শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৩ এম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো দুটি হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ইরানে জাতিসংঘের সত্যতা যাচাই মিশনের বরাতে উঠে এসেছে তথ্যটি। ওই দুটির একটি হলো– স্কুলে হামলা, আর দ্বিতীয়টি ক্রীড়া প্রাঙ্গণে হামলা। পাশাপাশি ইরানের কর্তৃপক্ষ নিজ দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে বলেও উল্লেখ করেছে জাতিসংঘের মিশন।
তদন্তে উঠে আসা তথ্যগুলো প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশ করেছে ইনডিপেনডেন্ট ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন অন ইরান। প্রতিবেদনটি জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। গোটা তদন্তটি করা হয়েছে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে মার্কিন কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধের আগে
গত ডিসেম্বরে সংঘটিত বিক্ষোভে ইরান সরকারের প্রতিক্রিয়া কী ছিল– তা জানতে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ইরান ও জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মিশন কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, সশস্ত্র সংঘাতের নিয়ম মেনেই তারা সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন। অন্যদিকে ইরানও বারবার পদ্ধতিগত অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।
স্কুলে ও ক্রীড়া প্রাঙ্গণে হামলা
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিনাব শহরের শাজারেহ তায়েবেহ প্রাইমারি স্কুলে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দায়ী এমন যুক্তিসংগত কারণ পেয়েছে তারা। ইরানের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যানুসারে, সেখানে ১৫০ জনেরও বেশি নিহত হয়, যার মধ্যে প্রায় ১২০ জন স্কুল শিক্ষার্থী।
জাতিসংঘ মিশনের দেওয়া তথ্যানুসারে, হামলাটি নির্বিচার আক্রমণের কাতারে পড়ছে। এতে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও বেসামরিক স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র তথ্য যথেষ্ট যাচাই করেনি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার সেখানে রয়েছেন– এমন তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন বাহিনী সেখানে আঘাত হানে। তদন্তকারীরা বলেছেন, হামলার লক্ষ্যবস্তুর তথ্য হালনাগাদ না করা ও অবকাঠামোটির সামরিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়ার বিষয়টি অবহেলার চেয়েও বড় কিছু।
অভিযোগ রয়েছে, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের ফারস প্রদেশের লার্মেদ শহরে ক্রীড়া প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলাও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ মিশন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই হামলায় আশপাশের আবাসিক ভবনসহ কয়েকটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ২২ জন বেসামরিক মানুষ হতাহত হন। এটিও নির্বিচার হামলার সমতুল্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) গত মার্চে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, সেদিন তাদের পক্ষ থেকে লার্মেদ শহরে কোনো হামলা চালানো হয়নি।
ইরানের মানবতাবিরোধী অপরাধ
ইরানে গত ডিসেম্বরে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। সে বিক্ষোভ দমনে কঠোর হতে দেখা যায় সরকারকে। প্রচুর বিক্ষোভকারী দমনপীড়নের শিকার হন।
সে সময় বেআইনি হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, নির্বিচারে আটক, জোরপূর্বক গুম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের মতো ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তদন্তকারীদের মতে, এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের সমতুল্য।
ইরানের সরকারি হিসাব অনুসারে, বিক্ষোভের সময় তিন হাজার ৩৮ জন নিহত হয়েছিল। আহতের সংখ্যা ২৫ হাজার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক শর্মা একটি দুর্দান্ত প্রদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মাত্র ৩০ বল খেলে শতরান অর্জন করেন। এর ফলে তিনি রেকর্ডবইয়ের পাতায় ঝড় তুলেছেন। গড়েছেন এমন অন্তত ৫টি রেকর্ড যা ক্রিকেট ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি।
টি-টোয়েন্টিতে পূর্ণ সদস্য দেশের ব্যাটার হিসেবে এটি ছিল দ্রুততম সেঞ্চুরি। এটি এখন টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম শতক হিসেবে স্থান পেয়েছে। এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২৭ বলে এবং তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ ২৯ বলে সেঞ্চুরি করে তার আগে আছেন। অভিষেকের আগে পূর্ণ সদস্য দেশের ব্যাটারদের মধ্যে এই রেকর্ড ছিল জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা এবং নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেনের। তারা দুজনেই ৩৩ বলে শতক করেছিলেন।
বল এবং ওভারের হিসাবেও অভিষেক এখন শীর্ষে। তিনি মাত্র ৮.৩ ওভারে শতরান পূর্ণ করেছেন। এটি পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এর আগে এই রেকর্ডটি তার নিজেরই ছিল। গত বছর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি ১০.১ ওভারে শতক করেছিলেন।
অভিষেকের ইনিংসে বাউন্ডারির সংখ্যা ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। তিনি ১০৮ রানের মধ্যে ১০২ রানই করেছেন চার এবং ছক্কা থেকে। তার ইনিংসে ছিল নয়টি চার এবং এগারোটি ছক্কা। শতকরা হিসাবে এটি ৯৪.৪৪ শতাংশ। কোনো টি-টোয়েন্টি শতকে এত বেশি রান বাউন্ডারি থেকে আসার নজির আর নেই।
পাওয়ারপ্লে শেষে অভিষেক ছিলেন ২২ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত। তথ্য পাওয়া যায় এমন সব টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে এটি এখন সর্বোচ্চ। এর আগে এই রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ ঘোলিয়ার। তিনি মাল্টার বিরুদ্ধে ২৫ বলে অপরাজিত ৭৪ রান করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার ট্র্যাভিস হেডের ২২ বলে ৭৩ রান আছে তালিকার তিন নম্বরে।
অভিষেক মাত্র ১৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন। এই নিয়ে তিনি ছয়বার ২০ বল বা তার কমে পঞ্চাশ রান করেছেন। এই তালিকায় তিনি অনেক এগিয়ে। যুবরাজ সিং, কলিন মুনরো, ফিন অ্যালেন, দাসুন শানাকা এবং সোয়াজিল্যান্ডের আদিল বাট প্রত্যেকে এটি করেছেন তিনবার করে। এছাড়া তিনি পঞ্চমবারের মতো প্রথম ছয় ওভারের মধ্যে পঞ্চাশ রান করলেন। পূর্ণ সদস্য দেশের অন্য কোনো ব্যাটার এটি দুইবারের বেশি করতে পারেননি।
সিরিজ শুরুর আগে বৈভব সূর্যবংশী এই ভূমিকায় আলোচনায় ছিলেন। তবে এই ইনিংসের মাধ্যমে অভিষেক শর্মা এখন সকল আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ওন্দো রাজ্যে সন্দেহভাজন বিষাক্ত মদ পান করার ফলে অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় ১৭০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
৫ সেপ্টেম্বর, রাজ্যের ওদিগবো ও আরারোমি-ওবু এলাকায় স্থানীয়ভাবে তৈরি অ্যালকোহল পান করার পর এই ঘটনা শুরু হয়। পরে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে পাশের ইরেলে এলাকায়, যেখানে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে দৃষ্টিশক্তি হারানো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি ওই পানীয়তে বিষাক্ত মিথানল মিশে যাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষাক্ত পদার্থের সুনির্দিষ্ট উৎস এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
ঘটনার পর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আক্রান্তদের চিকিৎসা ও নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আগের সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা ছিল ৪৮ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৮২ জন। তবে পরবর্তী সময়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি সংকটের কারণে গাজার কুয়েত হাসপাতাল আগামী রোববার থেকে অধিকাংশ চিকিৎসাসেবা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল জরুরি রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে। এই তথ্যটি আলজাজিরা সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
গাজার অন্যতম বৃহৎ হাসপাতালটি তাদের পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে অবহিত করেছে।
জ্বালানি সংকটের ফলে অস্ত্রোপচার, প্রসূতি সেবা, বহির্বিভাগ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অ্যাম্বুলেন্স এবং রোগী পরিবহন সেবা বন্ধ থাকবে। তবে সাধারণ জরুরি বিভাগ ও প্রসূতি জরুরি বিভাগ চালু রাখা হবে।
গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার মধ্যে এই ঘোষণা এসেছে। বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, জ্বালানি, ইঞ্জিন তেল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের অভাবে কয়েকটি হাসপাতালের জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট জেনারেটরগুলোও সার্বক্ষণিক চালু থাকায় সব জীবন রক্ষাকারী বিভাগে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এর কয়েক দিন আগে খান ইউনিস এলাকার নাসের হাসপাতালের কর্মীরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিভিন্ন ভবনে পালাক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। হাসপাতালটির চারটি জেনারেটরের মধ্যে একটি ইতোমধ্যে অচল হয়ে পড়েছে।
কুয়েত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, সেবা বন্ধ হলে প্রতিদিন হাজারো ফিলিস্তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের নতুন বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় দলের ভূমিকা নিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রতিটি উদ্যোগই থমকে গেছে। বইটির নাম ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ এবং এতে এসব ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।
রাজ্জাকের বর্ণনায়, প্রথমবারের মতো ১৯৯৪ সালে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধারের পর ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি প্রস্তাব দেন যে, নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার পর গোলাম আযম যেন একাত্তরের বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দেন। যদিও নীতিগতভাবে প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন, বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গোলাম আযম সাধারণভাবে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। তিনি বলেন, ‘অতীতে যদি আমি কোনো ভুল করে থাকি, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করবেন।’ রাজ্জাকের মতে, এটি ছিল নিতান্তই দায়সারা।
২০০১ সালে চারদলীয় জোটের নির্বাচনী বিজয়ের পর দ্বিতীয় বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপক– আফতাব আহমেদ, এম মাহবুবউল্লাহ ও আবদুর রবের সহযোগিতায় সাতটির বেশি খসড়া তৈরি করে নেতারা এক বিবৃতিতে ঐকমত্যে পৌঁছান। কিন্তু ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী মত পরিবর্তন করেন, যা রাজ্জাক উল্লেখ করেছেন। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাজ্জাককে জানান, তার ধারণা, এই পরিবর্তনটি নিজামী করেছিলেন কোনো প্রবীণ নেতার পরামর্শে, যার নাম কখনো প্রকাশ করা হয়নি।
২০০৫ সালে বিষয়টি দলের ওয়ার্কিং কমিটিতে তোলা হলে কণ্ঠভোটে তা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রত্যাখ্যাত হয়। বিরোধীরা যুক্তি দেন যে, পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ভুল ছিল না এবং ক্ষমা চাইলে পাকিস্তান অসন্তুষ্ট হবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন এক সাবেক সংসদ সদস্য। রাজ্জাক পরে লিখেছেন যে, ইতিহাস প্রমাণ করেছে সেই আশঙ্কা ভিত্তিহীন ছিল।
২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত একাধিকবার আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি দল। ২০১১ সালে মজলিশে শুরার শেষ উন্মুক্ত অধিবেশনেও রাজ্জাকের প্রস্তাব গুরুত্ব পায়নি। ২০১৬ সালে নেতাদের ফাঁসি কার্যকরের পর নতুন নেতৃত্বের সময়ও একটি খসড়া তৈরি হয়, বিদেশি আইনজীবী টবি ক্যাডম্যানের সহায়তায় একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু সেটিও প্রকাশের মুখ দেখেনি।
রাজ্জাকের মূল্যায়ন হলো, প্রতিবারই দলের ভেতরের প্রভাবশালী একটি অংশ হস্তক্ষেপ করে উদ্যোগ থামিয়ে দিয়েছে। তার মতে, একাত্তরের ভূমিকা আজও জামায়াতের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে রয়ে গেছে—দুই দশকে অর্ধডজনের বেশি খসড়া বিবৃতি তৈরি হলেও একটিও প্রকাশিত হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ