১১:২৬ পি.এম
সার্ককে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি করেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখতে পারে এমন পারস্পরিক স্বার্থ ও বাস্তব সহযোগিতার মাধ্যমে একটি গতিশীল, কার্যকর এবং জনকেন্দ্রিক সার্ক গঠনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। রবিবার, ২৩ আগস্ট, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই কথা বলেন।
মহাসচিব তাঁর বক্তব্যে সার্ক প্রক্রিয়া ও আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং সরকারের অবিচল অঙ্গীকারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি এবং যৌথ উন্নয়ন প্রসারের জন্য সার্কের চিরস্থায়ী গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
মহাসচিব গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে বাংলাদেশের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তাঁর নেতৃত্ব এবং দূরদর্শিতার ফলেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মহাসচিব বাংলাদেশে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এই সংস্থার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন, দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা এবং জনগণের স্বার্থ পূরণের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি সার্ক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা, সংলাপ এবং বাস্তব সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার চেতনাকে সজীব রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী একটি আরও গতিশীল, কার্যকর এবং জনকেন্দ্রিক সার্কের রূপকল্প উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন যে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ও সমৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখতে পারে।
তিনি মহাসচিবের প্রশংসা করেন সার্কের কার্যক্রম বজায় রাখা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার জন্য। প্রধানমন্ত্রী ধারাবাহিক কর্মসূচি এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে মহাসচিবের নিষ্ঠার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
মহাসচিব সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক মান সংস্থার আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের অবদানের কথাও স্বীকার করেন। তিনি জানান, সার্ক ও এর বিশেষায়িত সংস্থা ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর প্রতি দেশটির দীর্ঘদিনের সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় সার্কের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব, জনকেন্দ্রিক ও ফলপ্রসূ সহযোগিতায় রূপান্তরের গুরুত্বের ওপরও আলোচনা করা হয়। এটি স্পষ্ট যে, অর্থনৈতিক একীকরণ, সংযোগ, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলোতে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
মহাসচিব সার্কের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সার্কের উদ্দেশ্যসমূহকে এগিয়ে নিতে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন