০৩:০৬ এম
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে দিয়ে রাজধানী তেহরানে একটি সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে রাখা হয়। কালো পোশাক পরিধান করা শোকাহত মানুষ কাঁধে করে তার কফিন বহন করেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানকার স্থানীয় জনগণের বিপুল সমাগম ঘটে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের আশাবাদ, আগামী সপ্তাহে দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জনশোক ও শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেবেন। খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন, তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
খামেনির কফিনের পাশে রাখা হয়েছে তার তিন বছর বয়সি নাতনি, জ্যেষ্ঠ কন্যা, জামাতা এবং পুত্রবধূর কফিনও। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারাও ২৮ ফেব্রুয়ারির একই হামলায় নিহত হয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। এ ছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান আহমদ ভাহিদিও যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন