ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকী গবেষণায় সাফল্য অর্জন করেছেন


বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকী গবেষণায় সাফল্য অর্জন করেছেন

গবেষণা ও উদ্ভাবনে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশি অধ্যাপক প্রফেসর ড. শফিক সিদ্দিকী, যিনি মালয়েশিয়ায় কর্মরত। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত তালিকায় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি ধারাবাহিকভাবে স্থান পেয়েছেন।

ড. শফিক সিদ্দিকী তার দীর্ঘ গবেষণাজীবনে ১৫০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১০৮টি গবেষণাপত্র উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন জার্নালে, ২২টি নন-ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালে এবং ২০টি নন-ইনডেক্সড প্রকাশনায় রয়েছে। তার চারটি পেটেন্ট এবং চারটি ট্রেডমার্কও রয়েছে। তিনি ৩৯টি গবেষণাপত্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় উপস্থাপন করেছেন।

ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সাবাহতে (ইউএমএস) দায়িত্ব পালনকালে, ড. শফিক মাস্টার্স ও স্নাতক পর্যায়ে ১২টি কোর্স পড়িয়েছেন। তার তত্ত্বাবধানে ২৭ জন শিক্ষার্থী পিএইচডি ও এমএসসি পর্যায়ে গবেষণা করেছেন, যাদের মধ্যে ২৫ জন ইতোমধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। অন্যদের গবেষণা কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

গবেষণার জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৩৭টি গবেষণা অনুদান পেয়েছেন। এর মধ্যে আটটি প্রকল্প সরাসরি কমিউনিটি ও শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত। গবেষণার আন্তর্জাতিক প্রভাবের সূচক সাইটেশনেও তার উল্লেখযোগ্য অবস্থান রয়েছে। বর্তমানে স্কোপাসে তার এইচ-ইনডেক্স ৩৩ এবং গুগল স্কলারে ৪০।

মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ হালাল বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস’ এর ২২তম আসরে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের আমন্ত্রণে ‘ভিভিফাই’ ও ‘ট্রিয়াল’ নামের গবেষণালব্ধ পণ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ নেন ড. শফিক। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের উৎসাহিত করা এবং তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরির অংশ হিসেবে তিনি এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

মিহাসে ড. শফিক সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি তার গবেষণা ও সাফল্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, “তুমি নিজেকে যতটুকু সক্ষম বলে মনে করো, তার চেয়েও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো। সংকল্পকে দৃঢ় করো এবং প্রচেষ্টা অবিরাম ও ধারাবাহিক রাখো। লক্ষ্যের প্রতি অটল থাকলে একদিন অবশ্যই সেখানে পৌঁছানো সম্ভব।”

বিজ্ঞান ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে, ড. শফিক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে ২৫ বার মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য তার ঝুলিতে রয়েছে ৭০টি পুরস্কার।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

এসব পুরস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাবাহ রাজ্যের ‘এসই কিনাবালু ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’, কোরিয়া ইনভেনশন একাডেমির ২০২০ সালের চতুর্থ আসরের বিশেষ ও স্বর্ণ পুরস্কার, জার্মানির আইইএনএ-২০২১ পুরস্কার, ২০১৫ সালের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোক্তা প্রকল্প পুরস্কার, পিইসিপিটিএ-২০১৫ ও ২০১৯ এবং আইটিইএক্স-২০১৯-এর স্বর্ণপদক।

২০১৪ সালে তিনি প্রসপার-নেট-স্কোপাস তরুণ বিজ্ঞানী পুরস্কার অর্জন করেন। ২০১৭ সালে আইএসআই ও স্কোপাসে সূচিবদ্ধ জার্নালে প্রকাশনা ও সাইটেশনের ভিত্তিতে সর্বাধিক প্রকাশনাসম্পন্ন শীর্ষ পাঁচ লেখকের তালিকাতেও স্থান পান তিনি।

২০২৬ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে স্কোপাস-সূচিবদ্ধ জার্নালে প্রকাশনার জন্য ইউএমএসের সর্বোচ্চ সাইটেশন পুরস্কার অর্জন করেন ড. শফিক। এর আগে ২০১২ ও ২০২১ সালে তিনি ইউএমএসের উৎকৃষ্ট সেবা পুরস্কার লাভ করেন। ২০১০ সালে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় সেরা স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীর স্বীকৃতিও অর্জন করেন।

গবেষণাপত্র ও পুরস্কার অর্জনেই থেমে নেই ড. শফিকের কাজ। তিনি গবেষণার ফলাফলকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে এসে সেগুলোর বাণিজ্যিকীকরণেও কাজ করছেন। তার গবেষণালব্ধ পণ্য ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে। গবেষণা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে শিল্প ও ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক অন্তর্ভুক্তি ড. শফিকের গবেষণাকর্মের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। শিক্ষকতা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং গবেষণালব্ধ পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সব মিলিয়ে তিনি মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাঙ্গনে বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের অবদানের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

ড. শফিকের গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে মালয়েশিয়ার জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেল টিভি১, টিভি২ ও টিভি৭-এ প্রতিবেদন প্রচার হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রেও তার গবেষণার ফলাফল ও উদ্ভাবন গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মকসুদপুরে মাসব্যাপী কুটির শিল্প মেলা নিয়ে বিতর্ক, নেপথ্যে একাধিক মামলার আসামি আসলাম!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০১ এম


মকসুদপুরে মাসব্যাপী কুটির শিল্প মেলা নিয়ে বিতর্ক, নেপথ্যে একাধিক মামলার আসামি আসলাম!

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ে ‘মাসব্যাপী গ্রামীণ কুটির শিল্প ও উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’-এর অবকাঠামো নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। "জলিরপাড় ব্রোঞ্জ ও ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মার্কেট"-এর আয়োজনে এবং "ব্রোঞ্জ মার্কেট সমিতি"-র পরিচালনায় এই মেলা আয়োজনের কথা থাকলেও নেপথ্যে উঠে এসেছে চরম অনিয়ম ও প্রতারণার চাঞ্চল্যকর তথ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নামমাত্র স্থানীয় সমিতির ব্যানারে মেলার আয়োজন করা হলেও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে মূল পরিচালনা হস্তান্তর করা হয়েছে দ্বিতীয় পক্ষের কাছে। আর এই দ্বিতীয় পক্ষের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে উঠে এসেছে বরিশালের চিহ্নিত প্রতারক ও একাধিক মামলার আসামি, ‘মেলা আসলামের’ নাম।

প্রতারণার ফাঁদ ও পঁয়তাল্লিশ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা: অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল আদালতে আসলামের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে এক ব্যবসায়ীর সাথে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক গড়ে তুলে বিশ্বাস অর্জন করার পর কোটি কোটি টাকার লেনদেন করে সে। একপর্যায়ে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ায় ব্যবসায়ী চাপ সৃষ্টি করলে, সে একটি ব্যাংকের চেক প্রদান করে। পরবর্তীতে ওই ব্যবসায়ী ব্যাংকে চেক জমা দিলে ‘অ্যাকাউন্ট ক্লোজড’ও ব্যাংকে একাউন্টের হিসাব বন্ধ থাকার কারণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে। এ ঘটনায় আসলামের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

সাংবাদিককে অস্ত্র উঁচিয়ে হুমকি ও দ্রত বিচার আইনে গ্রেপ্তার: আসলামের অপরাধের তালিকা এখানেই শেষ নয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বরিশালের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে বরিশাল মেডিকেলের মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এই আসলাম। পরবর্তীতে উক্ত সংবাদকর্মী বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি এজাহার (FIR) হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর সনেট মিত্র দাস দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ে আসলাম। কয়েকদিন জেল খাটার পর জামিনে বেরিয়ে এসে বর্তমানে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে অনবরত হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মেলা চালুর পর রাতের আঁধারে পলায়ন—অভিযোগের পাহাড়: আসলামের বিরুদ্ধে সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় মেলার নামে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার অজস্র অভিযোগ রয়েছে।

ভোলার তজুমদ্দিনের ঘটনা: কিছুদিন আগে তজুমদ্দিনে মেলা আয়োজনের নামে স্থানীয়দের কাছ থেকে বিপুল অর্থ ধার নেয়। মেলা চলাকালেই রাতের আঁধারে ভোলা-লালমোহন হয়ে স্পিডবোটে বরিশাল পালিয়ে যায়। লালমোহনের স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মেলা ব্যবসায়ী খোকন জানান, "হঠাৎ আসলাম আমার কাছে এসে স্পিডবোট ভাড়া চায়, আমি নিজ দায়িত্বে ভাড়া করে দেই। কিন্তু পরদিন জানতে পারি সে তজুমদ্দিনের মানুষের টাকা মেরে পালিয়ে এসেছে। এমনকি আমার স্পিডবোটের ভাড়াও পরিশোধ করেনি। ও একটা চিহ্নিত বাটপার ও সন্ত্রাসী।" খোকন সাহেব দেশের সকল মেলা ব্যবসায়ীদের এই প্রতারক আসলাম থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

সারা দেশে প্রতারণার জাল: বরগুনা, সাতক্ষীরা, রাজবাড়ী, দিনাজপুর এবং পিরোজপুরসহ বহু এলাকায় মেলা করার নামে স্থানীয় লোকজনকে লাভের প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতের আঁধারে পালিয়ে যাওয়ার ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ঢাকার এক অভিজ্ঞ মেলা কমিটির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "একসময় এই আসলাম আমার মেলা কার্যালয়ে গেস্টদের চা সরবরাহ ও আনা-নেওয়ার কাজ করত। এখন সে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে মেলার অনুমতির কথা বলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা তোলে। স্থানীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে লাভের লোভ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ ধার নিয়ে মেলা চালায়। এরপর টাকা পরিশোধের সময় হলেই রাতের আঁধারে পালিয়ে যায়।"

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের মেলাটি বর্তমানে এই বিতর্কিত আসলামের হাতে চলে যাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন—সারা দেশে প্রতারণার জাল বিছানো এই আসলাম কি এবারও জলিরপাড়ের মানুষের অর্থ হাতিয়ে রাতের আঁধারে চম্পট দেবে, নাকি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে থামবে এই বাটপারি?

এ বিষয় মেলা আসলামের মুঠোফোন একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের মেয়েদের সাফল্য: পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


বাংলাদেশের মেয়েদের সাফল্য: পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় অর্জন

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল পাকিস্তান সফরে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাদের দ্বিতীয় জয় অর্জন করেছে। ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে (৭/১২৬) ১৩ রানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা (৫/১৩৯)।

ডানহাতি পেসার ফারজানা ইয়াসমিন এই ম্যাচে ৩ উইকেট দখল করেন। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে ৩০ রানের জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগ সদস্যসহ ৬ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগ সদস্যসহ ৬ জন আটক

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউপি সদস্যও রয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- ২নং জামাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম (৬০), বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মাঝদিয়া গ্রামের আবু জাফর হোসেন (৫৭) এবং মোল্লাডাঙ্গা গ্রামের আশরাফুল হোসেন (৫৫)।

এছাড়াও ১১নং রাখালগাছি ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সামাউল ইসলাম ঠান্ডু (৫৭), একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কার্জন বিশ্বাস (৫০) এবং ৬নং ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর হোসেন (৩৫) আটক হয়েছেন।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানিয়েছেন, রবিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৬ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলাগুলোর তদন্তে তাদের নাম উঠে আসায় তাদের আটক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধারণক্ষমতার তুলনায় কারাবন্দিতে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ এম


ধারণক্ষমতার তুলনায় কারাবন্দিতে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের কারাগারে বন্দির হার, ধারণক্ষমতার তুলনায়, সবচেয়ে বেশি। দেশের কারাগারগুলোতে প্রতি ১০০ বন্দির জন্য ২২৬ জন বন্দির জায়গা রয়েছে।

শ্রীলঙ্কা, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দির দিক দিয়ে, বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। তবে ভারত ও পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড প্রিজন ব্রিফ (ডব্লিউপিবি) নামক একটি অনলাইন তথ্যভাণ্ডারে বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের বার্কবেক, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ইনস্টিটিউট ফর ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস পলিসি রিসার্চ এই তথ্যভাণ্ডারটি পরিচালনা করে। বাংলাদেশের তথ্য তারা জাতীয় কারা অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবহার করে সংগ্রহ করেছে। প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ডব্লিউপিবির তথ্য অনুযায়ী, সরকারি হিসাবে বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে ৪৫ হাজার ১৮৬ জন বন্দী রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে বন্দীর সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ১৮০ জন। এই হিসাবে, মোট ধারণক্ষমতার ২২৬ দশমিক ১ শতাংশ বন্দি বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোতে রয়েছে। দেশের প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে কারাবন্দি রয়েছেন ৫৯ জন।

বাংলাদেশের কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কারাগারে বন্দির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, বন্দির সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজারে পৌঁছেছে। কারাগারের বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৮৬।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বিচারাধীন বন্দির শতকরা হার সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানে, ৭৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ভারতের ক্ষেত্রে এই হার ৭২ দশমিক ৬ শতাংশ।

শ্রীলঙ্কায় কারাগারে ধারণক্ষমতার ২১৬ শতাংশ, পাকিস্তানে ১৬৩ শতাংশ, নেপালে ১৪৪ শতাংশ, ভারতে ১১৩ শতাংশ এবং মিয়ানমারে ১১২ শতাংশ বন্দি রয়েছে।

বিশ্বের হিসাবে, ধারণক্ষমতার সবচেয়ে বেশি বন্দি কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে, ৬১৭ শতাংশ। নাউরুতে, সবচেয়ে কম, মাত্র ১৪ শতাংশ বন্দী থাকে।

বাংলাদেশে কারাবন্দির সংখ্যা সময়ের সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডব্লিউপিবি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০০ সালে। সে বছর বাংলাদেশে কারাবন্দি ছিলেন ৬২ হাজার ৬৬৯ জন। এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বন্দী ছিল ২০০৮ সালে, ৮৬ হাজার ৮৩৮ জন। ২০২০ সালে কারাগারে বন্দী ছিলেন ৮৮ হাজার ৮৪ জন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় বাংলাদেশে কত বন্দী ছিলেন, সে সম্পর্কে ডব্লিউপিবির ওয়েবসাইটে আলাদা তথ্য নেই। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘কারাগারগুলোতে এখন বন্দী ৭৭ হাজার, ধারণক্ষমতার দেড় গুণের বেশি’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। ওই প্রতিবেদনে কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগের দিন দেশের কারাগারগুলোতে বন্দী ছিলেন ৮৮ হাজার। ১২ আগস্ট বন্দির সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪৯ হাজারে। এরপর থেকে বন্দির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে জানান, সাধারণত দেশের কারাগারগুলোতে ৮০-৮২ হাজার বন্দী থাকে। বর্তমানে এক লাখের ওপর বন্দী রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার বেশি হচ্ছে। মাদক মামলা, সাইবার ক্রাইম ও কিশোর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আসছে। এতে কারাগারগুলোর ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

কারাগারে বিচারাধীন বন্দি বেশি

বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৭৮৮ সালে ঢাকায় একটি ক্রিমিনাল ওয়ার্ড নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৩৬ সালে ঢাকা, রাজশাহী, যশোর ও কুমিল্লায় কারাগার নির্মাণ করা হয়। ঢাকা ও রাজশাহী কারাগারকে ১৯২৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

দেশে ৭৫টি কারাগার রয়েছে, এর মধ্যে ১৫টি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ৬০টি জেলা কারাগার।

ডব্লিউপিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে মোট বন্দির ৬৬ দশমিক ৯ শতাংশ বিচারপূর্ব বন্দী হিসেবে রয়েছেন। অর্থাৎ কারাগারগুলোতে থাকা বন্দিদের দুই-তৃতীয়াংশের এখনো সাজা হয়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ বর্তমানে ভারত। এরপর চীন। দুই দেশের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির ওপরে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩৫ কোটির কাছাকাছি। ডব্লিউপিবির হিসাবে, ভারত ও চীনকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বেশি বন্দী যুক্তরাষ্ট্রে।

তবে বিচারপূর্ব বন্দির শতকরা হারে প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কারাগারে বিচারপূর্ব বন্দির শতকরা হার সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানে, ৭৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ভারতের ক্ষেত্রে এই হার ৭২ দশমিক ৬ শতাংশ। শ্রীলঙ্কায় ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ। নেপালে ৫৩ শতাংশ।

বিশ্বের হিসাবে বিচারাধীন বন্দি সবচেয়ে বেশি ইউরোপের দেশ সান মারিনোয়। দেশটিতে শতভাগ বন্দি বিচারাধীন বলে উল্লেখ করেছে ডব্লিউপিবি।

কোন দেশে কত বন্দি

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ বর্তমানে ভারত। এরপর চীন। দুই দেশের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির ওপরে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩৫ কোটির কাছাকাছি।

ডব্লিউপিবির তথ্যমতে, ভারত ও চীনকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বেশি বন্দী যুক্তরাষ্ট্রে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশটির কারাগারে মোট বন্দির সংখ্যা ১৮ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি। দেশটিতে প্রতি লাখ মানুষের বিপরীতে কারাবন্দি ৫৪২ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর রয়েছে চীন। দেশটিতে মোট কারাবন্দির সর্বশেষ ২০১৮ সালের হিসাব প্রকাশ করেছে ডব্লিউপিবি। ওই বছর দেশটিতে বন্দী ছিলেন ১৬ লাখ ৯০ হাজার জন। সে হিসাবে প্রতি লাখ মানুষের বিপরীতে ১১৯ জন কারাগারে বন্দী ছিলেন। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত। ২০২৪ সালে দেশটিতে বন্দী ছিলেন ৫ লাখ ১১ হাজারের বেশি, অর্থাৎ প্রতি লাখ মানুষে ৩৬ জন বন্দি ছিলেন।

ডব্লিউপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দির সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮ হাজার। এ ছাড়া ২০২০ সালে মিয়ানমারে কারাবন্দি ছিলেন ১ লাখের কিছু বেশি মানুষ। চলতি মাস পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় বন্দী রয়েছেন প্রায় ৩৭ হাজার ৮০০ জন। গত আগস্ট পর্যন্ত নেপালের কারাগারে বন্দী ছিলেন ২৭ হাজার ৮০০ জন। আর ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভুটানে বন্দী ছিলেন মাত্র ১ হাজার ১১৯ জন।

বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশের মধ্যে ব্রাজিলে ৯ লাখ ৬৪ হাজার, তুরস্কে ৪ লাখ ৩৪ হাজার, রাশিয়ায় ২ লাখ ৮২ হাজার, ইরানে ১ লাখ ৯৯ হাজার, যুক্তরাজ্যে ৮৬ হাজার, সৌদি আরবে ৪৮ হাজার, জাপানে ৪১ হাজার জন কারাগারে বন্দী রয়েছেন। ডব্লিউপিবির হিসাব করা ২২৪ দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম বন্দী রয়েছেন টুভালু ও লিশটেনস্টাইনে, মাত্র ১১ জন করে।

‘অমানবিক পরিবেশ’

বাংলাদেশের কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দি থাকলেও চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল। বন্দিদের খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে, জামিন না দেওয়ার অভিযোগও বহু বছর ধরে রয়েছে।

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দেশের কারাগারগুলো ধারণক্ষমতার তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বন্দীতে ঠাসা। এতে বন্দিদের অনেকেই মানবেতর বা অমানবিক পরিবেশে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। কারাগারের ধারণক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। নতুন কারাগার নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান কারাগারগুলোর সম্প্রসারণ প্রয়োজন।

বিচারপূর্ব বন্দিদের বিষয়ে মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দেশের অনেক আদালতে একজন বিচারকের ওপর কয়েক হাজার মামলা রয়েছে, যা বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার ক্ষেত্রে বড় বাধা। বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচারপূর্ব বন্দিরা দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকছেন, ফলে কারাগারের ওপর চাপও বাড়ছে।

মইনুল ইসলাম চৌধুরীর মতে, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিচারকদের ‘লজিস্টিক’ সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি বিচারব্যবস্থায় বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে ই-জুডিশিয়ারি চালু করে বিচারিক কার্যক্রমের অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয়করণ) করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেওয়ানি মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং ফৌজদারি মামলায় ‘প্লি বার্গেনিংয়ের’ মতো ব্যবস্থা চালু করা গেলে আদালতে মামলার চাপ কমানো সম্ভব।

‘প্লি বার্গেনিং’ হলো আদালতের বিচার এড়াতে মামলার বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে একটি পারস্পরিক আইনি সমঝোতা। এতে আসামি নিজের অপরাধ স্বীকার করার বিনিময়ে ছাড় পান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%