ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর সড়ক বিভাজকগুলো নান্দনিক করে তুলতে ডিএসসিসির বিশেষ উদ্যোগ


রাজধানীর সড়ক বিভাজকগুলো নান্দনিক করে তুলতে ডিএসসিসির বিশেষ উদ্যোগ

রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবন এবং বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের স্বর্ণ গলি এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা পরিচালনা এবং ডিএসসিসির ট্রেড লাইসেন্সবিহীন/মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ৩ জন ব্যবসায়ীকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া মানুষের/সেবা গ্রহীতাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য ও পানি সরবরাহের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী একজন ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালীন হোটেলে সরবরাহকৃত পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আধুনিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযানে সর্বমোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও অবৈধভাবে রাখা যানবাহন অপসারণ করা হয়।

জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নাটক বাদ পড়াদের নিয়েই রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নাটক বাদ পড়াদের নিয়েই রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ

ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে বয়স জালিয়াতির ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে। গত জুন মাসে দেশের অনূর্ধ্ব-১৭ কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বয়স লুকানোর অপরাধে অন্তত ৫০০ জন কুস্তিগিরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের গোন্ডায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতাটি ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিষিদ্ধ ড্রাগ নেওয়ার বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই করা হয়, ঠিক একইভাবে বয়স জালিয়াতির বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ানো প্রয়োজন।গোন্ডায় অনুষ্ঠিত ওই প্রতিযোগিতার এক বছরেরও কম সময় আগে, ভারতের অন্যতম সেরা স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট সুব্রতো কাপেও বয়স জালিয়াতির কারণে ২০টি দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।অ্যাশেজ সিরিজের টিকিটের দাম বৃদ্ধির সমালোচনায় সাবেক ক্রিকেটার ও ভক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।এই বিষয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধের লেখক এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় স্পোর্টস আইনজীবী আহনা মেহরোত্রাবলেন, “এটি এখন একটি মহামারী রূপ নিয়েছে।”যেসব খেলায় বয়স ভিত্তিক প্রতিযোগিতা রয়েছে, তার প্রায় সবখানেই বয়স জালিয়াতির প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে সাব-জুনিয়র এবং জুনিয়র স্তরে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। কারণ এই স্তরে ভালো করলে সুযোগ-সুবিধা বা পুরস্কার অনেক বেশি পাওয়া যায়, কিন্তু সেই তুলনায় খেলোয়াড়দের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই বা নজরদারি করা হয় খুবই কম, যোগ করেন এই আইনজীবী।ভারতের বিশৃঙ্খল জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থা এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য কোনো একক ডিজিটাল ডাটাবেস (তথ্যভাণ্ডার) না থাকার সুযোগটি দীর্ঘদিন ধরে কাজে লাগাচ্ছে কিছু অসাধু অভিভাবক ও কোচ। তারা নিজেদের স্বার্থে এই দুর্বল ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে।

চার বছরেই বিশ্বরেকর্ড গড়ল এলেনা

ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটের ক্ষেত্রে, বয়স কম উদীয়মান ক্রিকেটারদের অন্যদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রাখে। এটি তাদের ভবিষ্যৎ জীবন বদলে দেওয়া এবং কোটি টাকার আইপিএলে দল পাওয়ার চুক্তির দৌড়ে অনেক বড় সুবিধা এনে দেয়।ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অব স্পোর্টস মেডিসিনের সভাপতি পিএসএম চন্দ্রন বলেন, “আধুনিক খেলাধুলার অন্যতম বড় অভিশাপ ডোপিংয়ের মতোই এই অপরাধেরও শাস্তি হওয়া উচিত।”ভারতে রোনালদোর বোন, হানিমুন নিয়ে জল্পনা চলছে।বয়স জালিয়াতি ব্যাপকভাবে চলছে এবং বর্তমান ব্যবস্থায় এটি বন্ধ করার জন্য একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো এই সমস্যা ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। ক্রিকেট বোর্ড সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা উদ্যোগী হলেও, অন্যান্য ফেডারেশনগুলোর কাছ থেকে আমাদের আরো জোরালো ভূমিকা দরকার। ডোপিংয়ের জন্য আমাদের এত কঠোর শাস্তি রয়েছে; তাহলে বয়স জালিয়াতির জন্যও কেন একই রকম শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে না, যোগ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলায় বাংলাদেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলায় বাংলাদেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান

ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইউরোপের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে।

৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্রান্সের প্যারিসের লা-বুর্জ্যে অনুষ্ঠিত মেলার ৫৯তম আসরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদক, ক্রেতা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন। এই মেলা আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

‘মেসে ফ্রাঙ্কফুর্ট’ আয়োজিত এবারের মেলায় প্রায় ৩৫টি দেশের ১ হাজার ৩০০টিরও বেশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ, চীন, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইতালির মতো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও সোর্সিং বাজারের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার সক্ষমতা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়।

মেলায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বাধুনিক পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করে। এর পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন, সম্ভাবনাময় নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে গঠনমূলক বৈঠক এবং নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মেলায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে।

তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের চাহিদা এবং সম্ভাবনা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্যাভিলিয়নেরও প্রশংসা করেন অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, ইপিবি প্যাভিলিয়ন বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যকে সমন্বিতভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থাপনের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের দৃশ্যমানতা এবং ব্র্যান্ড ইমেজ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিসের মতো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পৌরসভার সমস্যা সমাধানে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


পৌরসভার সমস্যা সমাধানে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের উদ্বোধন

ফেনী, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘মাই ফেনী’ চালু করা হয়েছে, যা ফেনী পৌরসভার নাগরিকদের সমস্যা সমাধান ও সকল সেবাসমূহ এক ক্লিকে তাদের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দেবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম এই অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পৌরবাসীকে দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করা বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকদের সমস্যা ও সেবাসমূহ ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, নাগরিকদের অভিযোগ জানানোই যথেষ্ট নয়, বরং সেগুলোর দ্রুত ও গুণগত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "প্রযুক্তি আমাদের কাজকে সহজ করেছে, তবে এর সুফল পেতে হলে সেবাদাতাদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি।" অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পৌর সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও স্মার্ট ফেনী গঠনে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘মাই ফেনী’ অ্যাপটি পৌরসভার ডিজিটাল সেবা প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে পৌরবাসীগণ এক ক্লিকেই তাদের নাগরিক সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং দ্রুত সেবা পাবেন।

ফেনী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা, ফেনী জেলা আইসিটি অফিসার সাইফ মো. জুলকার নাঈন চৌধুরী, ফেনী সদর উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. রাশেদুল আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কারিগরী সহায়তায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন ইনোভেশন আইটি’র সিইও খুরশিদ আলম।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাকির উদ্দিন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামছুদ্দিন, মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম. শরফত উল্যাহ চৌধুরীসহ ফেনী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে অ্যাপটির ব্যবহারবিধি এবং বিভিন্ন ফিচার প্রদর্শন করা হয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা নিষ্কাশন, সড়ক বাতি মেরামতসহ পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সরাসরি আবেদন ও তদারকি করা যাবে।

এ অনুষ্ঠানে ৩৬ বছর চাকুরি শেষে বিদায় নেয়া এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে সম্মাননা প্রদান এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা জেরে তেল-গ্যাস মজুতের পরিকল্পনায় এশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা জেরে তেল-গ্যাস মজুতের পরিকল্পনায় এশিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা টানা ছয় মাস ধরে অব্যাহত রয়েছে, যা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে, যা এশীয় দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এশীয় দেশগুলো দ্রুত জ্বালানি সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, তারা দাম বৃদ্ধির ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ, গাড়ির চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট দিন ভাগ করে দেওয়া এবং সরকারি কর্মীদের জন্য বাড়ি থেকে কাজ করার (ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম) পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এশিয়া ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনাকে মোকাবেলার জন্য একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে শুরু করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস নিজেদের অঞ্চলের কাছাকাছি কোথাও মজুদ রাখা। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজ-এর ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো পারুল বকশি বলেন, "এই সংকট দুই ধরনের ভিন্ন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করছে। এক, এমন অবকাঠামো যা ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এড়িয়ে চলে এবং দুই, এমন অবকাঠামো যা আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পুরোপুরি দূর করে।"

জাপানের কাছ থেকে এসেছে এই সংকটের প্রেক্ষাপটে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রস্তাবগুলোর একটি। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল থাকা সত্ত্বেও, দেশটি অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় এই সংকটটি ভালোভাবে সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে। কারণ, তাদের রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কৌশলগত তেল মজুদ।

টোকিও চায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোও তাদের এই পথ অনুসরণ করুক। গত এপ্রিলে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ১০ বিলিয়ন ডলারের ‘পাওয়ার এশিয়া’ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সংগ্রহে সহায়তা করা এবং দীর্ঘমেয়াদে কৌশলগত মজুদ গড়ে তুলতে সাহায্য করা।

সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান-কেন্দ্রিক সংঘাত শুরুর সময় ভিয়েতনামের জাতীয় মজুত ভাণ্ডারে মাত্র ৫ থেকে ৭ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো তেল ছিল। তবে, বাণিজ্যিক মজুত ও অন্যান্য উৎসের সরবরাহ বিবেচনায় নিলে, এই সময়সীমা আরও ৬৫ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারত।

মার্চের শুরুর দিকে, থাইল্যান্ডের সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে প্রায় ৬১ দিনের মজুত ছিল। যেখানে তাদের জন্য ন্যূনতম ২৫ দিনের মজুত রাখা বাধ্যতামূলক এবং ফিলিপাইনের বেসরকারি বাণিজ্যিক মজুতে ৫০ থেকে ৬০ দিনের সরবরাহ ছিল বলে ধারণা করা হয়। এই সবকটি পরিসংখ্যানই ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি’ (আইইএ)-র নির্ধারিত ৯০ দিনের ন্যূনতম মানদণ্ডের চেয়ে কম।

ব্যাংকক ও ম্যানিলায় এই যুদ্ধের ফলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত তেল মজুত ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নতুন করে গতি পেয়েছে। গত মাসে, ফিলিপাইনের একটি সংসদীয় কমিটি ৬০ দিনের সরকারি মজুত গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি বিল অনুমোদন করেছে। ব্যাংকক ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ম্যাভেরিক কনসাল্টিং গ্রুপ’-এর বেন কিয়াতকোয়ানকুল জানান, থাই কর্মকর্তারা উপদ্বীপজুড়ে অপরিশোধিত তেলের নতুন পাইপলাইন ও বিশাল সংরক্ষণাগার (ট্যাংক ফার্ম) তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। এর মাধ্যমে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে চাইছে থাইল্যান্ড।

দক্ষিণ এশিয়ায় এই যুদ্ধের ফলে ভারতও তার কৌশলগত তেল মজুত ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল’-এর তথ্য অনুযায়ী, মে মাস পর্যন্ত ভারতের কাছে প্রায় ৭৪ দিনের তেল মজুত ছিল এবং এর ৯০ শতাংশেরও বেশি ছিল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

জুলাই মাসে, ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন’ (ওএনজিসি) ঘোষণা দেয়, তারা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ১৭.৫ লাখ মেট্রিক টন (বা ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল) ধারণক্ষমতার একটি মজুতাগার গড়ে তুলবে; এর পাশাপাশি বিদ্যমান মজুত ভাণ্ডার আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন বাড়ানোর পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে।

এদিকে, এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সরবরাহকারীদের সাথে সরাসরি তেল সংরক্ষণের চুক্তি করার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস-এর জলবায়ু ও জ্বালানি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ ফেলো ক্লারা গিলিসপি বলেন, "জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুরের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব রয়েছে, যার লক্ষ্য হলো নিজেদের উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় জ্বালানি মজুত গড়ে তোলা।"

গিলিসপি আরও বলেন, এই তিনটি দেশের ক্ষেত্রেই বিদ্যমান মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কোনো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহের কথা শোনা গেছে। ভারতের সাথেও সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। নয়াদিল্লিভিত্তিক জননীতি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তাদের প্রতিষ্ঠান ‘আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি’ ইতোমধ্যেই সিঙ্গাপুর, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে তেল মজুত করে রেখেছে; পাশাপাশি কুয়েত ও সৌদি আরবও দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে তাদের মজুত গড়ে তুলেছে।

অ্যাডনক ভারতে তাদের অপরিশোধিত তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়িয়ে ৩ কোটি (৩০ মিলিয়ন) ব্যারেলে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। অন্যদিকে, ভারত সরকার হরমুজ প্রণালির মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকীর্ণ পথের বাইরে অর্থাৎ ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে তাদের কৌশলগত মজুতের একটি অংশ রাখার প্রস্তাব বিবেচনা করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সিউল তাদের প্রায় ১৪ কোটি ৬০ লাখ (১৪৬ মিলিয়ন) ব্যারেল তেলের মজুত আরও ৩ থেকে ৪ কোটি (৩০-৪০ মিলিয়ন) ব্যারেল বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। অথচ শুরুতে তাদের অতিরিক্ত ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ব্যারেল মজুত করার পরিকল্পনা ছিল। হংকংভিত্তিক ‘লানতাউ গ্রুপ’-এর চীনা জ্বালানি নীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডেভিড ফিশম্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল ব্যবহারকারী দেশ চীনে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি এই বিশ্বাসকে আরও জোরালো করেছে, দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তায় অবশ্যই বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।

তেল ও গ্যাস খাতের উন্নয়নে বেইজিংয়ের সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (যা ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নীতি নির্ধারণ করবে) গভীর সমুদ্রে খনন কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি আরও পাইপলাইন স্থাপন এবং এলএনজি মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাইপলাইন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান 'পাইপচায়না' মে মাসে জানিয়েছিল, তারা তাদের প্রায় ৪০টি তেল ও গ্যাস প্রকল্পের মধ্যে ৯,০০০ কিলোমিটার (৫,৫৯০ মাইল) অভ্যন্তরীণ পাইপলাইনও অন্তর্ভুক্ত নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করছে।

যদিও এই পরিকল্পনাগুলোর খসড়া ইরান-সংঘাত শুরুর আগেই তৈরি করা হয়েছিল। তবে ফিশম্যানের মতে, এই সংঘাত এ ধরনের বিনিয়োগের যৌক্তিকতাকে আরও জোরালো করেছে। ফিশম্যান বলেন, "পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খসড়ায় এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার পেছনে হরমুজ প্রণালি ঘটনা সরাসরি কোনো কারণ না হলেও, এটি নীতিনির্ধারকদের কাছে নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করেছে তাদের চিন্তাধারা সঠিক এবং দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা নিয়ে তাদের ধারণাগুলোও যথার্থ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।"

তিনি আরও বলেন, জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানির অতিরিক্ত বা বাড়তি মজুদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে খরচ বা শ্রম নিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে যে সংশয় বা অনিশ্চয়তা ছিল, তা নিশ্চিতভাবেই এখন আর নেই। অক্সফোর্ডের বকশি বলেন, পুরো অঞ্চলজুড়ে একটি সাধারণ বিষয় বা লক্ষ্য হলো কোনো একটি নির্দিষ্ট জ্বালানি উৎস, সরবরাহকারী বা গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথ বা চোকপয়েন্ট-এর ওপর অতি-নির্ভরতা কমিয়ে আনা।

বকশি বলেন, জ্বালানির পরবর্তী চালান বা ব্যারেলটি কোথা থেকে আসবে কেবলমাত্র সেই প্রশ্নটিই এখন আর যথেষ্ট নয়। আমাদের আরও প্রশ্ন করতে হবে, জ্বালানিটি কীভাবে গন্তব্যে পৌঁছাবে, এটি ছাড়া আমরা কতদিন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারব এবং সেই জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা আমরা পুরোপুরি কমিয়ে আনতে পারব কি না।

সূত্র: আলজাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%