ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হবে: জামায়াত


হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হবে: জামায়াত

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নগরীর ওয়াসা মোড়ে জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।

মুহাম্মদ শাহজাহান প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ২০০৬ সালের অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার ফলেই ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটেছিল। তিনি বলেন, সেদিনের নির্মমতার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে, তবে তার মতে, ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের হত্যা করে দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করাই ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

তিনি আরও বলেন, সেদিন বিকেল ৩টায় চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী লীগ গুলি চালিয়েছিল। ইসলামী আন্দোলনের জনশক্তিরা মানবঢাল তৈরি করায় নেতৃবৃন্দের কোনো ক্ষতি হয়নি। তিনি আশাবাদী যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবঢাল থাকলে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

মুহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সুফল এখনও পাওয়া যায়নি। তিনি সতর্ক করেন যে, যদি এই সরকার আইনের শাসনের প্রতি গুরুত্ব না দেয় এবং বিচারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা না করে, তাহলে সরকারের পরিণতি হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি তার ভূমিকা পরিষ্কার করার আহ্বান জানান এবং চাটুকারদের দ্বারা নিজের ক্ষতি না করার পরামর্শ দেন।

জুলাই চেতনার বাস্তবায়নে আমীরে জামায়াতের আপসহীন নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বীর চট্টগ্রামকে আবারও বীরোচিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির অগ্রযাত্রা রোধ করা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রগতির যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করতেই ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১/১১-এর সরকারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের কবলে পড়ে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও জনগণের প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের মামলা পুনরুজ্জীবিত করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনের অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে। সরকারকে আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থেকে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশপন্থী রাজনীতিকে শক্তিশালী করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায় সরকার, জনগণ ও দেশ অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুছ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়রপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শফিউল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, নগর অফিস সম্পাদক হামেদ হাসান ইলাহী, নগর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ফারুকে আজম, ফখরে জাহান সিরাজী, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুরসহ মহানগর ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারহাট্টায় মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


বারহাট্টায় মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নেত্রকোনার বারহাট্টায় একটি মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির মুহতামিম (প্রধান শিক্ষক) মাওলানা কবির আহমেদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বোয়ালজানা গ্রামের আতহারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী আটপাড়া উপজেলার একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। সম্প্রতি সে বাড়িতে বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে বোরকা পরা অবস্থায় সে বোয়ালজানা গ্রামের ওই মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। এ সময় মাদ্রাসার পুকুরপাড়ে থাকা কয়েকজন যুবকের সন্দেহ হলে তাঁরা শ্রেণিকক্ষের দিকে যান।

ওই যুবকদের দাবি, কিছুক্ষণ পর তাঁরা মাদ্রাসার মুহতামিম ও কিশোরীকে আলাদা দুটি দিক দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যেতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শ্রেণিকক্ষে গিয়ে একটি কনডম পড়ে থাকতে দেখেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়।

এদিকে ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইদুল ইসলাম ঘটনার বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে তাঁর দাবি, ওই কিশোরী নিজ ইচ্ছায় মাদ্রাসায় এসে এ ঘটনায় জড়িয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মাদ্রাসার সভাপতি সাইদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত মুহতামিমের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিতে বুধবার জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ঘটনার আইনানুগ বিচার হওয়া উচিত বলেও তিনি মত দেন।

সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ বিষয়ে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং স্থানীয়দের বক্তব্য ও প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ভুক্তভোগীর সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকেও থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

ওসি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারসহ সংশ্লিষ্টদের আইনগত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। এখন ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে নদীগুলো হবে প্রাণবন্ত : রুহুল কবির রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে নদীগুলো হবে প্রাণবন্ত : রুহুল কবির রিজভী

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা ও তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদীতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে নদীগুলো আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি উল্লেখ করেন, ফারাক্কা থেকে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ার কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি। এর জন্য বর্ষার পানি সংরক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জোরালো আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জাতীয় পানি সম্পদ সুরক্ষায় পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করা গেলে পদ্মার শাখা-উপশাখাসহ অন্যান্য নদীতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। এতে কৃষি সুরক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

তিনি যোগ করেন, শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা ও তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমেও নদীগুলোর বিভিন্ন অংশে পানির স্বল্পতা দেখা যাচ্ছে। তিস্তা ও যমুনা নদীর উপর সেতু দিয়ে যাতায়াতের সময় নদীর মধ্যে চর দেখা যায়।

রিজভী বলেন, পদ্মার শাখা-উপনদীগুলোতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহিত না হওয়ায় সমুদ্র থেকে আসা লবণাক্ত পানিকে ঠেলে সমুদ্রের দিকে পাঠানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে লবণাক্ততা বাড়ছে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফারাক্কার প্রভাবে সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও প্রাণীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলে গত ২০ থেকে ২৫ বছরে বৃষ্টিপাত ৩০ শতাংশ কমেছে। ফারাক্কা ব্যারাজের প্রভাব এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ।

ফারাক্কা চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে পানির হিস্যা নিশ্চিত করার জন্য গ্যারান্টি ক্লজ ছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে তা বাদ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আরও জোরালো অবস্থান নিতে হবে। এজন্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমন্বিত আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ভারতের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধ রয়েছে। কৃষ্ণা ও কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, পানির হিস্যার প্রশ্নে কোনো পক্ষই সহজে ছাড় দিতে চায় না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে দৃঢ় অবস্থান প্রয়োজন।

নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পরিবেশগত প্রভাব তুলে ধরে রিজভী বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে আর্সেনিকের সমস্যা এবং পরিবেশের বিভিন্ন পরিবর্তন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে হস্তক্ষেপের ফলে পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি বলেন, বিশিষ্ট পানিবিজ্ঞানী বি. এম. আব্বাস তার ‘গঙ্গেস ওয়াটার ডিসপিউট’ বইয়ে ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। ব্রিটিশ আমলের প্রকৌশলী কপিল ভট্টাচার্য পদ্মার ওপর বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পরিবর্তনের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।

রিজভী বলেন, পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজের মাধ্যমে জলাধার নির্মাণ করে বর্ষার পানি সংরক্ষণ এবং শাখা-উপনদীগুলোতে পানির প্রবাহ বজায় রাখা গেলে নদীগুলো আবার সচল হবে। এতে কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগের উন্নয়ন সম্ভব হবে। নদীকেন্দ্রিক বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাম্পান ও পানসি নৌকার চলাচলও আবার দেখা যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে কাজে লাগানো গেলে নদীর প্রবাহ বজায় রাখা এবং কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় সহায়তা পাওয়া যাবে।

গোলটেবিল বৈঠকের বিশেষ অতিথি আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ অঞ্চল দেশের অন্যতম শস্যভাণ্ডার। একসময় এসব এলাকায় সব ধরনের ফসল উৎপাদিত হতো। কিন্তু বর্তমানে পানির সংকট ও নদীর পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে অঞ্চলটির মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তিস্তাকে ঘিরে প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটি, তিস্তা নদী সুরক্ষা আন্দোলন এবং বাংলাদেশি প্রফেশনালস যৌথভাবে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সুলতানা আহমেদ ও সেলিম রেজা হাবিব।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মো. আনোয়ার কাদির এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মেহেদী হাসান পলাশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দুয়ায় জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ আটক ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া,নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


কেন্দুয়ায় জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ আটক ৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার গন্ডা বাজারের একটি দোকানঘরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় জুয়া খেলার তাস ও নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য হাফিজুর রহমান ওরফে খোকন (৬০) ও আলী ওসমান (৪২)। তাঁদের আটকের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাদক উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযানে বের হয় কেন্দুয়া থানা পুলিশের একটি দল। উপপরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে দলটি বুধবার ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে সাহিদপুর বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় গন্ডা বাজারে মোস্তফা নামের এক ব্যক্তির দোকানঘরে টাকার বিনিময়ে তাস দিয়ে জুয়া খেলার খবর পায় পুলিশ।

পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ভোর সোয়া ৪টার দিকে ওই দোকানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলেও ছয়জনকে আটক করা হয়।

আটক অন্য চারজন হলেন গন্ডা চর গ্রামের খুররম মিয়া (৫০), মনকান্দা গ্রামের চান্দু মিয়া (৪৫), বীরমহুরী গ্রামের সোহাগ (৪৫) ও মরিচপুর গ্রামের মজিবুর রহমান (৬০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান খোকন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং আলী ওসমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আটক সোহাগ উপজেলা বিএনপি ও খুররম মিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযানের সময় দোকানঘরের একটি টেবিল থেকে ১০৪টি তাস ও নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে তাস দিয়ে জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেছেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর ৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে। বুধবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম কল্যাণ এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাদক ও জুয়া নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমার জানামতে, ইউপি সদস্যদের এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা নয়। তবে তাঁরা যেহেতু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন, তাই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

(প্রকাশের আগে যাচাই করুন: ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর নাম, কার্যকারিতা ও ৪ ধারার প্রযোজ্যতা এবং আটক ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা, ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা, ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা ১১টায় মহাখালীতে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট) আরিফ আহমদকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব (প্রশাসন-১ শাখা) ইমতিয়াজ হোসেনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

মারধরের ঘটনার পর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে ড্যাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহিদ হাসানের প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কাজী আহমেদ জাকি তার কার্যালয়ে কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করছেন, এমন সময় ৮-৯ জন ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করেন। এরপর তারা তাকে চেয়ার থেকে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে মারধর শুরু করেন এবং ধাক্কা দিতে দিতে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘরে থাকা অন্য ব্যক্তিরা আগন্তুকদের বাধা দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন। পরে অধ্যাপক জাকি আবার গিয়ে তার চেয়ারে বসেন।

আইইডিসিআর পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, "সরকারি প্রতিষ্ঠানে কিছু দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়েছে। আমি এখন কোনো মন্তব্য করতে চাই না, মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছি।"

সংস্থাটির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সকালে পরিচালক নিজ কক্ষে কাজ করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে ড্যাবের কয়েকজন এসে পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপরই তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে ড্যাবের মহাসচিব জহিরুল ইসলাম শাকিল সাংবাদিকদের বলেন, "ঘটনায় জড়িত দুই পক্ষই আমাদের লোক। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি এবং এ ধরনের কোনো আচরণ সমর্থন করি না। যদি কেউ ড্যাবের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করে, তবে আমরা কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।" তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, ঘটনার নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তি ড্যাবের সদস্য বলে তারা তথ্য পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ বলেন, "অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগী দুজনই আমাদের সংগঠনের সদস্য। তবে অভিযুক্ত ছেলেটি আইইডিসিআরের একটি প্রজেক্টে কাজ করত, সম্প্রতি তার চাকরি চলে গেছে। এটা নাকি অন্য কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় রয়েছে, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।" তিনি আরও বলেন, "তবে এ সরকারের সময় কাজী আহমেদ কী করে আগের সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিজের অফিসে বৈঠক করেন, তা-ও দেখার বিষয়।"

ড্যাব মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার সকালে আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে অপ্রীতিকর ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের ভিত্তিতে ডা. জাহিদের প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। তাঁকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ড্যাব সভাপতি ও মহাসচিব বরাবর উপযুক্ত জবাব দিতে বলা হয়েছে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

উল্লেখ্য, আইইডিসিআর একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থা, যা রোগের প্রাদুর্ভাব পর্যবেক্ষণ, গবেষণা পরিচালনা এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সতর্কতা জারির দায়িত্ব পালন করে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর আইইডিসিআরের পরিচালক পদে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে নিয়োগ দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিনি হামের টিকার কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%