০৩:৪৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন বিশ্বকাপকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতীয় দলের ফুটবলারদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, সেনেগাল এবং উজবেকিস্থান জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের বিমানবন্দরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি করা হচ্ছে। তাদের লাগেজের পাশে দাঁড়িয়ে দেহ স্ক্রিনিং করা হচ্ছে এবং ‘স্নাইপার ডগ’ ব্যবহার করে ব্যাগেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমান থেকে নামার পর টার্মিনালে নিয়ে যাওয়ার আগে খেলোয়াড়দের টারম্যাকে দাঁড় করিয়ে হাত প্রসারিত অবস্থায় নিরাপত্তা স্ক্যান করা হচ্ছে। অন্য একটি দৃশ্যে দেখা যায়, নিরাপত্তা কর্মীরা তল্লাশি চালাতে প্রশিক্ষিত কুকুরকে ব্যাগেজের পাশে ব্যবহার করছেন।
এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আফ্রিকান ফুটবল সাংবাদিক মিকি জুনিয়র প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন, যা দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই ফুটবল ভক্ত এবং নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে অতিথি দলের সঙ্গে এমন আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য বলা যায়।
অন্যদিকে, এখনও পর্যন্ত ফিফা বা যুক্তরাষ্ট্র ও সেনেগাল ফুটবল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও অভিবাসন নীতির কারণে সেনেগালসহ কিছু দেশের ওপর বিধিনিষেধের অভিযোগও উঠেছে, যা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার, পরদিন কানাডা ও ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা এবং আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠা সত্ত্বেও আয়োজক দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি বিকল্প বা প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করেছে। বাজেটের আলোচনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জনপ্রশাসন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের পক্ষ থেকে ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ বাজেট উপস্থাপন করা হয়। বাজেট উপস্থাপন করেন দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন।
যেমনটি দেখা গেছে, বাজেটের বরাদ্দ পর্যালোচনা করে মোট বাজেটের ২৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে জনপ্রশাসন খাতে, যা টাকার অঙ্কে ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এছাড়া শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা বা ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ রাখতে বাধ্য হয়েছে দলটি, এর পরিমাণ ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট প্রস্তাবিত বাজেটের ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বরাদ্দের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের এই বাজেটে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে ৫১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং গরিব ও দুস্থ মানুষদের সহায়তায় সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪৮ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্বাস্থ্য খাতে ৪৫ হাজার ২৪০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং তৃণমূলের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বরাদ্দের কথাও বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, অন্যান্য খাতের মধ্যে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতে ৪৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ১০ শতাংশ এবং দেশের শিল্প ও উৎপাদন সচল রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের জন্য ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) পদে পদোন্নতি লাভের পর নিজ জন্মভূমি শিবচরে আগমন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ও শিবচরের কৃতি সন্তান রেজাউল করিম মল্লিক।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তিনি শিবচরে নিজ বাসভবনে পৌঁছে প্রথমে তাঁর মরহুম পিতার কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি পিতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
পরে তিনি শিবচর থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জনগণের সেবায় আরও আন্তরিক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশিং এবং সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। শিবচরের কৃতি সন্তান হিসেবে তাঁর এ সাফল্যে এলাকাবাসী গর্ব ও আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের আরও সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ