ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা দিতে রাজি হননি শিক্ষার্থী, অতঃপর মারধরের অভিযোগ


ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা দিতে রাজি হননি শিক্ষার্থী, অতঃপর মারধরের অভিযোগ

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও জিআই পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে, যা বাসা ছাড়াকে কেন্দ্র করে ভাড়া নিয়ে বিরোধের ফলস্বরূপ ঘটেছে। আহত শিক্ষার্থী জুনাইদ খান নাইব, যিনি রুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ইতিমধ্যে মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে সমাধানের জন্য।

এটি সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজশাহী নগরীর কাজলা এলাকার আলমের মোড়ে ঘটেছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, জুনাইদ ওই এলাকায় একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে বাসা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কথা বলার সময় বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়ার টাকা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রথমে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়।

পরে ৫ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে বাড়িওয়ালা জুনাইদকে আটকে রেখে বাড়তি টাকা দাবি করেন। জুনাইদ প্রতিবাদ করলে বাড়িওয়ালাসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি জিআই পাইপ দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়, যার ফলে তার মাথা ফেটে যায়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে জুনাইদকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার পর জুনাইদের পরিবার ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছে এবং বাড়িওয়ালাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।

এ ঘটনায় জুনাইদের মাতা মোসা. বদরুন নেসা বাদী হয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) আওতাধীন মতিহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জিডিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা বাড়িওয়ালাসহ অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ৪-৫ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জিডিতে ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ইবরাহিম ও চঞ্চল নামের দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং নগরীর অনেকেই বিষয়টি জানেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তবে ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জিডিতে করা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে আইনগত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য কমাতে স্যাটেলাইট টিভি চালুর পরিকল্পনা ইউজিসির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিরাঝিল হোটেলকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


হিরাঝিল হোটেলকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানীর মতিঝিলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সনদ ও প্রমাণক প্রদর্শনে ব্যর্থতার কারণে হিরাঝিল হোটেলকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

আজ বুধবার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এই জরিমানা কার্যকর করা হয়।

অভিযানের সময় হোটেলটির রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার অবস্থায় পাওয়া যায়। রান্নাঘরের মেঝে ছিল নোংরা ও স্যাঁতসেঁতে। এছাড়া, ঢাকনাবিহীন অবস্থায় ময়লাপূর্ণ পাত্রও পাওয়া যায়।

মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তাদের মতে, হোটেলটিতে কোনো ধরনের লেবেল ছাড়া ঘি সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।

এছাড়া, হোটেল কর্তৃপক্ষ পানি পরীক্ষার সনদ ও পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণক প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়।

এসব অপরাধ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী হোটেলটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।

অভিযানে নিরাপদ খাদ্য অফিসার, ঢাকা মেট্রোপলিটন মেহরিন যারীন তাসনিম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূইয়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল অংশগ্রহণ করে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারা অ্যাথলেটদের সফলতায় সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


প্যারা অ্যাথলেটদের সফলতায় সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০২৬ : খেলোয়াড়দের মাঠে লড়াই করার জন্য আরও বেশি দায়বদ্ধতা, একাগ্রতা ও সুদৃঢ় দেশপ্রেম নিয়ে দেশের জন্য সম্মান ও সফলতা বয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের সামাজিক সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বগুড়ায় "আরাফাত রহমান প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ" দ্রুত নির্মাণের আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

আজ বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মিলনায়তনে এশিয়ান গেমসগামী প্যারা অ্যাথলেটদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুল আলম এবং ন্যাশনাল প্যারা অলিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের মানুষ ক্রীড়াজগতকে গভীরভাবে ভালোবাসে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রীড়াবিদদের কাছ থেকে সফলতা আশা করে।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্বের বড় বড় ক্রীড়া আসরগুলোতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং সাফল্য ছিনিয়ে আনা আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।" অতীতে কাঙ্খিত সাফল্য না এলেও বর্তমান সরকার একদম 'জিরো' থেকে নতুন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আগামী সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় পরিবর্তন আনা হবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের অবদান স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্যারা ইউথ গেমসে চৈতি রানীর মতো অ্যাথলেটদের স্বর্ণপদক জয় আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।" আসন্ন প্যারা এশিয়ান গেমসেও তাদের কাছ থেকে আরও বেশি সাফল্য ও স্বর্ণপদক প্রত্যাশা করে দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, "প্যারা অ্যাথলেটদের এই বিজয় দেশের হাজারো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষকে খেলাধুলায় আসতে এবং নতুন করে স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করবে।" বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের পেছনে তাদের পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সমাজকে তাদের প্রতি অবহেলা না করে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ক্রীড়াবিদদের সার্বিক কল্যাণে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, খেলোয়াড়দের সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ 'ক্রীড়া কার্ড' প্রবর্তনসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ সুবিধা দিতে বগুড়াতে "আরাফাত রহমান প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ" নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে এবং দ্রুততম সময়ে সরকারি সব প্রক্রিয়া ও ডিপিপি অনুমোদন শেষ করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

সম্প্রতি সমাপ্ত এশিয়ান গেমসের ২২টি ইভেন্টে কাঙ্খিত সাফল্য না পাওয়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ব্যর্থতার কারণ চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের 'মূল্যায়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছে।" তিনি জানান, ভুলের বিচার-বিশ্লেষণ ও সংশোধন করে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের দক্ষতা বাড়াতে আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব ক্রীড়াবিদের জন্য বছরব্যাপী নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করা হবে।

ক্রীড়াবিদদের পেশাগত স্বীকৃতি এবং ভাতা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে দেন যে, সরকারের সুবিধা নেওয়ার পর দেশের প্রতি সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, "ফেডারেশন থেকে শুরু করে অ্যাথলেট সবাইকেই এই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।" যেকোনো খেলায় কাঙ্খিত ফল পেতে হলে শুরুতেই একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য স্থির করা, কাজের প্রতি পূর্ণ একাগ্রতা রাখা এবং নিজের সর্বোচ্চ পরিশ্রম দিয়ে চেষ্টা করার ওপর জোর দেন তিনি। সততা ও কঠোর পরিশ্রমের পর বাকি সফলতার জন্য সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু, অনুমোদনের খবরে মিষ্টি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


পঞ্চগড়ে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু, অনুমোদনের খবরে মিষ্টি বিতরণ

পঞ্চগড়, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : করতোয়া নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর পেয়ে নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দারা আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করেছেন। সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় এই সেতুর নির্মাণের বিষয়টি জানার পর স্থানীয়রা আজ বুধবার বিকেলে মিষ্টি বিতরণ করেন।

বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেতুটি তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর থেকে সদর উপজেলার মীরগড় সড়কের মীরগড় এলাকায় নির্মিত হবে। সেতুর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারিত হয়েছে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত।

নতুন সেতু নির্মাণ হলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমে যাবে। কৃষিপণ্য পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্তমানে করতোয়া নদীর ওপর কাঠের সেতু দিয়ে দুই পাড়ের মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। সেতুটি ব্যবহার করতে গিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। প্রতিদিন পারাপার হতে ১০ টাকা করে দিতে হয়। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে এবং অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা ও জেলা সদরে নিতে সমস্যায় পড়েন। নতুন সেতু নির্মাণ হলে এসব ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে।

সেতু নির্মাণের খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে মীরগড় এলাকায় স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে মিষ্টি বিতরণ করেন। এ সময় দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা জয় বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে কাঠের সেতু দিয়ে আমাদের চলাচল করতে হচ্ছে। বর্ষাকালে ও ভারী যানবাহন চলাচলের সময় বেশি সমস্যা হয়। নতুন সেতু নির্মাণের খবর আমাদের জন্য খুবই আনন্দের। সেতুটি হলে যাতায়াতের কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে।"

আসিম উদ্দিন বলেন, "এই সেতু হলে কৃষিপণ্য সহজে বাজারে নেওয়া যাবে। পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য পঞ্চগড় শহরে যাতায়াতও সহজ হবে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাওয়ায় আমরা আনন্দিত।"

পঞ্চগড় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোতাহার আলী বাসসকে জানান, মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে করতোয়া নদী পারাপারে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে। একই সঙ্গে এ সড়কে যানবাহন চলাচল ও পণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মচারীদের প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


বেরোবিতে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মচারীদের প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কর্মরত কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন থেকে বঞ্চিত থাকার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করেছেন। তারা বৈষম্য, প্রহসন এবং হয়রানির বিরুদ্ধে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেটে অবস্থান করে কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেন। অবস্থানকারীরা জানিয়েছেন, পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন না দেওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সেমিনার সহকারী মো. মাহফুজার রহমান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। কেউ ১০ বছর, কেউ সাত বছর ধরে পদোন্নতি পাননি। আমাদের নীতিমালা অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর আপগ্রেডেশন দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রশাসনকে বারবার জানানোর পরও আমাদের আপগ্রেডেশন বোর্ডের আয়োজন করা হয়নি। এ জন্য আমরা উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছি। আমরা প্রথমে দুই ঘণ্টা করে অবস্থান করব। এরপর দাবি আদায় না হলে আমরা সবাই অনশনে যাব।”

গণিত বিভাগের সেমিনার সহকারী কাকলী বেগম জানান, তারা খুব অল্প টাকা বেতন পান। এই অল্প টাকায় পরিবার চালানো খুব কষ্টকর। এর ফলে বেশিরভাগ কর্মচারী ঋণে জর্জরিত। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক কর্মচারী মারা গেছেন।

দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সেমিনার সহকারী মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, যেখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কম বেতনভোগী এবং আমাদের সময়মতো আপগ্রেডেশন বা পদোন্নতি হলে আর্থিকভাবে কিছুটা উপকৃত হতাম। অথচ গত ১০ বছর ধরে কোনো আপগ্রেডেশন পাচ্ছি না। এতে করে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে আপগ্রেডেশন বা পদোন্নতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, ইউজিসি থেকে সংবিধি করতে বলা হয়েছে। সেটির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি নীতিমালা প্রণয়ন করে ইউজিসিতে পাঠাবে। সেটি পাস হলে কর্মচারীরা পদোন্নতি পাবেন।

উল্লেখ্য, পদোন্নতি-বঞ্চিত কর্মচারীদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হুমায়ুন কবির সাগর, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রাফি আক্তার, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সেমিনার অ্যাটেনডেন্ট মোসা. ফারজানা বেগমসহ আরও অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%