ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোমায় মলিনার চুক্তির দিনক্ষণ নির্ধারণ


রোমায় মলিনার চুক্তির দিনক্ষণ নির্ধারণ

নাহুয়েল মলিনা আগামী সোমবার ইতালিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, রোমায় দলবদল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং মেডিকেল পরীক্ষা দিতে। আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে সিরি আ ক্লাব আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে ভেড়ানোর জন্য আনুমানিক ১ কোটি ৩০ লাখ ইউরো (১৩ মিলিয়ন ইউরো) এবং অ্যাড-অনস হিসেবে ৪ মিলিয়ন ইউরো খরচ করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই দুই ক্লাবের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। যদিও ট্রান্সফার ফি সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিবেদনে কিছুটা তারতম্য রয়েছে, সামগ্রিক অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ ইউরোর মধ্যে নির্ধারণ হয়েছে।

‘কোরিয়েরে দেল্লো স্পোর্ত’-এর দাবি অনুযায়ী, মলিনা ইতালিতে পৌঁছানোর পর মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করবেন এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

আরও পড়ুন: কৃষিঋণে খেলাপি ১৯ হাজার কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংকে বাড়ছে

ব্রাইটনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে পরাজয়ের পর রোমার কোচ জিয়ান পিয়েরো গ্যাসপেরিনি জানিয়েছেন যে, তারা মঙ্গলবার থেকে মলিনাকে দেখতে পাবেন। কারণ সেদিন থেকেই তিনি নতুন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করতে প্রস্তুত হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে হঠাৎ বড় পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১২ এম


ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে হঠাৎ বড় পরিবর্তন

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কাঠামোয় একটি বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান মোহসেন রেজাই, যিনি দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদ—সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তপ্ত সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে নীতি নির্ধারণী এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনতে তেহরান সক্রিয় হয়েছে। বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, রোববার (৯ আগস্ট) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক ডিক্রির মাধ্যমে মোহসেন রেজাইকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগ ও তথ্যবিষয়ক উপপ্রধান সাইয়েদ মেহদি তাবাতাবায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদরের পদত্যাগ এবং নতুন দায়িত্ব গ্রহণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মোহসেন রেজাইকে নিরাপত্তা কাউন্সিলে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলা ইরান-ইরাক যুদ্ধে রেজাইয়ের বিশেষ ভূমিকা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে সর্বোচ্চ নেতা তাকে এই দায়িত্ব দেন।

১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত, টানা ১৬ বছর আইআরজিসির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রেজাই। বর্তমানে তিনি এক্সপেডিয়েন্সি ডিসকার্নমেন্ট কাউন্সিলেরও জ্যেষ্ঠ সদস্য। চলতি বছরের মার্চে তিনি সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা পদেও যুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে, সদ্য সাবেক সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদরকে মোজতবা খামেনি তার নিজের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই রদবদল ঘটেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উভয় দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি এবং জুনে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হলেও, গত মাসে তা অকার্যকর হয়ে পড়ে। সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে সংঘাত নিরসনে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলার খবরের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


খুলনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম

খুলনায় বটিয়াঘাটা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা অনিন্দ্য কুমার দাসকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে দুর্বৃত্তদের দ্বারা।

এই ঘটনার প্রতিবেদন অনুসারে, রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে নগরীর ফরাজীপাড়া এলাকায় আকবর স্টোরের সামনে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

বর্তমানে অনিন্দ্য কুমার দাস বটিয়াঘাটা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করছেন।

আহত খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় মুদি দোকান থেকে বাজার করে বের হওয়ার পর পরই ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত তাকে ঘিরে ধরে এবং অব্যাহতভাবে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে একজন ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করে।

এই অবস্থায় ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এরপর স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলছেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডে নিম্নবিত্তের ভাগ্যবদল, ১৬ আগস্ট শুরু আনুষ্ঠানিক বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ এম


ফ্যামিলি কার্ডে নিম্নবিত্তের ভাগ্যবদল, ১৬ আগস্ট শুরু আনুষ্ঠানিক বিতরণ

ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে এরই মধ্যে ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছে নিম্ন আয়ের মানুষের। সরকারি মাসিক অর্থসহায়তায় ভর করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা। আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এর মাধ্যমে চলতি অর্থবছরেই ৪০ লাখ ২০ হাজার নারীর হাতে পৌঁছাবে এই সহায়তা। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের হাতে কার্ড পৌঁছানোই এখন সরকারের লক্ষ্য।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি ছিল ফ্যামিলি কার্ড। নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে এই উদ্যোগ দেশজুড়ে আশার সঞ্চার করে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ের পর শুরুতেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয় তারেক রহমানের সরকার।

চলতি বছরের ১০ মার্চ ঢাকার বনানীতে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে এরই মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে অনেক নিম্নআয়ের পরিবারের জীবনে। কড়াইল বস্তির ফরিদা ও রাহেলাদের ঘরে বইছে আনন্দের জোয়ার। মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থসহায়তা পেয়ে নিত্যদিনের খরচ মেটানোর পাশাপাশি ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা।

একজন সুবিধাভোগী বলেছেন, "মেয়েদের জন্য সুযোগ-সুবিধা আর কী, সংসারে অভাব থাকলে একটু খরচ হয়। আগে মাকে ওষুধ খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা করে দিতাম। এখন ১ হাজার ৫০০ টাকা দেই। এই সহায়তা পাওয়ার পর কতটা উপকার হয়েছে, তা ভাষায় বলা সম্ভব নয়। গরিব মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ নেয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ।"

তবে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকার বাইরে থাকা অনেক পরিবার এখনও অপেক্ষায়। কেউ আবার কার্ড পেলেও নিয়মিত অর্থসহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। একজন অভিযোগকারী বলেছেন, "কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যাওয়ার পর সেখান থেকে এন্ট্রি করে বাদ দেয়া হয়েছে। কাগজপত্র জমা নেয়ার পরও কার্ড পাইনি।" আরেকজন অভিযোগ করেছেন, "কয়েক মাস পাওয়ার পর গত মাসে আর টাকা পাইনি। চলতি মাসেও এখনো সহায়তা পাইনি।"

ফ্যামিলি কার্ডের নিয়মিত অর্থসহায়তায় নিম্নআয়ের মানুষের নিত্যদিনের খরচ মেটানোর পাশাপাশি কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপনের স্বপ্নও তৈরি হয়েছে। তবে এখনও অনেক পরিবার এই সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আশার খবর হলো, এবার শুরু হচ্ছে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জে এর উদ্বোধন করবেন সরকার প্রধান। চলতি অর্থবছরে ৪০ লাখ ২০ হাজার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে সারাদেশে শুমারি করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, "ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ। মানুষের আগ্রহ প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সরকার আরও সচেতন হয়েছে।"

দলীয় পরিচয় নয়, প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হচ্ছে বলেও জানান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, "ফ্যামিলি কার্ড সবার জন্য। সরকারের সব ধরনের সুবিধা পাওয়ার অধিকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। সেই নীতিতেই সরকার কাজ করছে।"

পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে এরই মধ্যে ৮০ হাজার নারীর হাতে পৌঁছেছে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানে ৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্র স্থগিত-বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


আফগানিস্তানে ৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্র স্থগিত-বাতিল

আফগানিস্তানের নয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনার অনুমতিপত্র তালেবান সরকার স্থগিত বা বাতিল করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভুয়া শিক্ষার্থী দেখানো, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং শিক্ষাসংক্রান্ত নিয়ম না মানার অভিযোগ।

আফগানিস্তানভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম খামা প্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালেবান সরকারের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটির জন্য অনুমতিপত্র এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতিপত্র স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।

১৪০৫ সৌর বছরের বসন্তকালীন সেমিস্টারে এসব প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও মূল্যায়ন চালানোর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক বছরের জন্য অনুমতিপত্র স্থগিত করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জওজজান প্রদেশের বারলাস বিশ্ববিদ্যালয়, বালখ প্রদেশের রাহে সাদাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুর্কিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়া বাদাখশান প্রদেশের আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং বারনা বিশ্ববিদ্যালয়, ফারিয়াব প্রদেশের রাশাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাবুলের পায়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপत्रও এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। কুন্দুজের কোহানদুজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাখার প্রদেশের খানা-এ দানিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্রও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।

খামা প্রেসকে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

পরিদর্শনের সময়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার বিষয়ে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু প্রতিষ্ঠান বাস্তবে উপস্থিত না থাকা বা নিয়মিত উপস্থিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের ‘ভুয়া শিক্ষার্থী’ হিসেবে দেখিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির রেকর্ডও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। কিছু প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ বা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়—এমন শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার ঘাটতি ছিল।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সমস্যা খুঁজে পাওয়া গেছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার সরঞ্জামের অভাব ছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। এ ছাড়াও, মন্ত্রণালয় অনুমোদিত পাঠ্যক্রমও কিছু প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পড়ানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগও প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল।

কিছু প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাসের সময়সূচি থাকলেও বাস্তবে তা অনুসরণ করা হয়নি। খামা প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে, পরিদর্শনের সময় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ খালি পাওয়া যায়। অর্থাৎ কাগজে-কলমে ক্লাসের সময়সূচি থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল না। এসব অনিয়মের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর দেশটির উচ্চশিক্ষা খাত নানা সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের শিক্ষার ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে। তালেবান সরকার মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা খাতে অন্যান্য বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর ফলে আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে কমে গেছে।

নবীনভাবে নয়টি বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে পর্যাপ্ত শিক্ষাসুবিধার অভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা, উপস্থিতির তথ্য সঠিক রাখার অভাব, এবং পরীক্ষায় অনিয়মের মতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%