০৪:১২ পি.এম
রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের যাত্রীসেবা আবার চালু হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হয়। একই সময় মিরপুর-১১ থেকে মিরপুর-১০ পর্যন্ত সড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এর আগে, ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে সকালে মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে, যা পুরো এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে, মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরে, আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদেরও আন্দোলনকারীরা ধাওয়া করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উদ্যোগে সাইবার নিরাপত্তা সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এগিয়ে আসে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, সকাল থেকেই মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন জানান, গাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে পল্লবী ফায়ার স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে সেটি পুলিশের গাড়ি কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: জবি দিবসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চার প্লাটুন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা মোতায়েন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন