ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে আস্থাহীন ফ্রান্স, ফিফা সংস্কারের আহ্বান


ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে আস্থাহীন ফ্রান্স, ফিফা সংস্কারের আহ্বান

ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক আরও গভীর হচ্ছে। এবার ফ্রান্সের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফএফ) ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। একই সঙ্গে, তারা ফিফার শাসনব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ইংল্যান্ড, ইতালি, উত্তর আয়ারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের পর ফ্রান্সও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন তুলে নেয়। গত জুনে এফএফএফ ইনফান্তিনোকে সমর্থন দিয়েছিল, কিন্তু বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রতিযোগিতায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব প্রকাশের পর তাদের অবস্থান পরিবর্তিত হয়।

ইনফান্তিনোর প্রস্তাব বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ফিফার সব প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকি দিয়েছে। উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং উত্তর আমেরিকার কনকাকাফ ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করছে।

আরও পড়ুন: বিরোধীদল ‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার কনমেবল এবং আফ্রিকার সিএএফ এখনও ইনফান্তিনোকে সমর্থন করে যাচ্ছে। এফএফএফ-এর সভাপতি ফিলিপ দিয়ালো মন্তব্য করেছেন, “ফুটবলের ভবিষ্যতে এত বড় প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনো প্রকল্প পূর্ণাঙ্গ তথ্য, গভীর পরামর্শ ও স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত ছাড়া কল্পনা করা যায় না। ফিফার শাসনব্যবস্থা ফুটবলের মানদণ্ডে পৌঁছায়নি।”

এফএফএফ জানিয়েছে, ইনফান্তিনো প্রস্তাব প্রত্যাহার করলেও ফিফার শাসনব্যবস্থার সংকট কাটেনি। তারা খেলোয়াড়, সমর্থক, জাতীয় ফেডারেশন এবং শাসনব্যবস্থা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে।

তাদের লক্ষ্য হলো আস্থা পুনরুদ্ধার, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, স্বাধীনতা এবং আদর্শ আচরণ নিশ্চিত করা। এফএফএফ আরও জানিয়েছে, ফিফার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তারা বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যৎ, নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কে অবদান রাখতে চায়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র মেজর নিদালের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭০০০ কি.মি. পাড়ি দিয়ে দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট সাইম আইয়ুব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


৭০০০ কি.মি. পাড়ি দিয়ে দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট সাইম আইয়ুব

সাইম আইয়ুব সাত হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে এসেছিলেন। তবে, তার প্রত্যাবর্তনটি ছিল সম্পূর্ণ হতাশাজনক। পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্টে তিনি দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

আইয়ুব ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) থেকে এজবাস্টনে এসেছিলেন। সিপিএলে জ্যামাইকা কিংসমেনের হয়ে তিনি দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। সেখান থেকেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের জন্য তাকে ডাকা হয়।

ইংল্যান্ডে পা রাখার ঠিক আগে, সিপিএলে জ্যামাইকা কিংসমেনের হয়ে ৫৮ বলে ১০২ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন আইয়ুব। এই সেঞ্চুরিতে তার ব্যাট থেকে বেরিয়েছিল ছয়টি চার এবং আটটি ছক্কা। এই ইনিংসটি তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ক্ষমতা স্পষ্ট করে। এরপর তিনি পাকিস্তানের টেস্ট দলে ফিরলেন।

কিন্তু টেস্টে ফিরে এসে আইয়ুব তেমন কিছু করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে তিনি মাত্র ১০ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি।

সিপিএলে বিধ্বংসী সেঞ্চুরির মাত্র কয়েকদিন পর আইয়ুবের এই দুই শূন্য রানের ইনিংস তার পারফরম্যান্সে বিশাল ফারাক তুলে ধরেছে। এত দূর পাড়ি দিয়ে টেস্টে ফিরেও বার্মিংহাম ছাড়তে হচ্ছে তাকে কোনো রান ছাড়াই।

সাম্প্রতিক সময়ে আইয়ুবের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তিনি কঠিন সময় পার করেছেন। এর আগে ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে চারবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। বার্মিংহামে টানা দুই ইনিংসে শূন্য রানের এই ব্যর্থতা তার সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের খারাপ ফর্মের তালিকায় যুক্ত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিত্যপণ্যের সঙ্গে লাগামহীনভাবে বাড়ছে ব্যবহার্যপণ্যের দাম, নেপথ্যে কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


নিত্যপণ্যের সঙ্গে লাগামহীনভাবে বাড়ছে ব্যবহার্যপণ্যের দাম, নেপথ্যে কারা?

নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে চলেছে লাগামহীনভাবে। ক্রেতাদের দুর্ভোগ প্রতিদিনই বাড়ছে। বাজারে চাল, ডাল ও ভোজ্যতেলের মতো খাদ্যপণ্যের দাম ইতোমধ্যে চড়া হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি, নিত্যব্যবহার্য সব পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত তিন বছরে সাবান, টুথপেস্ট, ডিটারজেন্ট, নারিকেল তেল, সেভিং রেজারসহ নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, কৃত্রিম সংকট এবং অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভোক্তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। পরিস্থিতি এমন যে, জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্রেতাদের জন্য বাড়তি দামের তালা লেগে গেছে। ফলে ভোগ্যপণ্যের বাজারে ক্রেতারা সবদিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ অবস্থায় জনসাধারণের জন্য আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। মাসের শুরুতে যে বেতন হাতে আসে, তা প্রয়োজন মেটাতে না মেটাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে মাছ-মাংসের কেনাকাটা কমিয়ে দিচ্ছেন। পছন্দের খাবারও বাদ দিতে হচ্ছে। এমনকি নিত্যব্যবহার্য অনেক পণ্যের কেনাকাটার তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার রাজধানীর একাধিক ডিপার্টমেন্টাল স্টোর পরিদর্শন ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুচরা বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি পিস লাইফবয় সাবান ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন বছর আগে ৪০ টাকা এবং চার বছর আগে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বড় আকারের লাক্স সাবান ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৬৫ টাকা ছিল। ডিটারজেন্টের মধ্যে এক কেজি হুইল পাউডার ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন বছর আগে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এক কেজি রিন পাউডার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। ১০০ টাকার পেপসোডেন্ট টুথপেস্ট এখন ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে জানান, "বিভিন্ন যৌক্তিক কারণে দেশে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা একটু বাড়তি মুনাফার সুযোগ খুঁজে পান। তারা বিভিন্ন অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। দেখা যায়, যৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম যা বাড়ার কথা, কারসাজি করে এর চেয়ে দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করেন। এতে ক্রেতারা নাজেহাল হন। তদারকি সংস্থাগুলোর বেশকিছু আইন আছে, সেসব আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। আসলেই খতিয়ে দেখতে হবে, দাম কত বাড়ানো যৌক্তিক ছিল, আর কত টাকা বাড়ানো হয়েছে। অনিয়ম পেলে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে।"

অন্যদিকে, ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এনার্জি বিস্কুট ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। মাঝারি সাইজের প্যাকেটজাত চানাচুর ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৩৫ টাকা। ওয়ানটাইম সেভিং রেজার ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ১৫-২০ টাকা ছিল। ২৫০ এমএলের প্যারাসুট বোতলজাত নারিকেল তেল ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ১৪৫ টাকা ছিল। ৪০০ টাকায় বিক্রি হওয়া অ্যারোসল ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২৪০ টাকার এয়ারফ্রেশনার এখন ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মালিবাগ এলাকার একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে নিত্যব্যবহার্য পণ্য কিনতে এসেছেন মো. হানিফ হাওলাদার। তিনি যুগান্তরকে বলেন, "গত কয়েক বছরে নিত্যব্যবহার্য্য সব পণ্যের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সবাই বাজারের নিত্য ভোগ্যপণ্য নিয়ে ব্যস্ত। এদিকে কারও নজর নেই। কোম্পানিগুলো যেভাবে পারছে এসব পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। মূল্য তদারকিতেও তেমন কোনো তোড়জোড় নেই। আমরা ভোক্তারা আসলে সবদিক থেকে নাজেহাল হচ্ছি।"

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনা-পরবর্তীকালে নিত্যব্যবহার্য সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। কারণ হঠাৎ করেই চাহিদা বাড়ায় তখন আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে পরিবহণ ভাড়াও বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দামে। বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সব ধরনের পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে আরও একদফা বেড়েছে। ফলে বেশি দামে পণ্য কেনার কারণে স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক ড. এমকে মুজেরী বলেন, "মুক্তবাজার অর্থনীতি থাকবে। কিন্তু তার মানে এই নয়, এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা যা খুশি তাই করার সুযোগ পাবে। বিশ্বের অনেক দেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি থাকলেও সরকারের হাতে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও থাকে। বাংলাদেশেও এ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাখতে হবে। এর জন্য দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর মনিটরিং সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।"

বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের সচেতনতা অনেক বড় ব্যাপার। তারা যৌক্তিক লাভ করবে এটাই আমরা চাই। কিন্তু কেউ যদি কারসাজি করে, এদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। অধিদপ্তরের আভিযানিক টিম প্রতিনিয়ত তদারকি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আয়ারল্যান্ডের গলফ রিসোর্টে ট্রাম্পের সফর ঘিরে একদিকে প্রশংসা, অন্যদিকে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


আয়ারল্যান্ডের গলফ রিসোর্টে ট্রাম্পের সফর ঘিরে একদিকে প্রশংসা, অন্যদিকে ক্ষোভ

ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আয়ারল্যান্ডের আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও অপরূপ সুন্দর ছোট্ট গ্রাম ডুনবেগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হয় না, বরং এখানে তিনি একজন গলফ রিসোর্টের মালিক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের অনেকের মতে, তিনি এই প্রত্যন্ত এলাকায় কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করেছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ট্রাম্প শনিবার আয়ারল্যান্ডে আসছেন। দুই দিনের সফরের প্রথম অংশে তিনি কয়েক ঘণ্টার জন্য রাজধানী ডাবলিনে অবস্থান করবেন। এরপর তিনি দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ডুনবেগে নিজের মালিকানাধীন ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ লিংকসে যাবেন। সেখানে বৃহস্পতিবার থেকে আইরিশ ওপেন গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।

কাউন্টি ক্লেয়ারের দুর্গম উপকূলের বিশাল বালিয়াড়ির মধ্যে অবস্থিত এই গলফ কোর্সে টুর্নামেন্টটি দেখতে ৭৫ হাজার দর্শক সমাগম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্টের টুর্নামেন্টে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার ফাইনাল রাউন্ড শেষে তিনি বিজয়ীর হাতে ট্রফি তুলে দেবেন বলেও আশা করা হচ্ছে।

যদিও স্থানীয়দের একাংশ ট্রাম্পের রিসোর্ট থেকে আসা অর্থনৈতিক সুবিধার প্রশংসা করেন, আয়ারল্যান্ডের অন্যান্য স্থানে তার সফর নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা দেখা দিয়েছে। দেশটিতে ট্রাম্প এখনও অত্যন্ত অজনপ্রিয়।

সানডে ইন্ডিপেনডেন্ট, আয়ারল্যান্ড থিংকস-এর এক জরিপে দেখা গেছে যে, আয়ারল্যান্ডের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ ট্রাম্পের এই সফরকে স্বাগত জানাচ্ছেন না।

শনিবার ডাবলিনে ‘ট্রাম্পকে স্বাগত নয়’ শিরোনামে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। গাজা, অভিবাসন ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সেখানে বিক্ষোভকারীরা অংশ নেবেন।

সপ্তাহান্তে ডুনবেগ ও নিকটবর্তী শ্যানন বিমানবন্দর এলাকায়ও বিক্ষোভ হতে পারে। গত ১৮ মাসে ফিলিস্তিনপন্থী কর্মীরা এই গলফ কোর্সটিকে দুইবার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ট্রাম্পের সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ডুনবেগের প্রধান সড়কে পুলিশ টহল দিচ্ছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম জটিল নিরাপত্তা অভিযান হিসেবে বিবেচিত একটি অভিযানের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

এই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ৪ হাজার আইরিশ ও মার্কিন নিরাপত্তাকর্মী যুক্ত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সশস্ত্র পুলিশ, স্নাইপার এবং ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎমন্ত্রী চিকিৎসা ও সরকারি কাজে ১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ড যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


বিদ্যুৎমন্ত্রী চিকিৎসা ও সরকারি কাজে ১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ড যাচ্ছেন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন চিকিৎসা ও সরকারি কাজে। সফরের পর তিনি ২০ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।

এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফ সাদেক নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল্লাহ আল কায়েস জানান, থাইল্যান্ডে চিকিৎসার পাশাপাশি মন্ত্রী সরকারি কাজও সম্পন্ন করবেন।

টুকু গত ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। তিনি সেখানে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মন্ত্রী ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপেও ভুগছেন।

এর আগে ব্যাংককে চিকিৎসার সময় তার হৃদ্‌যন্ত্রের একটি রক্তনালিতে স্টেন্ট বা রিং বসানো হয়েছিল। এবারও তিনি সেখানে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গঠিত সরকারে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

এর আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও টুকু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে ২০০৬ সালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%