০৯:১১ পি.এম
গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে অভিযোগ উঠেছে যে, চার বছর বয়সী এক শিশুকে চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে, হাসপাতালের আনসার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় লিটন মিয়া নামে একজনকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের অষ্টম তলার সার্জারি ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। ওই ওয়ার্ডে শিশুটির নানা চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জানা যায়, দেবআদৃতা দাস নামের শিশুটিকে চকোলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অষ্টম তলার একটি বাথরুমে নিয়ে যান লিটন মিয়া। বিষয়টি জানার পর শিশুটির মা জবারানী দাস হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গিয়ে বিষয়টি জানান।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
অভিযোগ পাওয়ার পর হাসপাতালের আনসার সদস্যরা শিশুটির সন্ধানে অভিযান শুরু করেন। পিসি মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এপিসি মো. উজ্জল হোসেন এবং আনসার সদস্য মো. সুজন মিয়া ও মো. শাকিল হকসহ একটি টহল দল বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর ভোর সাড়ে চারটার দিকে অষ্টম তলার একটি টয়লেট থেকে লিটন মিয়ার কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আনসার সদস্যরা জানান, উদ্ধারের সময় শিশুটি কথা বলতে পারছিল না।
এ সময় লিটন মিয়ার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজা ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক লিটন মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুরের হোতাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন