মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৪ পি.এম
দীর্ঘ ১১১ বছরের ব্যবধানে ইতালির জাতীয় দলের জার্সিতে একসঙ্গে মাঠে নামলেন দুই ভাই। উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে তুরস্কের বিরুদ্ধে পিও এস্পোসিতো এবং সেবাস্তিয়ানো এস্পোসিতোকে শুরুর একাদশে সুযোগ দেন আজ্জুরি কোচ রবার্তো মানচিনি। এই দুই ভাইয়ের মাধ্যমে এস্পোসিতো পরিবার বিশ্ব ফুটবলে একটি অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ইতালির সিনিয়র জাতীয় দলে তিন ভাইয়ের খেলার বিরল কীর্তি এখন শুধুমাত্র তাদের দখলে রয়েছে।
তুরস্কের বিরুদ্ধে ইতালির ৪-১ ব্যবধানের উড়ন্ত জয় নিশ্চিত করতে পিও এবং সেবাস্তিয়ানো শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন। ১৯১৫ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আলদো চেভেনিনি ও লুইজি চেভেনিনি একসঙ্গে ইতালির শুরুর একাদশে খেলেছিলেন। এরপর এক শতকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দুই ভাইকে আ্যজুরিদের একাদশে একসঙ্গে দেখা যায়নি। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফিলিপ্পো ইনজাঘি ও সিমোনে ইনজাঘি একসঙ্গে ১১ মিনিট মাঠে থাকলেও তারা মূল একাদশে ছিলেন না।
তবে ইনজাঘি কিংবা চেভেনিনিদের ছাড়িয়ে এস্পোসিতো পরিবার আরও বড় কীর্তি গড়েছে। পরিবারের বড় ভাই সালভাতোর এস্পোসিতো ২০২২ সালে মানচিনির অধীনেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ইতালির জার্সিতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এরপর জাতীয় দলের নীল জার্সিতে নাম লেখান ছোট দুই ভাই সেবাস্তিয়ানো ও পিও। ফলে ইতালির ফুটবল ইতিহাসে প্রথম পরিবার হিসেবে তিন ভাইকে জাতীয় দলে খেলানোর অসামান্য গৌরব অর্জন করল এস্পোসিতোরা।
অন্যদিকে, তুরস্কের বিপক্ষে এই বড় জয়টি কোচ রবার্তো মানচিনির জন্যও ছিল বেশ স্বস্তির। ইতালির ডাগআউটে পুনরায় ফেরার পর এটি তার প্রথম জয়। ম্যাচের প্রথমার্ধেই আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদে ফ্রাত্তেসি এবং অভিষিক্ত মাইকেল কায়োদের গোলের মাধ্যমে ইতালি ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
বিরতির পর ফিরতি বলে নিখুঁত হেডে দলের চতুর্থ গোলটি সম্পন্ন করেন পিও এস্পোসিতো। ২০১৯ সালের পর এই প্রথম ঘরের বাইরে অ্যাওয়ে ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে জিতল সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস মন্তব্য করেছেন যে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ বা ‘Fourth Estate’ ধারণা এখন কার্যকর নয়। তার মতে, গণমাধ্যমের কাজ শুধুমাত্র তথ্য প্রদান করা নয়, বরং জনমতকে নির্দিষ্ট দিকে প্রভাবিত করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন।
গ্রেগরি জে. সিমনস বলেন, পশ্চিমের গণমাধ্যম সম্পর্কে প্রচারিত কিছু আদর্শিক ধারণা, যেমন ‘চতুর্থ স্তম্ভ’, সম্পূর্ণরূপে নিরর্থক। উন্নত বিশ্বে কার্যকর কোনো ‘চতুর্থ স্তম্ভের’ ধারণা বর্তমানে মৃত।
তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিকল্প পরিসর তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রচলিত গণমাধ্যমের বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে টাকার কার্লসন ও জাজ নাপোলিটানোর মতো ব্যক্তিদের উদাহরণ দেন তিনি।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সিমনস বলেন, পশ্চিমে ধারণা দেওয়া হয় যে গণমাধ্যমের কাজ তথ্য জানানো। কিন্তু বাস্তবে তাদের কাজ হচ্ছে তথ্য জানানো নয়, বরং জনমতকে প্রভাবিত করা।
তার ভাষ্য, গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে জনমতকে এমন কিছু কর্মকাণ্ডের পক্ষে প্রভাবিত করতে, যেগুলোর নৈতিক, আইনি বা নীতিগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
যুদ্ধের ক্ষেত্রে তথ্য ও মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যেখানে তথ্যকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট উপায়ে ভাবানো এবং সেই অনুযায়ী কাজ করানো হয়।
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে সিমনস বলেন, যুদ্ধ শুধুমাত্র সামরিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; এর পাশাপাশি তথ্যের ক্ষেত্রেও লড়াই চলে। তার মতে, প্রতিপক্ষের বয়ান বা ‘ন্যারেটিভ’ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সংঘাতের ব্যাখ্যাও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
তিনি বলেন, "আপনি যদি পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে পারেন, তবে আপনি যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারবেন। আর যদি প্রতিপক্ষ আপনাকে সংজ্ঞায়িত করে ফেলে, তবে আপনি তাদের বর্ণনার কবলে বন্দী হয়ে পড়বেন।"
পশ্চিমা রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সিমনস। তিনি বলেন, "কোনো সাম্রাজ্য বা সভ্যতার পতনের অন্যতম লক্ষণ হলো রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়া।" ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্ব সম্পর্কেও তিনি একই ধরনের মন্তব্য করেন।
পশ্চিমা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৯০-এর দশকে পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদের শিল্প উৎপাদন বিদেশে স্থানান্তর করেছিল, যার সুবিধা পেয়েছে চীন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইউরেশিয়া অঞ্চলে গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি স্তম্ভ হলো রাশিয়া, চীন ও ইরান।
পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যম সম্পর্কে সিমনস বলেন, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যম নিজেদের কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেওয়ার পাশাপাশি তথ্যকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধার জন্য ব্যবহার করছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত করা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসের তুলনাও করেন তিনি।
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রসঙ্গে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন সিমনস। এসব বিষয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি।
তার দাবি, কৌশলগত লড়াইয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ইতিমধ্যেই হেরে গেছে। এ পরিবর্তনের পেছনে বিকল্প গণমাধ্যম ও গ্লোবাল সাউথের গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সক্ষমতা প্রসঙ্গে সিমনস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি নৌ ও বিমান বাহিনী। তার মতে, ইরানের মতো বড় ভূখণ্ডের একটি দেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের সামরিক সক্ষমতার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সংঘাত দুটি স্তরে পরিচালিত হচ্ছে। একটি হচ্ছে বাস্তব সামরিক যুদ্ধ এবং অন্যটি তথ্য ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতসহ ৫টি রাজনৈতিক দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম মনোনয়নপত্রগুলো যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ, ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন আসন্ন। জিততে হলে কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে হয়। ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যেন সেটিই করছেন। শেষ মুহূর্তে এসে কনফেডারেশনগুলোর দাবি তিনি মেনে নিচ্ছেন।
ফিফার আনুমানিক ৪.৪ বিলিয়ন পাউন্ডের বিশাল তহবিল থেকে সদস্য দেশগুলোর জন্য আরও বেশি অর্থ বরাদ্দের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইনফান্তিনো। গত সোমবার ৬টি মহাদেশীয় কনফেডারেশনে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে ফিফার পক্ষ থেকে। বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, যতটুকু সম্ভব, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সর্বোচ্চ অর্থ সাহায্য দেওয়ার পক্ষে তিনি সমর্থন জানাবেন।
চিঠিতে ইনফান্তিনো উল্লেখ করেছেন, ‘অর্থের পরিমাণ আগে থেকে ঠিক করে দিতে চাই না। আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক হতে পারে, তবে তা কখনোই পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক নীতি হতে পারে না। তাই সমস্ত প্রস্তাবনা একত্রিত করে একটি সমন্বিত মূল্যায়ন তৈরি করতে মহাসচিবকে নির্দেশ দিয়েছি, যা ফিফা কাউন্সিলের বিবেচনার জন্য পেশ করা হবে।’
ইউরোপীয় ফুটবলের গভর্নিং বডি উয়েফা এবং উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের সংস্থা কনকাকাফ—ফিফার ফান্ড থেকে ২১১টি সদস্য দেশের প্রতিটিকে ১০ মিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার যৌথ দাবি জানানো পর ইনফান্তিনোর এই চিঠি প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই প্রস্তাবটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্প্রতি ইনফান্তিনোকে নিজের প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) পরিকল্পনা চাপের মুখে বাতিল করতে বাধ্য হতে হয়েছে। বিশ্বকাপসহ অন্যান্য টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বা শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি, যা বিশ্ব ফুটবলে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছিল। তবে সেই প্রস্তাব বাতিল করেও চাপ থেকে মুক্তি পাননি তিনি।
সেই ব্যর্থ উদ্যোগের বিষয়ে আবারও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন ইনফান্তিনো। সুইস-ইতালিয়ান সংগঠক দাবি করেছেন, ফুটবলের সার্বিক উন্নয়নে অতিরিক্ত অর্থ আয়ের উদ্দেশ্যেই ওই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘সম্প্রতি প্রত্যাহার করা বাণিজ্যিক প্রস্তাবটির মূল লক্ষ্যই ছিল ফুটবলে ফিফার বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানো।’
আগামী ২০২৭ সালের মার্চে চতুর্থবারের মতো ফিফা সভাপতি নির্বাচনে লড়াই করার পরিকল্পনা রয়েছে ইনফান্তিনোর। সভাপতি পদে লড়ার জন্য ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে যানবাহন চলাচলের জন্য চারটি নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলার নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শর্তগুলো অমান্য করে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর ক্ষেত্রে চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সড়ক ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহনের জন্য এই শর্তগুলো বাধ্যতামূলক। যানবাহনের গতিসীমা অবশ্যই সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। যদি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর ফলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার চালক বা মালিককে বহন করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া, ক্যাম্পাসে চলাচলকারী প্রতিটি যানবাহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া বৈধ নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে। একইসাথে, যানবাহন চালানোর জন্য চালকের হালনাগাদ ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য এই নির্দেশনা মেনে চলা অপরিহার্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ