ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যালকুলেটরে ‘ঘুষের হিসাব’ করা সেই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার


ক্যালকুলেটরে ‘ঘুষের হিসাব’ করা সেই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়, যিনি টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ভিডিও ভাইরাল হয়েছেন, এবং দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তিনি বর্তমান কর্মস্থান থেকে প্রত্যাহার করা হয়ে গেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ প্রশাসন শাখা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে বলা হয়েছে যে, তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা থেকে প্রত্যাহার করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ২৪ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ে তিনি যোগদান না করেন, তবে ওইদিনের অপরাহ্ণ থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে। কিন্তু প্রত্যাহারের সঠিক কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: "পাল্টা অভিযোগ সৌদি প্রবাসী কাদির মিয়ার" কুলিয়ারচরে মেম্বার প্রার্থী পারভেজকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এতোদিন আগে, সোমবার, বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে বাবুল চন্দ্র রায় সম্পর্কে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ সংবলিত খবর প্রকাশিত হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে পাওয়া প্রায় ৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে বাবুল চন্দ্র রায়কে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে কমিশনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে হিসাব করতে দেখা যায়, যেখানে তিনি একাধিক প্রকল্পের বিপরীতে কমিশনের অঙ্ক নির্ধারণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথোপকথন করছেন।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনসাধারণ, রাজনৈতিক মহল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করে।

এদিকে, পিআইও বাবুল চন্দ্র রায়ের প্রত্যাহারের আদেশকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এলাকায়। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

আরও পড়ুন: কিশোর-যুবকদের শিক্ষামূলক কর্মসূচিতে যুক্ত করতে চান ছাত্রদল নেতা কাওসার খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিটিএস তারকার বাসায় ১৩৩ বার কলিং বেল, ভক্তের জেল ও দেশত্যাগের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


বিটিএস তারকার বাসায় ১৩৩ বার কলিং বেল, ভক্তের জেল ও দেশত্যাগের নির্দেশ

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বিটিএস সদস্য জাংকুকের (২৮) বাড়িতে বারবার গিয়ে হয়রানির অভিযোগে এক ব্রাজিলিয়ান নারীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই নারীকে একই সঙ্গে দেশ থেকে বের করে দেওয়ারও কথা শোনা যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওই নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে যে যদি আপিল করে সফল না হন, তাহলে তাকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

জানা গেছে, গত বছর ২০২৫-এর ডিসেম্বর থেকে ওই নারী জাংকুককে অনুসরণ করতে শুরু করেন। তিনি জাংকুকের বাড়ির সামনে গিয়ে চিঠি ও ছবি রেখে আসার চেষ্টা করেছিলেন। এই কর্মকাণ্ডকে তিনি তার ‘ভালোবাসা’ বলে দাবি করেন।

২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর, প্রথমবার জাংকুকের বাড়িতে গিয়ে ওই নারী সেখানে অবস্থান করেন এবং দেয়ালের ওপর দিয়ে বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে দেন। তিনি ওই বাড়ির দরজার ফাঁক দিয়ে চিঠি ঢোকানোর চেষ্টা করেন।

এরপর কয়েকদিন পর আবারও তিনি সেখানে যান এবং একবারে ১৩৩ বার বাড়ির ঘণ্টা বাজান। আদালত এটিকে তার ‘চরম মাত্রার আসক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পরে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ খাবার সরবরাহকারী এক কর্মীকে অনুসরণ করে পাশের গেট দিয়ে বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হলেও তিনি আবারও জাংকুকের বাড়িতে যাওয়া অব্যাহত রাখেন।

পুলিশ পরে নির্দেশনা দেয় যে, তাকে জাংকুকের বাড়ির ১০০ মিটারের মধ্যে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু সেটিও অমান্য করায় ফেব্রুয়ারিতে তাকে তদন্তের জন্য আদালতে পাঠানো হয়।

আদালতে জানানো হয়েছে, ওই নারী মোট ২২ বার জাংকুকের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বিচারক বলেন, পুনরায় একই ধরনের অপরাধ করার ঝুঁকি খুব বেশি নয়—এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের জুনেও এক চীনা নারী জাংকুকের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ঘটনাটি ঘটে জাংকুক সামরিক দায়িত্ব শেষ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে রাঙ্গামাটির ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে রাঙ্গামাটির ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র

দুর্যোগ পরিস্থিতির মোকাবেলায় রাঙ্গামাটিতে মোট ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এটি জানিয়েছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।

বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও পাহাড় ধসসহ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য, আগাম সতর্কতা গ্রহণ এবং ত্রাণ কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার।

এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন, এবং রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, পার্বত্য অঞ্চলে টানা ১২ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাত হলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে পাহাড়ের ঢালে এবং পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে ১১টি এবং পুরো জেলায় সর্বমোট ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি যাতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা যায় এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তার জন্য সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসের প্রবল আশঙ্কা থাকে। তাই জেলা এবং উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বসবাসরত জনগণকে সচেতন করতে এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনতে মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে।

সভায় সম্ভাব্য দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখা এবং দুর্যোগকালীন জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ, চেক ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


কাউখালীতে কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ, চেক ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত
 
 
বাল্য বিবাহকে না বলি, সঞ্চয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি। করলে সঞ্চয় ২০০ টাকা, সরকার দিবে ৪০০ টাকা এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে পিরোজপুরের কাউখালীতে দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (আইআরইএসপিপিডব্লিউ)-এর ২য় পর্যায়ের আওতায় কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণ সামগ্রী, চেক বিতরণ এবং ফলজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলার সতেন্দ্র নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), কাউখালী উপজেলা কার্যালয়ের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সতেন্দ্র নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আকতার হোসেন হাওলাদার।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন, উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জিনারুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের বাল্যবিবাহ, স্বাস্থ্য সচেতনতা, শিক্ষা এবং আত্মনির্ভরশীলতা বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণ সামগ্রী, চেক এবং ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান 
বলেন,বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। কিশোরীদের শিক্ষার পাশাপাশি সচেতন করে গড়ে তুলতে হবে। সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও কিশোরীদের উন্নয়নে কাজ করছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।
বিশেষ অতিথি উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া বলেন,
"আইআরইএসপিপিডব্লিউ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া পরিবারের নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা। সঞ্চয়ের অভ্যাস, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ পাবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিআরডিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে চেক ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবহন খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি: হাবিবুর রশিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


পরিবহন খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি: হাবিবুর রশিদ

হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী, নারীদের অংশগ্রহণ পরিবহন খাতে বৃদ্ধি বর্তমান সময়ের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক বাধা এবং প্রচলিত ধারণার কারণে পরিবহন খাতে নারীদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন যে, যদি নারীদের যথাযথ সুযোগ ও সহায়তা দেওয়া হয়, তাহলে তারা এসব বাধা অতিক্রম করে সফলতার সাথে এগিয়ে যেতে সক্ষম হতে পারেন।

মঙ্গলবার, রাজধানীর ব্র্যাক মিলনায়তনে নারী গাড়িচালকদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো যোগ করেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রশিক্ষিত নারী চালকদের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। এ ক্ষেত্রে, ব্র্যাক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী চালকদের চাকরির সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ২৪ জন পেশাদার নারী চালক নিয়োগ দিয়েছে। আজকের আয়োজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চালকদের সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

তিনি জানালেন, সরকারের বিশেষ অনুরোধে ব্র্যাক ২০০১ সাল থেকে সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। ২০১২ সাল থেকে পরিচালিত ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের ১৩টি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে আজ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার ৫০০ জনকে প্রাথমিক গাড়িচালনা, ১৩ হাজার ৫০০ জনকে নিরাপদ চালনা এবং ৪০৯ জনকে গাড়িচালনা প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ আরও বলেন, নারী চালক প্রশিক্ষণ, মোটরসাইকেল চালনা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, গবেষণা, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারে সচেতনতা গড়ে তোলা, দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং গণপরিবহন ও জনপরিসরে নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং নারী ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে।

ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা নারী গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেছেন, তারা শুধু একটি পেশা বেছে নেননি, বরং সমাজে নারী সক্ষমতার সম্পর্কিত একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্র্যাকের মতো সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমতাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ, ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপক এম খালিদ মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ১০ জন নারীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়। তারা তিন মাসের নিবিড় আবাসিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গাড়িচালনার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা এবং জেন্ডার ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণও পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%