বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি শিক্ষা এবং গবেষণায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির (সিএইউ) মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে সিএইউ হাব ফর কান্ট্রি অ্যান্ড রিজিয়ন স্টাডিজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় বাকৃবির উপাচার্যের কার্যালয়ে এই সমঝোতা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। পরে কৃষি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় সিএইউ হাব উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকবৃন্দ।
এই চুক্তির মাধ্যমে চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার এবং বাকৃবির কৃষি অনুষদ ও কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের মধ্যে একাডেমিক এবং গবেষণা সহযোগিতার জন্য নতুন ক্ষেত্র তৈরি হলো। সমঝোতা স্মারক এবং সিএইউ হাব প্রতিষ্ঠার স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের এবং কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, এ সমঝোতার আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সেমিনার তথা সম্মেলনের আয়োজনসহ বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি বাকৃবি থেকে চারজন শিক্ষার্থী চীনে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। নতুন উদ্বোধন হওয়া সিএইউ হাব এসব কার্যক্রমের সমন্বয় এবং বাস্তবায়নের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। এছাড়া চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার-এর অধ্যাপক ড. শিওলি জু ও অধ্যাপক ড. চুয়ানহং ঝাং এবং বাকৃবির অন্যান্য অনুষদের ডিনবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় একটি রূপান্তরমুখী এবং সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়তে ভূমিকা রাখতে পারবে। এর ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং মানুষের জীবিকার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, মানসম্মত গবেষণা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই সমঝোতা স্মারক সেই গবেষণাকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ চুক্তির মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ই উপকৃত হবে এবং নতুন প্রজন্ম আরও জ্ঞানসমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি হলেও এই সহযোগিতা দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জে প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থ মানুষদের জন্য অর্থ এবং চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়াও, ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য প্রযুক্তিসেবা প্রকল্পের মাধ্যমে মৎস্য ও ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা হলরুমে এই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হুইপ মোঃ আলহাজ্জ জি কে গউছ। তিনি জানান, এসব বিতরণ তিনি করেন।
এই প্রকল্পের আওতায় ২৫ জন মৎস্য চাষীকে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়।
এছাড়া, ৪ হাজার ৯শ ২৫ জনকে গাছের চারা বিতরণ এবং নগদ ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথি হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হুইপ মোঃ আলহাজ্জ জি কে গউছ বলেন, "আমরা যেন দল এবং ভিন্ন ভিন্ন পেশার মানুষ ভালো থাকতে পারি, তাই অসহায় পরিবারগুলোর মধ্যে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে মাছ, ছাগল, গাছের চারা তুলে দেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যাটোভুক্ত দেশ সুইডেনে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাসে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি ড্রোন যন্ত্র থেকে লাল রং দ্বারা ভর্তি একটি বাক্স ফেলা হয়েছে এবং আরেকটি ড্রোনের মাধ্যমে একটি নকল বিস্ফোরকও ফেলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, দূতাবাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সুইডেনে রাশিয়ার দূতাবাস ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। একটি কোয়াডকপ্টার দূতাবাসের প্রাঙ্গণে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলেছে। আরো একটি ড্রোনে সংযুক্ত একটি নকল বিস্ফোরক যন্ত্র দূতাবাস ভবনের ঠিক পাশের স্থানে পড়ে গেছে।”
অন্যদিকে, দূতাবাস এ ঘটনাকে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি প্রকাশ্য প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা এও জানিয়েছে যে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং এর পরিণতির পূর্ণ দায় সুইডেনের উপর বর্তায়।
এর আগে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশন জানিয়েছিল যে, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাশিয়ার কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোতে ১৫টির বেশি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে গেছে। দূতাবাসের দাবি, কয়েকটি ঘটনার সময় ভারী কাচের পাত্রে রং বহন করা হয়েছে, যা বিধ্বস্ত হলে কাচের টুকরা এবং ভারের কারণে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি সৃষ্টি করেছিল।
রাশিয়া জানিয়েছে, প্রতিটি হামলার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তারা একটি কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এবং একই ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন যে, সুইডিশ কর্তৃপক্ষের নীরব সমর্থনের মাধ্যমে সুইডেনে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনে এসব ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে সুইডেনকে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে অর্জন করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালের একই মাসে এই আয় ছিল ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলার। ফলে, এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।
তবে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) পুরো সময়কালে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ, বার্ষিক হিসাবে রপ্তানি আয় সামান্য কমেছে।
ইপিবির বক্তব্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, জ্বালানি বাজারের অস্থিতিশীলতা এবং প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে চাহিদা কম থাকা সত্ত্বেও আগের অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি আয় ধরে রাখা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা এবং অভিযোজন ক্ষমতার প্রমাণ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক খাত জুন মাসে মোট ৩৩৯ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা আগের বছর একই মাসের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের জুনে এই খাতের আয় ছিল ২৭৯ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বুনন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ।
জমা হয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বৃহৎ অংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে, জুন মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে এসব খাতের জন্য রপ্তানি আয় ১২৩ কোটি ডলার, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
একই সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি জুনে বেড়েছে ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থবছরের জন্য এই খাতের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।
হোম টেক্সটাইল খাতে জুনে রপ্তানি বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং সম্পূর্ণ অর্থবছরে এটা বেড়েছে ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি জুনে বেড়েছে ৪৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং অর্থবছরের উপর ভিত্তি করে বেড়েছে ২১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এছাড়াও, কৃষিপণ্যের রপ্তানি জুন মাসে ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশভিত্তিক বাজার অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখানে রপ্তানি হয়েছে ৯০৫ কোটি ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হিসাবে যথাক্রমে জার্মানি এবং যুক্তরাজ্য তাদের স্থান ধরে রেখেছে। জুন মাসে বাংলাদেশে শীর্ষ ২০টি রপ্তানি গন্তব্যেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
ইপিবি আশা করছে, রপ্তানি পণ্য এবং বাজারের বহুমুখীকরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে এবং এটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে মোংলায় বিশেষ ম্যানগ্রোভ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
ব্র্যাক জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির অধীনে এবং ড্যানিশ মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স-এর অর্থায়নে ‘রেইন ফর লাইফ প্রোজেক্ট’-এর আওতায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলার চিলা ইউনিয়নের কলাতলা গ্রামের পশুর নদীর পাড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে উপকূলের মানুষ এবং বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় বনাঞ্চলে মোট ৩৫ হাজার চারা রোপণ এবং বীজ বপন করা হবে।
এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর কেন্দ্রীয় নেতা ও পরিবেশযোদ্ধা মো. নূর আলম শেখ এবং ব্র্যাক প্রকল্পের অপারেশন ম্যানেজার প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস।
এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী জানিয়েছেন, সরকার আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে।
মোংলা উপজেলা অত্যন্ত জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় এখানে বনায়ন খুবই জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ব্র্যাকের এই ম্যানগ্রোভ বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি উপকূলের মানুষ ও প্রকৃতি রক্ষায় গাছ রোপণের পাশাপাশি তা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ