ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার


৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

সুন্দরবনের নলিয়ানে হরিণের মাংসসহ মেহেদী হাসান (৩০) নামে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, খুলনার দাকোপ থানার নলিয়ান ক্লোজার পাড়া এলাকায় সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ২টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান গোপন একটি সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানের সময় উক্ত এলাকা থেকে প্রায় ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ দাকোপ থানার বাসিন্দা মেহেদী হাসানকে আটক করা হয়। পরে জব্দ করা হরিণের মাংস এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য নলিয়ান ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ১১ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস

তিনি আরও জানান, বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার রোধে কোস্ট গার্ড এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও গাঁজা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও গাঁজা জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে একটি অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি ভারতীয় গাঁজা, একটি অটোরিকশাসহ এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই দিনে আখাউড়ার সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৩৫ বোতল বিদেশি মদও উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২০ জুলাই) রাত ৮টার দিকে সরাইল ব্যাটালিয়নের অধীন আলীনগর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বিজয়নগর উপজেলার চাওড়া এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় চম্পকনগর থেকে সিংগারবিল বাজারগামী একটি অটোরিকশাকে থামানোর সংকেত দিলে একজন পালিয়ে যান। পরে অটোরিকশার সিটের নিচে কসটেপ দিয়ে বিশেষভাবে মোড়ানো অবস্থায় ২০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মো. রাফি (১৯) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া গ্রামের বাসিন্দা। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি হলেন একই এলাকার মো. সজল মিয়া।

আটক রাফিকে উদ্ধার করা গাঁজা ও অটোরিকশাসহ বিজয়নগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামির বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ফকিরমোড়া বিওপির টহলদল আখাউড়া উপজেলার হীরাপুর সীমান্ত এলাকায় একটি পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৩৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সরাইল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও মাদক-চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল, সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল, সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। প্রথমে দল-সংশ্লিষ্ট একটি প্ল্যাটফর্ম ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেও, পরে জামায়াতের স্থানীয় নেতারা ভিডিওতে থাকা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে জানান।

পুরো বিবৃতিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এমপি নারীটিকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন। আর সেখানে যোগাযোগের সময় ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। বিবৃতি অনুসারে বলা হয়েছে, ঘটনাটি মগবাজারের একটি অফিসের, সিসি ফুটেজের নেপথ্যে চাঁদা দাবি ও ‘ব্ল্যাকমেইল’।

বিবৃতিতে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, তার গাড়িচালক চরিত্র হননের জন্য তার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। পাশাপাশি ক্যামেরায় তাদের স্বামী-স্ত্রীর অবস্থানের ভিডিও ফুটেজ মিডিয়াতে প্রচার করে চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। যদিও নির্বাচনী হলফনামা থেকে জানা যায়, তাঁর স্ত্রী একজন।

এমপি আরও বলেন, গত ১৩ই ডিসেম্বর, ২০২৩ আমি আমার প্রথমা ও দ্বিতীয়া স্ত্রী যথাক্রমে মোছা. মাকছুদা বেগম এবং মোছা. মারিয়াম বেগম এবং অত্র মরিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহ গাড়ীচালককে সাথে নিয়ে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে পরিদর্শনের জন্য যাই এবং সেখানে আনুমানিক মোট সোয়া ১ ঘণ্টা অবস্থান করি। যোহরের নামাজের পড়ার পূর্বে গাড়ী-চালক গাড়ি দেখার জন্য বাইরে যায় বেশ কিছু সময় অবস্থান করে। পরে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে এবং পুনরায় চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেয়।

এ সময় ৫/৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে পড়ে আমাদের কৈফিয়ত তলব করে, যে কেন আমরা সেখানে আছি। কিছুক্ষণ পর তারা আমাদের ব্যাগ-পকেট চেক করে নিচে একটি বিকাশের দোকানে নিয়ে যায় এবং এক লাখ টাকা দাবী করে। আমরা তাদের দাবির পরিমাণ অনুযায়ী উক্ত টাকা প্রদান করি এবং তারা আমাদের নিরাপদে ও স্ব-সম্মানে সেখান থেকে প্রস্থান করতে সহায়তা করে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এতক্ষণে আমাদের গাড়ি চালক ওবায়দুল্লাহকে বহুক্ষণ ধরে খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক দশটার দিকে গাড়ী-চালক ওবায়দুল্লাহ্ আমার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে দশ লক্ষ টাকা দাবি করে অন্যথায় মগবাজারের চাঁদাবাজরা গাড়ি দেবে না বলে জানায়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হলো- গাড়ী চালক ওবায়দুল্লাহ সকল চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের নায়ক বলে এতক্ষণে প্রতীয়মান হয়।

এমপি আরও বলেন, গাড়ী চালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাই আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক টানাপোড়ন চলতে থাকে। অতীতের একদা সম্পর্ক ভীষন খারাপ হলেও বর্তমানে কিছুটা বাহ্যিকভাবে উন্নতি দেখা দিলে দ্বন্দের অবসান ঘটেনি। গাড়ী-চালক ওবায়দুল্লাহ ষড়যন্ত্র করে আমাকে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতার গাড়ি জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। জনাব মাছুম বিল্লাহ কৌশলে পরদিন রাত প্রায় ১২টার নাগাদ তার একজন ভাই থানার এস আই আমিনুরকে সাথে নিয়ে এয়ারপোর্ট রোড থেকে গাড়ীটা চালকসহ উদ্ধার করে বাসায় এসে গাড়ী চালক ওবায়দুল্লাহকে মারধর করলে ওবায়দুল্লাহ ক্ষিপ্ত হয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এ সময় তিনি বলেন, ‘তোমার মেয়ের জীবন আমার হাতের মুঠোয় এবং এমপিকে দেখে নেব’ বলে পালিয়ে যায়।

সেহেতু গাড়ী চালক ওবায়দুল্লাহ হিংসা ও স্বার্থের বশীভূত হয়ে অফিসের ধারন করা সিসি ক্যামেরায় আমাদের স্বামী-স্ত্রীর অবস্থান ভিডিও ফুটেজ মিডিয়াতে প্রচার করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালায়। যা সম্পূর্ণ বেআইনী, হিংসাত্মক, চক্রান্তমূলক এবং আমার বা আমাদের চরিত্র হননের সামিল।

বিবৃতিতে তিনি গাড়ীচালক ওবায়দুল্লাহের এমন কাজকে চক্রান্ত দাবি করে বিষয়টির নিন্দা জানানোর পাশাপাশি চরিত্র হননের জন্য তার কঠোর শাস্তি দাবি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে চিকিৎসার কথা বলে স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে (২২) হত্যা করার অভিযোগে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আজ একটি জেলার আদালত।

মঙ্গলবার, চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নেজাম উদ্দিন চট্টগ্রামের পটিয়া থানার পূর্ব জিরি এলাকার নুরুল হক মেম্বারের বাড়ির মৃত কবির আহমেদের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস. এম. কাওসার সাগর বাসস’কে জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় নেজাম উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বামী নেজাম উদ্দীন তাকে পটিয়া থেকে চট্টগ্রামের শহরে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে যাওয়ার পরিবর্তে তারা বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেট সংলগ্ন হোটেল আল-রেজার ৩১৯ নম্বর কক্ষে ওঠেন। পরে ওই কক্ষ থেকেই শাহনাজ বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. আজগর আলী অভিযোগ করেন, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে তিনি চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মো. নেজাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের আগেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারালেন নাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


বিয়ের আগেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারালেন নাবিক

আর মাত্র দুই মাস পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল ২৬ বছর বয়সী ভারতীয় নাবিক অখিল জয়ানের। তিন মাস আগে হয়েছিল বাগদান। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ আর পূরণ হলো না। ইউক্রেনে ওডেসা বন্দরের কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) ওডেসা বন্দরের কাছে গিনি-বিসাউয়ের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় মোট ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। এ ছাড়া আরও এক ভারতীয় নাবিক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নিহত অখিল জয়ান ভারতের কেরালার কাসারগড় জেলার ভেল্লারিকুন্ডুর বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। মাত্র তিন মাস আগে তার বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা আগামী দুই মাসের মধ্যে তার বিয়ের আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শবি জোসেফ জানিয়েছেন, অখিল এক মাস আগে কর্মস্থলে ফিরেছিলেন। তার বাবা একটি বৈদ্যুতিক পণ্যের দোকান চালান, আর মা একজন বিমা এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। সম্প্রতি পরিবারটি নতুন একটি বাড়ি নির্মাণ করেছিল। পরিবারের একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বাবা-মা তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।

অখিলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে তার পরিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিধানসভা সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের পাঠানো একটি ই-মেইলের মাধ্যমে রোগী পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারে।

তথ্য অনুযায়ী, হামলার শিকার জাহাজটি পরিচালনা করছিল মুম্বাইভিত্তিক ওশান গ্রেস শিপিং লিমিটেড।

এই ঘটনার পর কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় অনাবাসী কেরালাবিষয়ক দপ্তরকে রাশিয়ার কনস্যুলেট এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বলা হয়েছে, ইউক্রেনে অবস্থানকারী ভারতীয় মিশন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতা দিতে কাজ করছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ব্যক্ত করা হয়েছে এবং আহত নাবিকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে নিরীহ নাবিকদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা এবং আন্তর্জাতিক নৌচলাচলে বাধা সৃষ্টি করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এমন ঘটনা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

এদিকে রয়টার্সের সূত্রে জানানো হয়েছে, ওডেসা বন্দরে হামলার একদিন পর সোমবারও রাশিয়ার আরেকটি হামলায় আরও তিনজন নিহত এবং অতিরিক্ত তিনজন আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%