মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ
০৭:৩৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের ওপর হামলা (অ্যাসল্ট) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হত্যার হুমকির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স, তার মা, বাবা, বন্ধুসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে, তার বোনের বয়স কম হওয়ায় আদালত তাকে সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স, তার মা শামী আক্তার পলি (৩৮), বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী (৪৫), প্রিন্সের বন্ধু ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের কাওছার আহমদ সোহাগ (২১), দিরাই উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের ইফাত আলম রাবিদ (২১), ধর্মপাশা উপজেলার সাদিপুর গ্রামের শাহরিয়ার সাদি (১৯) এবং সিলেটের ভাদেরশ্বর গ্রামের তাকরিব রহমান তানহির (২০)।
পুলিশ জানায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতে সিলেট মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে প্রিন্সের ছোট বোন ছাড়া ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স এবং তার মা-বাবাসহ ৭ জনকে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিন তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সুনামগঞ্জ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক অজয় চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছিল। আদালতের বিচারক তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বিকেলে তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, প্রিন্সের বোনের বয়স কম থাকায় তাকে শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশু আদালতের বিচারক মাসুদুর রহমান স্কুল ছাত্রীর জামিন না মঞ্জুর করে সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রিন্সের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ছায়াদুর রহমান তালুকদার।
পুলিশ জানিয়েছে, ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে সদর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজতে অসুস্থ হলে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় তার মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মব সৃষ্টি করে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেন, আঘাত করেন এবং আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। এরপর ওই রাতেই তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু তার পরিবার এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। শনিবার মধ্যরাতে তাদেরকে গ্রেপ্তারের পর আজ দুপুরে সবাইকে আদালতে তোলা হয়।
পুলিশের মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গত ৩০ অক্টোবর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ পরপর খিঁচুনির ভান করতে থাকে। এ সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগের কতিপয় নেতাকর্মী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রুমের ভেতরে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করে। প্রিন্সের বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী ও মা, বোন, প্রিন্স মারা গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর মারমুখী আচরণ করতে থাকে। পরে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রিন্সকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। প্রিন্সের বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী তার ছেলে দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স পুলিশি নির্যাতনে মারা গেছেন বলে কান্নাকাটি, চিৎকার ও কান্না-কাটি করতে থাকেন এবং পুলিশের ওপর মব সৃষ্টি করে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে পুলিশ হেফাজত থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এরপর প্রিন্সের ছোট ভাই ফাহিম রাজা চৌধুরীসহ অন্যান্য আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে সদর মডেল থানার ওসিসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে ক্ষতিসাধনের এবং হত্যার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রিন্সসহ সবাইকে পুলিশ সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে থানায় গিয়ে এক নারী থানার ভেতরেই পুলিশ সদস্যের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সেরাইকেলা-খারসাওয়ান জেলায় ঘটনার পর অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই থানার ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর রাতে ওই নারী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান। সেখানে পুলিশ কনস্টেবলের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গামহারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর শারীরিক নির্যাতনের ভয়ে তিনি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নিজের মোবাইল ফোন থেকে থানায় যোগাযোগ করেন।
পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল যান ওই রাতেই তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে বিশ্রামের জন্য থানার ভেতরেই একটি কক্ষের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তিনি ওই কক্ষে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত কনস্টেবল তার ওপর হামলে পড়েন এবং তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর সেরাইকেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসপি) মনোজ স্বর্গিয়ারী বিষয়টি তদন্তের জন্য সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) অনুভব ভরদ্বাজকে নির্দেশ দেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা মেলায় এসডিপিওর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়।
দায়িত্বে অবহেলা, দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ ও চরম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এসপি গামহারিয়া থানার ওসি এবং অপর চার কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বরখাস্তকৃত পাঁচ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্তের পরিহিত পোশাক আলামত হিসেবে জব্দ করেছে পুলিশ এবং তা পরীক্ষার জন্য রাঁচির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ন্যাকারজনক এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি বলেছে, পুলিশ প্রশাসন কাউকে ভয় না পাওয়ায় ঝাড়খণ্ডে এ ধরনের ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে।
ঝাড়খণ্ড রাজ্য বিজেপির সভাপতি ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য আদিত্য সাহু সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় পোস্টিং নেন। তিনি বলেন, এসব পুলিশ কর্মকর্তা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ছত্রচ্ছায়ায় বালু, লৌহ আকরিক ও কয়লা চুরির সুযোগ করে দিচ্ছেন। আর এসব কারণে রাজ্যের শাসক জোট জেএমএম, কংগ্রেস ও আরজেডির ওপর থেকে সাধারণ মানুষ পুরোপুরি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে সোনারগাঁওকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। গ্রুপ ‘বি’-র ম্যাচে তারা ৩-০ গোলে জয়লাভ করে সোনারগাঁওয়ের বিরুদ্ধে।
রবিবার (১ নভেম্বর) এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে এআইইউবি শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে। ম্যাচের মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় রাশেদুলের দুর্দান্ত একটি গোলে লিড নেয় আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে সোনারগাঁও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে।
তবে নিজেদের ডি-বক্সে ফাউল করে বসে তারা, যার ফলে পেনাল্টি পায় এআইইউবি। পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে গোল করে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আক্কাস আলী।
প্রথমার্ধে সোনারগাঁওয়ের বিপক্ষে ২-০ গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় এআইইউবি।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ২৮ মিনিটে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন এআইইউবি-র অধিনায়ক পিয়াস। তার একটি দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে আলতো টাচে বল জালে জড়ান লাবিব। এই গোলের সুবাদে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এআইইউবি।
খেলার বাকি সময়ে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি গোল পরিশোধের কিছু চেষ্টা করলেও এআইইউবি-র রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। নির্ধারিত সময় শেষে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সেই সাথে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
জমজমাট এই আসরের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক স্যাটেলাইট চ্যানেল টি স্পোর্টস।
দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) পৃষ্ঠপোষকতা ও উদ্যোগে গত ২৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়িয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা নগরী যেন নতুনভাবে জেগে উঠেছে। পুরোনো স্থাপনার ওপর তুলির নিপুণ আঁচড়ের পাশাপাশি সড়ক বিভাজকে রঙের বর্ণিল ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে। আবার কোথাও ধুলোময় সড়ক পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার কর্মযজ্ঞ চলছে। প্রতিদিনের পরিচিত নগরী ধীরে ধীরে নতুন রূপ ধারণ করছে। ভোরের প্রথম আলোতে পরিবর্তনের ছাপ দৃশ্যমান হচ্ছে। নগরীর এই নতুন সাজে উৎসবের আবহ যুক্ত হয়েছে, আর রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে খুলনা বর্ণিল সাজে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ৫ নভেম্বর তাঁর খুলনা সফর উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, সড়ক বিভাজক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মীরা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রশাসনিক তৎপরতা, রাজনৈতিক প্রস্তুতি এবং নগরসজ্জার সমন্বয়ে খুলনা এখন যেন এক বিশাল কর্মযজ্ঞের নগরী।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলগুলোতে বিশেষ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। পুরোনো স্থাপনায় নতুন রঙের প্রলেপ, সড়ক বিভাজকে রংতুলির কারুকাজ, পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে রাস্তা ও আশপাশের পরিবেশকে দৃষ্টিনন্দন করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোথাও চলছে দেয়াল ও স্থাপনা রঙের কাজ, আবার কোথাও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ব্যস্ত পদচারণা। সব মিলিয়ে নগরীর চেহারায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটি খুলনায় দ্বিতীয় সফর। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁর এ সফরকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই আয়োজনের মাধ্যমে খুলনা শুধু প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর সুযোগই পাবে না, বরং সারা দেশের সঙ্গে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও সুসংহত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক আগমনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং খুলনার উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও নাগরিক প্রত্যাশার বিষয়গুলোও নতুন করে গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফরকে সফল করতে বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে প্রস্তুতি ও সমন্বয়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাজসজ্জার পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচি ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে খুলনাকে প্রস্তুত করছেন। প্রধানমন্ত্রী যতবার খুলনা সফর করবেন, খুলনার উন্নয়ন ততই ত্বরান্বিত হবে বলে আমরা আশা করি। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, খুলনা থেকে সারা দেশের জন্য এ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ উদ্বোধন করা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হবে, যা কর্মসূচিটিকে জাতীয় পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করবে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন নগরী হিসেবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু অতিথিকে বরণ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি নয়, বরং আমাদের প্রিয় নগরীকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার একটি সম্মিলিত প্রয়াস। আমরা চাই, খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন স্মরণীয় হয়ে থাকুক। একই সঙ্গে নগরীর এই সৌন্দর্য যেন সফর শেষ হওয়ার পরও স্থায়ী থাকে এবং নগরবাসী এর সুফল ভোগ করতে পারেন। খুলনার উন্নয়ন, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতেই আমাদের এই আয়োজন।
সব মিলিয়ে ৫ নভেম্বরকে সামনে রেখে খুলনা এখন অপেক্ষার নগরী। রঙের পরশে, পরিচ্ছন্নতার ছোঁয়ায় আর উৎসবের আবহে বদলে যাচ্ছে চিরচেনা নগরীর দৃশ্যপট। নগরীর পথে পথে যেন একটাই প্রস্তুতি, অতিথিকে বরণ করার। নতুন সাজে সজ্জিত খুলনা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ