মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৮ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঢাকা মহানগর বিএনপি এবং ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির জ্যেষ্ঠ সদস্য, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তিনি এক শোকবার্তায় উল্লেখ করেন, সাবেক সফল সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর বিএনপির অন্যতম শীর্ষ কাণ্ডারি ও কেন্দ্রীয় বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদের আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে স্তব্ধ ও শোকাচ্ছন্ন। ডেমরা, শ্যামপুর ও কদমতলী এলাকার মাটি ও মানুষের উন্নয়ন এবং মহানগর বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে তাঁর অবদান কখনো ভুলবার নয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, রাজপথের প্রতিটি গণআন্দোলনে তাঁর অকুতোভয় নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য সর্বদা প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় এই রাজনৈতিক অভিভাবকের চলে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীর রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্টি করেছে।
শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা জানান যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করা হয়।
একই সাথে তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই কঠিন শোক সহ্য করার ধৈর্য ধারণের শক্তি কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার মন্তব্য করেছেন, জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করলে বোঝা যায়, গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশের মানুষ কী নিদারুণ কষ্টের মধ্যে ছিল এবং এর বিপরীতে বাংলাদেশের মানুষের অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি রয়েছে।
তিনি গতকাল সোমবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এই কথা বলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল জাদুঘর প্রাঙ্গণে স্বৈরাচারী সময়ে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানাতে তৈরি করা মেমোরিয়াল পরিদর্শন করে তাদের যাত্রা শুরু করে। ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করা শহীদ আনাসের চিঠি এবং জুলাই অভ্যুত্থানে অগ্রগামী নারীদের অবদান পর্যবেক্ষণ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
জাদুঘর ভবনের ভেতরে শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৬ বছরের দুঃশাসনের বিভিন্ন চিত্র তারা ঘুরে দেখেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ওপর আওয়ামী সরকারের চালানো নিপীড়নের চিত্রগুলো খুঁটিনাটি দেখে।
পরিদর্শন শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্সান মাহমুদ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার জুলাই জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এমন অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ জানান।
ম্যাগনাস ব্রুনার বলেন, "বাংলাদেশের মানুষকে যে নির্মম নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।" জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং সমর্থন জোগাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনরায় লেখার সুযোগ দেওয়ার ঘটনাটি শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে সত্যতা পেয়েছে। তদন্তের ফলাফলে দেখা গেছে, ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে এনে দুটি প্রশ্নের উত্তর নতুন করে লেখানো হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই উত্তরগুলোর মূল্যায়ন করে নম্বরও প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রউফ, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কাছে সিলগালা অবস্থায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি। বিষয়টি নিয়ে দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকার আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে নিয়ে পুনরায় উত্তর লেখানোর অভিযোগ উঠে আসে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের উত্তরপত্রে নিজের মোবাইল নম্বর লিখে এসেছিল মেহেদী। ওই নম্বরে ফোন করে ১৪ আগস্ট তাকে নিজের বাসায় ডেকে নেন রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজির প্রভাষক ও পরীক্ষক সেকেন্দার আলী। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে তাকে আবার উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর শিক্ষা বোর্ড পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরীক্ষক সেকেন্দার আলী উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে বোর্ডে জমা দেওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়। তদন্ত কমিটি উত্তরপত্র পরীক্ষা করে দেখতে পায়, মেহেদী হাসানকে দ্বিতীয় দফায় লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ সময় নম্বরেও কাটাকাটি করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রধান রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) ইব্রাহিম হোসেন বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কিছু সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ জানান, উত্তরপত্রে ২ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের যে উত্তর মেহেদী হাসান প্রথমে লিখেছিল, তাতে সে কোনো নম্বর পায়নি। পরে তাকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে নিয়ে ওই দুটি প্রশ্নের উত্তর নতুন করে লেখানো হয় এবং সেগুলোর জন্য নম্বরও দেওয়া হয়। উত্তরপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি সাক্ষীদের বক্তব্যেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষক সেকেন্দার আলীকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেহেদীর পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটিতে বিষয়টি আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তবে তদন্ত কমিটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় অধিকতর তদন্তের সুপারিশ করেছে। এ জন্য বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হবে। পাশাপাশি পরীক্ষক সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্ত প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছেও পাঠানো হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ আগস্ট এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসে ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গঙ্গা চুক্তির পর ভারতের নিকট থেকে ন্যায্য হিস্যা আদায় করা হবে এবং বাংলাদেশকে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির অধীনে আসতে দেওয়া হবে না, এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লেকের পাড়ের স্বাধীনতা অঙ্গনে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং চাকরির নিয়োগ বাণিজ্যসহ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা শাখা।
সমাবেশে নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘দেশে খুন, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না। জুলাই সনদের কথা বলে বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এনসিপি রাজপথে রয়েছে। এছাড়া ওসমান হাদী হত্যার বিচারও নিশ্চিত করা হবে।’
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনোভাবেই কারচুপি করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এনসিপির এই আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের বর্তমান সরকার নাকি জাতীয়তাবাদী সরকার। তারা শুধু মুখে বললে হবে না, তাদের প্রমাণ করতে হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ কতটুকু রক্ষা করতে পেরেছে। অন্যথায় ধরে নেব তারা তলে তলে সমঝোতা করে চলছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির মাদারীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম তুষার ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, জেলা শাখার সদস্য সচিব ইয়াজ্জেন হোসেন রোমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসিবুল্লাহসহ অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো প্রায় ৯৫০ কেজি রড বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে রড বিক্রির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি ভ্যানগাড়িতে করে পুরোনো রড নিয়ে যাচ্ছেন এক ভাঙারি ব্যবসায়ী। ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি রডগুলোর উৎস জানতে চাইলে ওই ব্যবসায়ী দাবি করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা মিলে রডগুলো তাঁর কাছে বিক্রি করেছেন। তবে ভিডিওতে রডগুলো সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিদ্যালয়ের, তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে পুরোনো সিঁড়িকক্ষ ভাঙার সময় বিপুল পরিমাণ রড বের হয়, যা বিদ্যালয়েই সংরক্ষিত ছিল। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় (চার্জ লিস্ট) উল্লেখ থাকা ৬৫ কেজি রডের সঙ্গে এই ৯৫০ কেজি রডের কোনো সম্পর্ক নেই। তালিকাভুক্ত ৬৫ কেজি রড মূলত ঠিকাদারের রেখে যাওয়া অতিরিক্ত টুকরা রড ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার যোগসাজশ করে ওই পুরোনো রডগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা সিফাত জানান, রডগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্যানগাড়িতে তোলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে রাতে কিছু রড এনে পুনরায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এনে রাখা হয়। সে সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, রড বিক্রির বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয় থেকে কোনো রড বিক্রি করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ।’ তাঁর দাবি, বহিরাগত কিছু ছেলে রাতে অনধিকার চর্চা করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করত। তাদের প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল জানান, ‘গত ৭ অক্টোবর রড বিক্রির বিষয়টি জানতে পেরে ৮ অক্টোবর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করি। ওই সময় বিদ্যালয়ের স্টোররুমে কিছু রড পাওয়া যায়। তবে দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় উল্লেখিত রড এবং বিক্রির অভিযোগ ওঠা রড এক নয়—এমন তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ