ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপানকে হারিয়ে ব্রাজিল শেষ ষোলোতে


জাপানকে হারিয়ে ব্রাজিল শেষ ষোলোতে

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল।

হিউস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় তুলে নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল, তবে প্রথম গোলটি পায় জাপান।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করিয়ে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা

তবে পিছিয়ে পড়ার পর খুব দ্রুতই ছন্দে ফেরে ব্রাজিল।

একবারে একাধিক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে সমতায় ফেরে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে সেলেসাওরা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জয়সূচক গোল করে ব্রাজিল, ফলে ২-১ ব্যবধানে জয় সম্ভব করে তারা।

আরও পড়ুন: ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে পড়ল বাংলাদেশ

এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল।

নকআউট পর্বে শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকতে তারা আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।

অন্যদিকে, লড়াই করেও পরাজয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলো জাপানের।

এখন শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে টুর্নামেন্টের সূচি অনুযায়ী।

আরও পড়ুন: সিজেপির দুই মুখপাত্র এক সপ্তাহ পর মুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগলের শেয়ার বাজারে বড় চমক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৯ এম


গুগলের শেয়ার বাজারে বড় চমক

গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট এবার শেয়ার বাজারে আরও বড় একটি জায়গায় পা রাখল। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শেয়ার বাজার সূচক ‘ডাও জোন্স’-এ কোম্পানিটি যুক্ত হয়েছে। এই যুক্ত হওয়ার ফলে শেয়ার বাজারে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দাপট ও গুরুত্ব আরও পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

আলোচ্য সূচকে অ্যালফাবেট স্থান পেয়েছে টেলিকম কোম্পানি ভেরিজনকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। ডাও জোন্সে যুক্ত হওয়ার পর পরই, সোমবার অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম একলাফে ৪.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে যায়। প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়ায় ৩৪৯.৯৭ ডলারে।

ডাও জোন্স ১৩০ বছরের পুরনো একটি সূচক হিসেবে পরিচিত। অ্যালফাবেট যুক্ত হওয়ায় এই সূচকে এখন প্রযুক্তির প্রভাব অনেক বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের মতো বিষয়গুলোর গুরুত্ব এখানে আরও দৃশ্যমান হবে।

বিশ্বের শীর্ষ সাতটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে একত্রে ‘ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেন’ বলা হয়। এখন ডাও জোন্সে এই সাতটির মধ্যে পাঁচটি কোম্পানি জায়গা করে নিয়েছে। অ্যালফাবেটের পাশাপাশি এখানে আছে এনভিডিয়া, অ্যামাজন, অ্যাপল এবং মাইক্রোসফট।

২০২৬ সালে অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে গেছে। বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে এটি নিঃসন্দেহে ভালো অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ডাও জোন্স থেকে বাদ পড়ার পর ভেরিজন কোম্পানির শেয়ারের দাম ৭.৮ শতাংশ কমে গেছে। বর্তমানে তাদের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪২.০৩ ডলারে নেমে এসেছে। ডাও জোন্সে যদিও খুব বেশি কোম্পানি নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারের অবস্থা বুঝতে অন্যান্য সবাই এই সূচকের দিকেই নজর রাখেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজিদ ও রিফাত ডিইউডিএস-এর সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


সাজিদ ও রিফাত ডিইউডিএস-এর সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন

ঢাকা, ২৯ জুন, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বিতর্ক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (ডিইউডিএস) ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাজিদ হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মিফতাহুল জান্নাত রিফাত।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

আজ সোমবার রাতে, ডিইউডিএস-এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা ফলাফল ঘোষণা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী নির্বাচন কমিশনার জুবায়ের হোসেন ও রাগীব আনজুম, নির্বাচন সচিব মো. সাব্বির হোসেন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি।

সভাপতি মো. সাজিদ হাসান প্রাচীন ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী।

সাধারণ সম্পাদক মিফতাহুল জান্নাত রিফাত মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিতা’ নাম নিয়েছেন? ধর্ম পরিবর্তনের গুঞ্জনে মুখ খুললেন উর্ফী জাভেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


রিতা’ নাম নিয়েছেন? ধর্ম পরিবর্তনের গুঞ্জনে মুখ খুললেন উর্ফী জাভেদ

একটি নেটপ্রভাবী অভিযোগ করেছিলেন যে, উর্ফী ধর্ম পরিবর্তন করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন। তিনি এমনকি উল্লেখ করেছেন যে, উর্ফী নাকি এমন পোশাক পরিধান করেন যা তাঁকে ‘অর্ধনগ্ন’ দেখায়।

ধর্ম পরিবর্তন করার বিষয়টি বর্তমানে আলোচনায় এসেছে উর্ফী জাভেদ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের একটি ভিডিয়োয় দাবি করেছেন এক নেটপ্রভাবী, যার নাম মিতা চৌধরী। ওই মহিলা দাবি করেন নিজেকে প্রাক্তন সাংবাদিক হিসেবে। তবে উর্ফী এর বিরুদ্ধে সরাসরি জবাব দিয়েছেন।

মিতা আবার বলেন যে, উর্ফী হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নাম বদলে রিতা ভরদ্বাজ হয়েছেন। এই কারণে, তার দাবি, উর্ফী ধর্ম পরিবর্তন করেছেন এবং মুসলিম থেকে হিন্দু হয়ে গেছেন। উর্ফীও তাঁর বক্তব্যের জন্য নিশ্চুপ থাকেননি। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মিতার অপর ভিডিওটি শেয়ার করে উর্ফী লেখেন, “আন্টি, একটু খোঁজ নিন। আমি কোন দিনই আমার নাম বা ধর্ম পরিবর্তন করিনি। আমি ধর্মাত্মকভাবে বিশ্বাস করি না।”

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও জানান, “আমি শুধু পোশাকের দিক থেকে নগ্ন নই, বক্তৃতার দিক থেকেও আমি খুব নগ্ন এবং সোজাসাপটা। তবে এখন প্রত্যুত্তর দেওয়ার ইচ্ছে নেই। সমালোচনা করুন, কিন্তু মিথ্যা তথ্য প্রচার করবেন না।”

তিনি বলেন, “আমি লোকজনের কাছে কিছু বলতে পারব না, কারণ আপনি সম্পর্কে কারও কোনো আগ্রহ নেই।” উর্ফী আরও উল্লেখ করেছেন যে, মিতা তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করে কিছু মেসেজ পাঠিয়েছেন। নেটপ্রভাবী তাই মন্তব্য করেছেন, “মিতা আন্টি খুব খেপতে গিয়েছেন! উনি আমাকে এমন কিছু মেসেজ পাঠিয়েছেন যা অত্যন্ত উস্কানিমূলক ছিল। আমি সেগুলো প্রকাশ করতে পারি না। পরে তিনি সেগুলি ডিলিট করে আমাকে ব্লক করে দিয়েছে। তবে তাঁর তথ্য ত্রুটিপূর্ণ। আমার কোন অঙ্গ নকল নয়। উনার মুখে বয়সের ছাপ পড়েছে বলে তিনি এত কথা বলছেন।”

এখানেই থেমে থাকেননি উর্ফী। মিতাকে খোঁচা দিয়ে লেখেন, “আমি তাঁর প্রতি অসম্মানজনক কিছু বলতে চাই না। কারণ উনি আমার দাদুর মতো দেখতে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামমন্দির তহবিলে লুটপাটের পর দানে নারাজ ভক্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ এম


রামমন্দির তহবিলে লুটপাটের পর দানে নারাজ ভক্তরা

আমি ভগবান রামের ভক্ত, কিন্তু আমি আর মন্দিরে দান করব না। আমার বাবা, ঠাকুরদার স্বপ্ন ছিল রামের মন্দির হোক, সেটা পূরণ হয়েছে। তবে রামলালার জন্য ভক্তি আমি আলাদাভাবে প্রকাশ করব।” ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে এভাবে বলছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ও রাম ভক্ত প্রাচী খারে।

রামগোপাল গোয়েল নামে আরেক ভক্ত রাম মন্দির দর্শনে এসে বলেন, ভগবানের উদ্দেশ্যে দেওয়া দান এই বেইমানরা পকেটে ভরে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের আবেগের কোনো মূল্য তাদের কাছে নেই।

রাম মন্দিরে আর্থিক তছরুপ ও কেলেঙ্কারির বিভিন্ন রিপোর্ট সামনে আসার পরে প্রাচীর মতো অসন্তুষ্ট হয়েছেন বহু রাম ভক্ত। প্রাচী খারে ও রামগোপাল গোয়েলদের মতই বহু ভক্ত যারা চেয়েছিলেন অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হোক, তারা এখন নিজের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।

সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, ভক্তদের দান করা অর্থ, বহুমুল্য গয়না, সোনা, রূপার সামগ্রী তছরুপ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তিন সদস্যের বিশেষ টিম রিপোর্ট পেশ করেছে; যার উপর ভিত্তি করে অযোধ্যা পুলিশ আট জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

যদিও শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট সবরকম অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে ওই আটজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে বিবিসি হিন্দিকে জানিয়েছেন সিনিয়র পুলিশ অফিসার গৌরব গ্রোভার।

এই নিয়ে ইতোমধ্যে কড়া অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, অযোধ্যা সম্পর্কে যা খবর পাওয়া গেছে সেখানে আমরা এসআইটি গঠন করেছি। এসআইটি রিপোর্ট আসার সাথে সাথে আমাদের পূর্ণ তৎপরতায় কাজ শুরু হয়েছে। আমি আশ্বস্ত করতে আপনাকে বলতে পারি, এর শেষ দেখে ছাড়া হবে।

তিনি বলেন, জনগণের ধর্মীয় আবেগের সঙ্গে খেলা অগ্রহণযোগ্য। যদি কেউ এই বিশ্বাসের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলে, তাকে এর ফল ভোগ করতে হবে। কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।

অভিযোগটি ঠিক কী?

তীর্থযাত্রী সুবিধা কেন্দ্রে দানপাত্রগুলো নিয়ে যাওয়ার পর সেই ৪০টি দানপাত্র খুলে গণনা করার কাজ দেওয়া হয়েছিল একটি টিমকে। এফআইআরে যাদের নাম আছে, তারা সকলেই এই টিমেরই অংশ। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা মন্দিরের আমানত আত্মসাতের অভিযোগে তাদের ভূমিকা তদন্তকারী সংস্থাগুলো খতিয়ে দেখছে।

শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে রাম জন্মভূমি থানায় এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। এই মামলাটি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অন্তর্গত কর্মচারী কর্তৃক চুরি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সম্পর্কিত ধারায় নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এফআইআরে নাম থাকা ব্যক্তিরা হলেন ট vinnu যাদব, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, মনীশ যাদব, সুভাষ শ্রীবাস্তব, করুণেশ পান্ডে এবং রামশঙ্কর মিশ্র।

টিন্নু যাদব তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন, আর বাকিরা নগদ টাকা গণনার কাজে জড়িত ছিলেন। দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা ভক্তদের অনুদান আত্মসাৎ এবং ট্রাস্টের তহবিল অপব্যবহারের ষড়যন্ত্র করেছিল।

গত ১৩ জুন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ট্রাস্টের অনুরোধে এসআইটি গঠন করা হয়। এই কমিটির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিজয় বিশ্বাস পন্থ। প্যানেলে রয়েছেন অর্থ বিভাগের বিশেষ সচিব নীলরত্ন কুমারও।

এই ঘটনায় পদ্ধতিগত ত্রুটি চিহ্নিত করা এবং এর পেছনে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করার দায়িত্ব কমিটিকে দেওয়া হয়েছে।

অযোধ্যার মন্দিরে বিপুল দানের খতিয়ান

অযোধ্যার রাম মন্দিরে মূল মন্দির ছাড়াও মোট ছয়টি ছোট মন্দির রয়েছে। সব মিলিয়ে এই কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ আসেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রাম মন্দিরে দানের পরিমাণ ছিল, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৩০ কোটি টাকার কাছাকাছি। যা এই মন্দিরকে অর্থের নিরিখে ধনীতম মন্দিরগুলোর মধ্যে অন্যতম করে তুলেছে।

অযোধ্যার এক সাবেক জনপ্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাত কোটি টাকার সম্পত্তি নয়ছয় হয়েছে।

যদিও মন্দির কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সদ্য ইস্তফা দেওয়া বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা চম্পত রাই বলেন, অনুদান গণনার প্রক্রিয়া ও গণনা কক্ষসহ ট্রাস্টের যাবতীয় কার্যক্রম নিয়মিতভাবে ট্রাস্টি ও কর্মীদের পাশাপাশি স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কয়েকজন কর্মী নিরীক্ষণ করে থাকেন।

তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েক দিন ধরে চলে এবং বর্তমানে এভাবেই কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত কোনো গরমিল বা অসঙ্গতি নজরে আসেনি।

যদিও সর্বশেষ খবর যা পাওয়া গেছে, তাতে এই তছরুপের জেরে চম্পত রাইকে ৩ দিনের মধ্যে অযোধ্যা ত্যাগ করার হুমকি দিয়েছে বার অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়াও অযোধ্যার বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনো আইনজীবী লড়াই করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আটজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

যেভাবে সূচনা হলো কেলেঙ্কারির

ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত একটি মন্দিরে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মন্দিরটি এমন এক স্থানে অবস্থিত যা কয়েক দশক ধরে ভারতের অন্যতম প্রধান ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও আইনি বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

অনেক হিন্দু বিশ্বাস করেন, অযোধ্যা দেবতা রামের জন্মস্থান। এই ভূমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির নেতৃত্বে দেশজুড়ে চালানো জোরালো প্রচারণার জেরে ১৯৯২ সালে বহু হিন্দু কর্মী সমর্থকরা বাবরি মসজিদটি ভেঙে ফেলেছিল।

ভক্তদের দেওয়া অনুদান ও প্রণামী ব্যবস্থাপনায় কথিত অনিয়মের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন মহিপাল সিং, তিনি আগে ট্রাস্টের হিসাব বিভাগের তদারকি করতেন। তাকেই হুইসেলব্লোয়ার হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

সিং প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, উপহার হিসেবে পাওয়া নগদ অর্থ ও মূল্যবান ধাতু ব্যবস্থাপনার বিষয়ে অভ্যন্তরীণভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করার পরই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিবিসি হিন্দি তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রাণনাশের হুমকির কথা উল্লেখ করে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি বলেন, আমি প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছি। আমি প্রচণ্ড চাপ ও মানসিক উদ্বেগের মধ্যে আছি। এখন কোনো কিছু বলার মতো অবস্থায় আমি নেই। এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে আমি যা কিছু বলেছি, দয়া করে সেটুকুকেই আমার বক্তব্য হিসেবে গণ্য করবেন।

সিংহের উত্থাপিত বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়নি। তবে গত ৭ জুন বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। সেদিন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান।

সামাজিক মাধ্যমের একাধিক পোস্ট দিয়ে তিনি অনুদান ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি করেন এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

তার দলের সহকর্মী ও অযোধ্যার সাংসদ অবধেশ প্রসাদ দাবি করেন, বিষয়টি আদালতের তত্ত্বাবধানে গঠিত কোনো দলের মাধ্যমে তদন্ত করা উচিত। এছাড়া তদন্ত চলাকালীন ট্রাস্টের সদস্যদের তাদের পদ থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

বহু হিন্দু মনে করেন, যে জায়গায় রাম জন্মগ্রহণ করেছিলেন ওই মন্দিরটি ভেঙে ওই জায়গায় বাবরি মসজিদ স্থাপন করেছিলেন প্রথম মুঘল সম্রাট বাবর। এই নিয়ে ঐতিহাসিকভাবে ভারতে বহু জলঘোলা হয়েছে। ২০১৯ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ওই স্থানে হিন্দু পক্ষের দাবিকে মান্যতা দেয়। ২০২৪ সালে ওই স্থানে একটি রাম মন্দির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মন্দির নির্মাণ বিজেপি সরকারের প্রস্তাবিত কর্মসূচির একটি ছিল।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%