ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা, গাজায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা


যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা, গাজায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

গাজার অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন ও নির্বিচার হামলা যেন থামার কোনো লক্ষণই উঠে আসছে না। তথাকথিত 'যুদ্ধবিরতি' কার্যকর থাকা সত্ত্বেও রক্তপাত অব্যাহত রয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় আরও ৭ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছানো হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ এখনও অনেক ভুক্তভোগী ধসে পড়া বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং বিভিন্ন সড়কে আটকা পড়ে আছেন। চলমান হামলা ও তীব্র ঝুঁকির কারণে অ্যাম্বুলেন্স এবং সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারী দলগুলো তাদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে 'যুদ্ধবিরতি' ঘোষণার পর এই পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১,০৯৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ৩,৫৩৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি থাকলেও বাস্তবে গাজাবাসীর ওপর হামলার তীব্রতা কমেনি।

আরও পড়ুন: পাহাড় ঘিরে ভারতের নিয়ন্ত্রণের লড়াই, ৩,০০০ পর্যটককে উদ্ধার করতে সেনাবাহিনী বিপদে

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের এই নৃশংস এবং গণহত্যামূলক যুদ্ধে মোট নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৩,২২১ জনে। এছাড়া, ভয়াবহ এই সামরিক অভিযানে আহত মানুষের সংখ্যা ১,৭৩,৬৪৩ জনে পৌঁছেছে। বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো সত্ত্বেও, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর এই বর্বরতা ও অমানবিক আগ্রাসন দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন জয়নুল আবেদীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন জয়নুল আবেদীন

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়াও, একই সভায় বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন এবং বার কাউন্সিলকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। সভায় অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদলকে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিনকে ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলনকে ল’ রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান এবং অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারকে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

এ ছাড়া, হাউজ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার মো. নাসির উদ্দিন অসীম নির্বাচিত হয়েছেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাউন্সিল সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।

এছাড়া, বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে চলমান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ দিকে, অতীতে কোনো কাউন্সিল সদস্য আইনগত প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই অর্থ বার কাউন্সিলের কোষাগারে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বার কাউন্সিলের কোনো সভায় আপ্যায়ন বাবদ তহবিলের অর্থ ব্যয় না করে সদস্যরা পর্যায়ক্রমে নিজ উদ্যোগে এ ব্যয় বহন করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, আইনজীবীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিয়মিত এনরোলমেন্ট ও হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আইনজীবীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে পথচারীদের জন্য নিরাপদ হবে সড়ক: ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে পথচারীদের জন্য নিরাপদ হবে সড়ক: ডিএনসিসি প্রশাসক

 ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, পরিকল্পিত সড়ক নকশা ও কার্যকর গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা গেলে সড়ক পথচারীদের জন্য নিরাপদ হয়ে উঠবে।

আজ ডিএনসিসি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (ডব্লিউআরআই)-এর উদ্যোগে ডিএনসিসি মিলনায়তনে আয়োজিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ নোট বিনিময় করেন।

প্রশাসক আরো বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পিত সড়ক নকশার মাধ্যমে নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে সিগন্যাল ও জেব্রা ক্রসিংয়ের আগে রেইজড ক্রসিং (সড়ক থেকে উঁচু করে ফুটপাথ-সমতল পারাপার) এবং গতিরোধক স্থাপনের মাধ্যমে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি এও বলেন, সড়ক নিরাপত্তাসহ শহরের সমন্বিত উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ইতিবাচক। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়াটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস)-এর আওতায় ঢাকায় চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে।

বিআইজিআরএস বাংলাদেশ সমন্বয়কারী ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, পিএসসি এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম।

প্রশিক্ষণে ডিএনসিসির অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটি (ডিটিসিএ) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ডিটিসিএ’র সিনিয়র রোড সেফটি স্পেশালিস্ট মামুনুর রহমান, বিআরটিএর উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সরকার, ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল) নাঈম রায়হান খান, বিআইজিআরএস’র এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর গোলাম রহমান এবং সার্ভিল্যান্স কো-অর্ডিনেটর ডা. তানভীর ইবনে আলী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি কেন্দ্রে নকলের সুযোগ না পেয়ে হামলা, ভাঙচুরে আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


এইচএসসি কেন্দ্রে নকলের সুযোগ না পেয়ে হামলা, ভাঙচুরে আহত ১০

ভোলার চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষায় নকলে বাধা দেওয়ার প্রেক্ষাপটে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে শিক্ষক এবং কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি রয়েছেন।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে এবং দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এই হামলার ঘটনা ঘটে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলায় অবস্থিত ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, পরীক্ষার পর পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

পরবর্তীতে পেছনের ফটক ভাঙার মাধ্যমে এবং দেয়াল টপকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কক্ষসহ বেশ কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর করেন। এ সময় তারা পরীক্ষার উত্তরপত্র ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেন এবং শিক্ষকরা তাদের প্রতিহত করতে গেলে সংঘর্ষের সূচনা হয়।

ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু জানান, কেন্দ্রে ৯০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং সবাই চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

এমসিকিউ পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কক্ষে কিছু পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করলে কক্ষ পরিদর্শকরা বাধা দেন। এ ঘটনার পর তারা শিক্ষকেদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এরপর পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং শিক্ষা বোর্ডকে বিষয়টি জানানো হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা শেষে একদল পরীক্ষার্থী সংঘবদ্ধভাবে কলেজে হামলা চালান। এতে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হুমায়ুন কবির সিকদারসহ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। হামলাকারীদের ছোড়া ইটপাটকেলে আরো কয়েকজন পথচারীও আহত হয়েছেন এবং আহত শিক্ষকরা প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছেন।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন যে, চরফ্যাশন সরকারি কলেজ এবং ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে পূর্ব থেকে বিরোধ রয়েছে, যার প্রভাব পরীক্ষার্থীদের ওপর পড়েছে। তাদের অভিযোগ, কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা কিছু শিক্ষক পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারা দাবি করেন, পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলে ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন করতে না দেওয়ার কারণে চরফ্যাশনের ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর ঘটেছে। এ ঘটনায় আমি স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া কেন্দ্রের সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড় থেকে পড়ে টেকনাফে আহত বন্য হাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


পাহাড় থেকে পড়ে টেকনাফে আহত বন্য হাতি

কক্সবাজারের টেকনাফে একটি বন্য মা হাতি পাহাড়ি ঢাল থেকে পিছলে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে।

এই ঘটনার পর বন বিভাগ এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে ঘটনাস্থলে হাতিটির চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বিশেষজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদেরকেও ডাকা হয়েছে।

ঘটনাটি শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঘটে। টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যাংপাড়া এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পাহাড় থেকে হাতিটি পড়ে যায়।

টেকনাফ রেঞ্জের বন বিভাগের কর্মকর্তা আবদুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত হাতিটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি চিকিৎসকরা হাতিটির প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন।

কয়েক দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসা চললে হাতিটি সুস্থ হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. অনীক চৌধুরী জানান, হাতিটি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে শুয়ে আছে এবং খুব সামান্য নড়াচড়া করতে পারছে। এতে বিশেষভাবে পেছনের দুই পায়ে গুরুতর আঘাত লাগায় সেগুলো নড়াতে পারছে না।

পেটেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, হাতিটিকে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই ঘটনাস্থলেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের একটি দল ঘটনাস্থলে আসছেন। হাতিটি সুস্থ হয়ে উঠলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আবার বনে অবমুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%