০৭:১২ পি.এম
চলতি মাসের ১ নভেম্বর থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই পর্যটন কেন্দ্রটি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। দ্বীপে প্রায় ১৫০টি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে।
তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র এবং প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ার কারণে এখনও শুরু হয়নি পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল। ফলে, দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ চালু হলেও পর্যটকরা সেখানে যেতে পারছেন না।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র, বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র এবং রুট পারমিট পাওয়ার প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্ধারিত ব্যবস্থাও পর্যটকদের নিবন্ধনের জন্য পুরোপুরি চালু হয়নি। সব প্রস্তুতি শেষ হলে আগামী বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।
আরও পড়ুন: জনগণের সেবক হতে চান ধীতপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোকসেদুল ইসলাম ইকবাল
সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পাশাপাশি সেখানে রাত কাটাতে পারবেন। দীর্ঘ এক বছর পর পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি খুলে দেওয়া হলেও, জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।
সেন্টমার্টিনে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে একটি বড় অংশ হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নৌপরিবহনের সঙ্গে জড়িত। শুধু হোটেল-রিসোর্ট খাতে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে কাজ করেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ কর্মী।
দ্বীপের একটি রিসোর্টের মালিক জানান, "সব প্রস্তুতি নিয়েও জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় আমরা হতাশ। আমার মতো দ্বীপের প্রায় ১০০টি হোটেল-রিসোর্ট পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।"
এআরবি
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচন সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন