বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:০৮ এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় শুধুমাত্র দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় প্রদেশগুলো নয়, পূর্বাঞ্চলে পবিত্র শহর মাশহাদের দিকে যাওয়া সড়কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
আইআরজিসির অভিযোগ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে মাশহাদের পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করে খামেনির দাফন ও রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রা অনুষ্ঠানের ওপর প্রভাব ফেলতে চেয়েছে। এ বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
খামেনির শোকযাত্রার সময় গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরানে বড় আকারের হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, চার ঘণ্টার অভিযানে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছিল।
একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা দেন। মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। আইআরজিসি একটি বিবৃতিতে জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আবারও বিমান হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান এবং সামরিক লজিস্টিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, মার্কিন বাহিনী গোলেস্তান প্রদেশের আককালা শহরের বাইরে অবস্থিত আক তেকেহ খান সেতুতে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় সেতুর আশপাশের একটি রেলপথে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে (আইআরআইবি) প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার বিরুদ্ধে তাদের 'শাস্তিমূলক জবাবের' প্রথম ধাপ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। এই হামলাটি আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনীর যৌথ অভিযানের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঐতিহাসিক দাফন অনুষ্ঠানকে বাঁধাগ্রস্ত করা এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। খামেনিকে আজ বৃহস্পতিবার ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে সেখানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটেছে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ওপর হামলা চালায়, তাহলে তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান আরও বিস্তৃত হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্যান্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে ইরানের জবাব আরও কঠোর ও ব্যাপক হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় স্ত্রীর সঙ্গে সন্তান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে হামলার শিকার হয়েছেন আরমান (৪০) যিনি একজন জাপান প্রবাসী। ডাকাতদল অস্ত্র ব্যবহার করে মারধর করে ভুক্তভোগী পরিবারের নিকট থেকে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, আইফোনসহ মূল্যবান দ্রব্য লুট করে নিয়ে গেছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকারও বেশি বলে জানা যাচ্ছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা টোলপ্লাজা সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী আরমান ফেনী জেলার আব্দুস সোবহানের ছেলে এবং প্রবাসী তিনি। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আরমান তার স্ত্রী ও সন্তানসহ জাপান যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফেনী থেকে একটি মাইক্রোবাসে ঢাকার দিকে রওনা দেন।
যাত্রা করার সময় তারা মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় পৌঁছালে, অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি, ছুরি, লোহার রড) নিয়ে গাড়ির গতিরোধ করে। গাড়িটি থামানোর সাথে সাথে ডাকাতরা আরমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর শুরু করে। এরপর, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে ১৫ ভরি স্বর্ণের গহনা, একটি আইফোন-১৬ প্রো ম্যাক্সসহ তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এই বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানিয়েছেন, ঘটনাটি মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় ঘটলেও মূল মহাসড়কে ঘটেনি; এটি ঘটেছে মহাসড়কের পাশের নিচের একটি সংযোগ সড়কে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার ফুসফুস, নাগরিক জীবনের অক্সিজেন হিসেবে পরিচিত হাতিরঝিল দিন দিন যেন লাশের ডাম্পিং স্টেশন হয়ে উঠতে চলেছে। চলতি বছরের ৮ জুলাই পর্যন্ত মনোরম এই বিনোদন কেন্দ্রে মোট ৫ মরদেহ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর হাতিরঝিল এবং নান্দনিকতার মাঝে রয়েছে কলো দাগও। প্রায় প্রতিটি মাসেই সেখানে মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে। অপরাধীরা খুন করার পর লাশ ঝিলে ফেলে দেয়।
অন্তত বুধবার (৮ জুলাই) একটি মরদেহ ভেসে ওঠে। সেখানে ভিড় জমে যায় মানুষের। খবর পেয়ে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম আজিম উদ্দিন (৬৫)।
সিআইডির ফরেনসিক টিম তার ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করেছে। তার বাবার নাম কফিল উদ্দিন। তিনি পশ্চিম রামপুরা উলন রোড, শিমুলবাগ এলাকায় বসবাস করতেন।
মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম অভি জানিয়েছেন, সকালে ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে লেকের পানি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বছর হাতিরঝিল থেকে অন্তত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা এড. এম এম মুজিবর রহমানের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। গতকাল বুধবার খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুর জামান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে তিনি ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।
এম এম মুজিবর রহমান খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি।
সোনাডাঙ্গা থানার জিআরও গোপাল সাহা বাসস’কে বলেন, ‘এম এম মুজিবর রহমান সোনাডাঙ্গা থানার একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি ছিলেন। তিনি গত ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। গতকাল বুধবার তিনি খুলনার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন বিচারক। আদালত তাঁকে কারাগারে নেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
উল্লেখযোগ্য, যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন খুলনায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সংগঠিত করে সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমানসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সব সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলকভাবে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পদ্ধতির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকী।
তিনি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী ও পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত "ই-জিপি পদ্ধতির উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি" শীর্ষক দুটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশ সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
ফলে, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার দক্ষতা ও সুশাসনের ওপর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল।
তাই ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, প্রতিযোগিতা এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ই-জিপির কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, "আমরা দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন করতে চাই। এজন্য ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, নিরাপদ, ব্যবহারকারীবান্ধব এবং অংশীজনদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে।"
জোনায়েদ সাকী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রয় সম্পন্ন করা নয়; বরং এমন একটি আধুনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে অনিয়মের সুযোগ কমবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময় ও ব্যয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এ লক্ষ্যে ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
দিনের প্রথম কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এবং দ্বিতীয় কর্মশালা শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বিপিপিএ আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রধান, প্রকল্প পরিচালক, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, আইসিটি খাতের ব্যবসায়ী সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীজন অংশ নেন।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজুন নূর চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিপিএ-এর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম এবং জাতীয় ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়নের রোডম্যাপ তুলে ধরেন সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. মোশাররফ হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ই-জিপি ব্যবস্থার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করা হবে। এ জন্য ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি উন্নত প্রকল্প পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা দূর করা গেলে সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মানও বাড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ