বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ পি.এম
জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হলো Human Papillomavirus (HPV)-এর দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ। এই ক্যান্সার প্রতিরোধে আজ ৫ ই নভেম্বর সকালে নওগাঁ জেলা পুলিশের পুলিশ নারী কল্যাণ পুনাক, নারী পুলিশ সদস্য এবং পুলিশ পরিবারের নারী সদস্যদের জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন আয়োজন করে।
ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যালস এর সহযোগিতায় অত্যন্ত জন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি রাজশাহী মহোদয়ের সহধর্মিনী জনাব মিসেস শামীম আরা হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নওগাঁ মহোদয়ের সহধর্মিনী মিজ্ মুর্শিদা হক মুন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডা. মোসা আমিনা ফেরদৌস। গুরুত্বপূর্ণ এই ক্যাম্পেইনে পুলিশ সদস্য সহ পুলিশ পরিবারের ৮৬ জন নারী সদস্য জরায়ূ মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মহোদয় সহ বক্তাগণ বলেন জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। অথচ সময়মতো HPV টিকা গ্রহণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে এই ক্যান্সারের অধিকাংশ ক্ষেত্র প্রতিরোধ করা সম্ভব।
HPV (Human Papillomavirus) ভ্যাকসিন মূলত জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের একটি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়।
অনুষ্ঠানের প্রেজেন্টেশনে সভাপতি ডা. মোসা আমিনা ফেরদৌস, সহকারী অধ্যাপক (কমিউনিটি মেডিসিন) বলেন বাংলাদেশে নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে HPV টিকাদান একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং টিকার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য নওগাঁ জেলা পুলিশ এবং পুনাকে ধন্যবাদ জানান।
বুলবুল আহম্মেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় নতুন স্থাপিত সেনা ক্যাম্পের এক সদস্য নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নয়াপাড়া ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সশস্ত্র ডাকাত দলের তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তাদের অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ওই পাহাড়ি এলাকায় নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দায়িত্ব পালন অথবা অভিযান পরিচালনার সময় সেনাসদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা অতর্কিত গুলি চালায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে এক সেনাসদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে।
তবে নিহত সেনাসদস্যের নাম-পরিচয়, পদবি, ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় এবং সংঘর্ষের বিস্তারিত বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চরাঞ্চলের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ১৬১ জন সুবিধাভোগীর মাঝে হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। বিনামূল্যে এ সহায়তা পেয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সুবিধাভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উদ্যোগে গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি স্কুল মাঠে এসব হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৭৫ জনকে ২১টি করে মুরগি এবং ৮৬ জনকে ২৫টি করে হাঁস দেওয়া হয়। উপজেলার গোপালপুর ও টগরবন্দ চরাঞ্চলের নির্বাচিত অসহায় পরিবারগুলো এ সহায়তা পায়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাস চন্দ্র সেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে অসহায় পরিবারগুলো নিজেদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারবে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাস চন্দ্র সেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই প্রতিরোধের মাধ্যমে হাঁস-মুরগি পালনকে আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
হাঁস-মুরগি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে কয়েকজন সুবিধাভোগী বলেন, এ সহায়তা তাদের সংসারে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করবে। হাঁস-মুরগিগুলো যত্নসহকারে লালন-পালন করে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করবেন তারা।
সংশ্লিষ্টদের এমন উদ্যোগে চরাঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নাচোল উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসগার হাসান। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং একটি আধুনিক ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষে তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
দল-মত নির্বিশেষে নাচোল উপজেলার সকল স্তরের জনসাধারণকে ভেদাভেদ ভুলে এই মহতী উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
উদ্যোগসমূহ এক নজরে:
১. আইনি সহায়তা প্রদান ও পূর্ববর্তী সমাধান:আইনি জটিলতায় পড়া সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে অভিজ্ঞ আইনজীবীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও, আদালতের বারান্দায় যাওয়ার আগেই উভয়পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২. ডিজিটাল ভূমি পরিমাপ সেবা:
জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ এড়াতে এবং সঠিক মাপজোখ নিশ্চিত করতে স্বল্পমূল্যে ও দ্রুততম সময়ে নিখুঁত ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমি পরিমাপের আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৩. মাদকমুক্ত তারুণ্য গঠনে বিশেষ পদক্ষেপ:
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদকাসক্তি থেকে তরুণ সমাজকে ফিরিয়ে এনে সুস্থ ও সুন্দর জীবনে পুনর্বাসিত করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪. স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি:
জরুরি মুহূর্তে মানুষের জীবন বাঁচাতে এলাকার তরুণদের নিয়ে একটি সক্রিয় রক্তদান দল গঠন করা হয়েছে। অল্প পরিসরে শুরু হওয়া এই রক্তদান কার্যক্রমে তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
"আসুন, দল-মত নির্বিশেষে দলীয় সীমানা পেরিয়ে নাচোল উপজেলার প্রতিটি মানুষ একসাথে মিলে একটি সুন্দর ও সেবাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি।" — আসগার হাসান
উদ্যোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত আপডেট খুব শীঘ্রই জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।
যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ করুন:
📞 মোবাইল: ০১৭৪৪-৩৫৩০৩৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে শিল্প প্রসারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এর মাধ্যমে দেশের যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন সাধিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড় এলাকায় এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা সরকার গঠন করতে পারলে দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা মিল-কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, খুলনা এক সময় শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে অনেক মিল-কারখানা ছিল; কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা বাগেরহাট, খুলনা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে শুরু করে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চাই। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বছরের পর বছর অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সমস্যা সমাধান, শিল্পের প্রসার এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। তবে সম্প্রতি ঢাকার কিছু এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দাবি-দাওয়া রয়েছে। এসব দাবি পর্যালোচনার জন্য সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ড ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হবে।
শ্রমিকদের দাবি-দাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি মহল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, কোনো শ্রমজীবী মানুষ নিজের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে পারেন না। কিন্তু বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখা গেছে, কিছু লোক কারখানায় গিয়ে ভাঙচুর করছে এবং গাড়ি ও যন্ত্রপাতি ধ্বংস করছে।
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় ৫০ বছরে দেশে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প গড়ে উঠেছে। এসব শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। একটি মহল নিজেদের স্বার্থে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে চায়। যারা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল এবং দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছিল, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরও সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিল-কারখানাগুলো দেশের সম্পদ, দেশের মানুষের সম্পদ এবং শ্রমিকদের সম্পদ। এসব কারখানা ধ্বংস হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিকেরা। তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির নেতা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে পথসভায় উপস্থিত ছিলেন- নৌপরিবহণ, সড়ক পরিবহণ ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, বিএনপি নেতা কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, সোমনাথ দে প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ