক স্থানে ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। তবে প্রাথমিকভাবে জেনেছি শাহপরীরদ্বীপ থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি চলছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। বিজিবিও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রহ্মপুত্রের রক্ষা বাঁধে ফের ধস, ঘুম হারাম নদীতীরের বাসিন্দাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


ব্রহ্মপুত্রের রক্ষা বাঁধে ফের ধস, ঘুম হারাম নদীতীরের বাসিন্দাদের

কুড়িগ্রামের চিলমারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে ভাঙন ও বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধসের ঘটনায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকার ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এর সাথে অন্তত ১০টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। একটা কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে ২০১৮ সাল থেকে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে তাদের।

কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা মো. খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনও পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ব।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, 'প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।'

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন যে ২-১ দিনের মধ্যে বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%