বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
তাত্বিক পড়াশোনার সাথে সাথে গ্রামীণ ও নগর জীবনের বাস্তবতায় সমাজকর্মের বাস্তবিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজকর্ম বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পিং কোর্স শেষে পোস্টার প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুনত্ব ফুটিয়ে তুলছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সমাজকর্ম বিভাগের ক্যাম্পিং কোর্সের পোস্টার শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করেন।
জানা যায়, বিভাগটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কোর্স 'সোশ্যাল ওয়ার্ক ক্যাম্পিং'। এই কোর্সের অংশ হিসাবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন কমিউনিটিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে মানুষের জীবনযাত্রা, সমস্যা ও সম্ভাবনার গল্প।
সাধারণত ক্যাম্পিং শেষে শিক্ষার্থীদেরকে দীর্ঘ একটি রিপোর্ট জমা দিতে হয়। তবে এবার সেই পরিচিত ছক থেকে বেরিয়ে এসেছে এক নতুনত্ব। এবারের ক্যাম্পিংয়ে শিক্ষার্থীরা শুধু রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাদের অর্জিত বাস্তবিক ও প্রায়োগিক জ্ঞানকে ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছে একটি দৃষ্টিনন্দন ও উদ্ভাবনী ‘পোস্টার প্রেজেন্টেশন’ বা পোস্টার প্রদর্শনীর মাধ্যমে।
ক্যাম্পিং শেষে নিজ নিজ কমিউনিটির সমস্যা, সম্ভাবনা, কেস স্টাডি এবং নিজেদের অভিজ্ঞতাকে শিক্ষার্থীরা রঙ-বেরঙের পোস্টারের মাধ্যমে সচিত্র ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করেছেন। প্রতিটি পোস্টারের মাধ্যমে সমাজের জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তারা। শিক্ষার্থীদের এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও নতুনত্বে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন বিভাগের শিক্ষকরা।
প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে শিক্ষকরা বলেন, 'সমাজকর্ম মূলত একটি অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন (প্রায়োগিক বিষয়)। এটি শুধু শ্রেণীকক্ষের তাত্বিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ নয়। বাস্তব জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার পদ্ধতি শেখার ক্ষেত্রে এই ফিল্ড ক্যাম্পিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।'
শিক্ষকরা আরও বলেন, 'এবারের প্রতিটি গ্রুপই তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে যেভাবে পোস্টারে রূপ দিয়েছে, তা এক কথায় অসাধারণ। এটি শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা, দলগত কাজের মানসিকতা এবং সৃজনশীলতাকে অনেকখানি বাড়িয়ে দেবে।'
পুঁথিগত বিদ্যার সাথে বাস্তবতার এই মেলবন্ধন আগামী দিনে তাদের দক্ষ সমাজকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিভাগের শিক্ষকরা।
পোস্টার প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, বিভাগের অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস, অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক আমিনা পারভীন, অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস, অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক আবুল কাশেম, প্রভাষক তারিক এম এ কাইয়ুম, ইফতেখার আহমদ এবং ইসরাত জাহান ঝুমি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার, স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাকে সমাহিত করা হবে। এটি শুরু হচ্ছে, ইরাক ও ইরানের বিভিন্ন পবিত্র নগরীতে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় ও শোকানুষ্ঠানের সমাপ্তির পর। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এই নেতার দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে শেষ হতে যাচ্ছে নজিরবিহীন এক শোকের অধ্যায়।
মাশহাদের গভর্নর হাসান হোসেইনি জানিয়েছেন, বিদায়ী এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরানের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও লাখো শোকার্ত জনতা লাল পতাকা হাতে মশহাদের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে, ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় খামেনির কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিল।
ইরাকি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের তথ্যমতে, কেবল নাজাফেই ২৩ লাখের বেশি মানুষ এই শোকমিছিলে অংশ নিয়েছে। ইরাক সীমান্ত থেকে মাশহাদের দূরত্ব প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার হওয়ায় এবং জনগণের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে পূর্বনির্ধারিত সকাল ৬টার অনুষ্ঠান পরে দুপুর ২টায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার বিকেল থেকেই মশহাদের সড়কগুলো আমেরিকা নিপাত যাক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মেট্রো স্টেশন; সব জায়গাই ঢেকে গেছে কালো ব্যানারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরাকের শোকানুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউপির ঐতিহ্যবাহী ভরাসার বাজারের প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো একটি বটগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মেলে যে, প্রায় দেড়শ বছর আগে বটগাছটির চারপাশে ভরাসার বাজার গড়ে উঠেছে। বর্তমানে গাছটির নিচে এবং আশপাশে সরকারি (খাস) এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় প্রায় ৩৬০টি দোকানপাট ও হাটবাজার রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এই বটগাছ কেবল বাজারের সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের অভিযোগ, বাজারের খাস জায়গা দখল করে হোটেল ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তাদের দাবি, ব্যক্তিস্বার্থে অনুমোদন ছাড়াই ষোলনল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়াজী এবং সিরাজুল ইসলাম খোকনদের নেতৃত্বে সরকারি জায়গায় থাকা শতবর্ষী বটগাছটি কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে গাছটির কয়েকটি বড় ডালও কেটে ফেলা হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য মাহবুবুর রহমান পক্কু বলেন, ‘লোকমুখে শুনেছি, গাছটি কাটার পেছনে কিছু স্বার্থ থাকতে পারে। বাজারের সৌন্দর্যের অন্যতম প্রতীক এই বটগাছ। এটি কেটে ফেললে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। গাছটি রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।’
গাছ কাটার আগে ষোলনল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লিখেন, ‘ভরাসার বাজারে পুরনো বটগাছটি মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।’ এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম টিপু বাজার পরিদর্শন করে গাছটি কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বাজার পরিচালনা কমিটির কমান্ডার বাহার মিয়া ও যুগ্ম সম্পাদক রতন জানান, গাছটি অনেক পুরনো। এর ছায়াতেই বাজার গড়ে উঠেছে। তারা জানেন না, কারা মোটা ডালগুলো কেটেছে। তবে পুরো গাছ কেটে ফেললে বাজারের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি ইউনিয়ন সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, ‘এই বট গাছটির কারণে দোকানদাররা আতঙ্কে রয়েছেন। যেকোনো সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আমরা গাছটি কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কয়েকটি ডাল কেটেছি।’
বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বটগাছ কাটার বিষয়ে আমাকে কেউ অবগত করেনি। কী কারণে গাছ কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটিও আমার জানা নেই।’
এই বিষয়ে বুড়িচং ভূমি অফিসের তহশিলদার মো. তারেক বিন ওয়ালী বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয় কিছু লোক গাছটি কাটার সিদ্ধান্ত নেয় এবং কয়েকটি ডাল কেটে ফেলে। ইউএনও স্যারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে।’
বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, ভরাসার বাজারের বটগাছ কাটার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের লোকজন পাঠিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইউরেনিয়াম সরবরাহ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই চুক্তি ভারতের পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচির বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আগামী বছরগুলোতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মোদি।
বিশ্বের মোট ইউরেনিয়াম মজুদের প্রায় ২৮ শতাংশ অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে বৈঠকের পরে মোদি বলেন, ‘আজ আমরা পারমাণবিক জ্বালানি বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছি।’
এ সময় তিনি আরও জানান, ‘এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে ইউরেনিয়াম সরবরাহের পথ উন্মুক্ত হবে। একই সঙ্গে আমাদের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি লক্ষ্যে নতুন গতি আসবে।’
দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই ব্যবস্থার আওতায় শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে দীর্ঘমেয়াদে অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরেনিয়াম রপ্তানি করা হবে।
এতে আরও সংযোজন করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্ধারিত সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় এই রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
আলবানিজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে ইউরেনিয়াম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করবে। এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির বাইরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে।’
ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ সালে পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি করে। ওই চুক্তির মাধ্যমে ইউরেনিয়াম রপ্তানির ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। তবে আইনি জটিলতার কারণে এতদিন দুই দেশের মধ্যে এ বাণিজ্যের ব্যাপকতা ছিল না।
বৃহস্পতিবারো, দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারে মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন আলবানিজ।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি, আপনার নেতৃত্ব এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততাই এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি।’
অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে মোদির নিউজিল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র : এএফপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে বক্তব্য নিয়ে সরকারের মনে কোনো গুরুত্ব নেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সরকার মনে করে, দণ্ডিত একজন আসামির রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব পড়ে না। বাংলাদেশ ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব বিষয় উল্লেখ করেন।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় ভারত। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়। সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার প্রত্যয়ের কথা বলেছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং উল্লেখ করেন যে, দণ্ডিত একজন আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনোভাবেই প্রভাব ফেলে না। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। সরকার এই বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতায় কোনো ঘাটতি রাখে না।
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের মন্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ চলছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারত এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে এবং একটি প্রগতিশীল অগ্রগতি সাধিত হবে।
মন্ত্রণালয়ে রদবদল স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার আলোকে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি একটি চলমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রয়োজন, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যোগ্যতা ও দেশের প্রতি ভালোবাসাই সবার চেয়ে প্রধান বিবেচ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ