ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে : চসিক মেয়র


শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নগরজুড়ে খেলার মাঠ, পার্ক ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নগরীর দেওয়ানহাট সিটি কর্পোরেশন কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, চট্টগ্রামের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠের অভাব রয়েছে, সেগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেওয়ানহাট কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য রেলের একটি মাঠ সংস্কার করে আধুনিক ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে গারো পাহাড়ে মোমবাতি হাতে অর্ধলাখ তীর্থযাত্রীর আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাঠ, পার্ক, ওয়াকওয়ে ও ফ্লাডলাইট স্থাপনের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। কিশোর গ্যাং, মাদক ও সন্ত্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। সুতরাং পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন ও আবর্জনা না ফেলে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছরওয়ার আলম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মাদ খান, নারী নেত্রী ফাতেমা বাদশা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার বেগম। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, গভর্নিং বডির সদস্য ও অন্যান্য সুধীজনরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে যাত্রা শুরু করল ‘চাইনা মার্কেট’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক পোস্ট ঘিরে সমালোচনার মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক পোস্ট ঘিরে সমালোচনার মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ’র সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া কার্যক্রম দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সমালোচকদের অভিযোগ হলো, সরকার যখন অর্থনীতি, বিতর্কিত অধ্যাদেশ, ভূমিহীন মানুষের দুর্দশা এবং বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে রয়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার নতুন খোরাক তৈরি করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিচ্ছেন।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে যখন প্রধানমন্ত্রী ফেসবুকে লেখেন: ‘আমিও রাষ্ট্রদূত হতে চাই। কারও কাছে প্রধানমন্ত্রীর নম্বর থাকলে আমাকে দিন।’ তাঁর এই পোস্টের নিচে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন।

অনেকেই এটিকে মজার ঘটনা হিসেবে দেখলেও সমালোচকরা বলেন যে, রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পদকে এভাবে হালকা বিনোদনের উপাদানে পরিণত করা উচিত নয়।

সমালোচকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ‘ক্লাউট কালচার’ বা সামাজিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃত বিতর্ক তৈরির কৌশল ব্যবহার করছেন। এর মাধ্যমে তিনি জনসাধারণের দৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সমস্যা থেকে সরিয়ে ভাইরাল আলোচনায় নিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, কূটনীতিক নিয়োগ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কিংবা জাতীয় সংকটের মতো বিষয়গুলোকে সামাজিক মাধ্যমের রসিকতায় পরিণত করা রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে যায় না।

এর আগে এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা কৃষ্ণ হরি পুশকরকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি নিজের স্বার্থে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সাবেক আমলারা এই ঘটনাকে প্রশাসনিক নিয়ম ভঙ্গ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বলে আখ্যা দেন। তাদের মতে, এতে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

সমালোচকদের দাবি, এটি নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি সংসদ এড়িয়ে বিতর্কিত অধ্যাদেশ জারির সমালোচনা শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী নিজের একটি স্টাইলিশ ছবি পোস্ট করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর ভূমিহীন মানুষের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা চলাকালে তিনি পনির হাতে ছবি পোস্ট করে লেখেন ‘সে চীজ’, যা আবার সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এরপর নতুন বাজেট ঘোষণার পর তিনি শুধু ‘রেস্ট অ্যাসিউরড’ লিখে পোস্ট করেন এবং অনেকের মতে বাজেটের বাস্তব সমস্যা নিয়ে আলোচনা সরে গিয়ে সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও তরুণ নেতাদের মতে, এর ফলে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, বাজেট, অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জনআলোচনা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

তাদের অভিযোগ হলো, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও অ্যালগরিদম খুব ভালোভাবে বোঝেন এবং জানেন কীভাবে জনমতকে নতুন কোনো ভাইরাল বিষয়ে ব্যস্ত রাখা যায়। এতে সাময়িক জনপ্রিয়তা পাওয়া গেলেও, দীর্ঘমেয়াদে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা, আইনের শাসন ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক আলোচনার ক্ষতি হতে পারে।

তবে এই অভিযোগগুলো মূলত সমালোচক, বিরোধী রাজনীতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত। প্রধানমন্ত্রী ও তার সমর্থকেরা এসব কর্মকাণ্ডকে জনগণের সঙ্গে আধুনিক ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

তথ্যসূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বমঞ্চে ব্যর্থতা ঘুচিয়ে নতুন গল্প লিখতে পারবে মিশর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


বিশ্বমঞ্চে ব্যর্থতা ঘুচিয়ে নতুন গল্প লিখতে পারবে মিশর!

মিশর ইতিহাসের প্রথম আরব ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করে। কিন্তু পিরামিডের দেশটির জন্য বিশ্বকাপ যাত্রা সুখকর হয়নি।

মিশর বিশ্বকাপের চারবারের অংশগ্রহণে কোন ম্যাচেই জয়লাভের সুবিধা পায়নি। ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ ২৮ বছর পর তারকা খেলোয়াড় মোহামেদ সালাহর অসাধারণ নৈপুণ্যে তারা রাশিয়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে স্থান করে নেয়। কিন্তু বড় তারকা হওয়া সত্ত্বেও তাদের হারের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি।

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে মিশরের সর্বকালের সেরা এবং বর্তমান তারকা ফুটবলার মোহামেদ সালাহসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার নিয়ে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছেন কোচ হোসাম হাসান। ইউরোপের শীর্ষ লিগ ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে আলো ছড়িয়ে দিয়ে তাদের দলে জায়গা করে নিয়েছেন ওমর মারমুশ, মোহাম্মদ এলনেনি, মোহাম্মদ জেদান এবং আহমেদ হেগাজির মতো তরুণ অভিজ্ঞতার অধিকারী ফুটবলাররা। তারা যদি যেকোন সময় যেকোন বড় দলের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেন, তাহলে অঘটন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

কোচ: হোসাম হাসান

অধিনায়ক: মোহাম্মদ সালাহ

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা সাফল্য: বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ

সর্বশেষ: কাতার বিশ্বকাপ (২০২২)

প্রথম: ইতালি বিশ্বকাপ (১৯৩৪)

অংশগ্রহণ: ৪ বার

ফিফা র‌্যাংকিং: ৩২

আফ্রিকা নেশনস কাপ: ৭ বার চ্যাম্পিয়ন

মিশর গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, ইরান ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে রয়েছে।

খেলার সময়সূচি:

১৬ জুন: বেলজিয়াম বনাম মিশর— সিয়াটল স্টেডিয়াম, ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), রাত ১:০০ টা।

২২ জুন: নিউজিল্যান্ড বনাম মিশর— বিসি প্লেস, ভ্যাঙ্কুভার (কানাডা), সকাল ৭:০০ টা।

২৭ জুন: মিশর বনাম ইরান— সিয়াটল স্টেডিয়াম, ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), সকাল ৯:০০ টা।

মিশরের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেইর, মোহামেদ আলা, এল মাহদি সোলিমান।

ডিফেন্ডার: মোহামেদ হানি, তারেক আলা, হামদি ফাথি, রামি রাবিয়া, ইয়াসের ইব্রাহিম, হোসাম আবদেলমাজিদ, মোহামেদ আবদেলমনিম, আহমেদ ফুতুহ, করিম হাফেজ।

মিডফিল্ডার: মারওয়ান আত্তিয়া, মোহানাদ লাশিন, নাবিল ইমাদ, মাহমুদ সাদের, আহমেদ জিজো, ইমাম আশুর, মোস্তফা জিকো, মাহমুদ ত্রেজেগে, ইব্রাহিম আদেল, হাইসেম হাসান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক, কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


মাদক, কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

নোয়াখালীতে মাদক, কিশোর গ্যাং, গুপ্ত ও নিষিদ্ধ সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে নেতারা মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তারা দাবি করেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের আড়ালে কিছু কিশোর অপরাধে জড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

বক্তারা নিষিদ্ধ সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতা রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ এবং তরুণদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সঠিক পথে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, সাবেক সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান,পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট শাহাদাত হোসেন,জেলা বিএনপি নেতা ভিপি জসিম উদ্দিন ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাছের প্রমূখ।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হবে বুধবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হবে বুধবার

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে। এই দিবসটি উদযাপনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী ও আহত শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ নানা কার্যক্রম।

দিবসটির তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতারে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের গর্বিত অংশীদার। ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের ১ হাজার ৯২৮ জন নারী পুলিশসহ মোট ২১ হাজার ৮২৮ জন শান্তিরক্ষী ২৫টি দেশে ২৭টি শান্তিরক্ষা মিশনে পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় অনন্য অবদান রেখেছেন। হাইতিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের ৫২৫ সদস্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত হবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ৮ জন নারীসহ ৩৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ইউএনপোল ও ইউএন জবে নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যগণ ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ পুলিশের ২৫ জন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা নানা প্রতিকূলতা জয় করে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। হাইতির ভূমিকম্প-কবলিত মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আফ্রিকা ও ইউরোপের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতেও তাঁরা অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশের পুলিশের এই অনন্য ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে।

প্রায় চার দশক ধরে বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সংঘাত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা এবং শান্তিপ্রতিষ্ঠায় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোদ্দীপ্ত এবং অনন্য অবদান বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

প্রতিবছর ২৯ মে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। এ বছর উক্ত দিন সরকারি ছুটি থাকায় দিবসটি ১০ জুন পালন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%