সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৪ পি.এম
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন, সরকারের এক শতাংশ জমিও ছাড় দেওয়া হবে না। যারা সরকারি জমি দখল করে রেখেছে, তাদের কাছ থেকে জমি পুনরুদ্ধার করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "একটি দল বাংলাদেশিদের দোযখের পথে নিতে চায়।" সরকার যখন সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে, তখনই একাত্তরের পরাজিত শক্তি নতুন করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌর অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, "এ সরকার রাতের ভোটের সরকার নয়, এ সরকার গণতান্ত্রিক সরকার।" তারেক রহমানের সরকার ১৮ কোটি মানুষের নির্বাচিত সরকার। তিনি আরও বলেন, "সরকারের ১ ইঞ্চি জমিও কোনো দখলদারের আয়ত্তে থাকতে দেওয়া হবে না।" সরকারি জমি উদ্ধার করে জনগণের কাজে ব্যবহার করা হবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও কাজ করার অনীহা একদিনে ঠিক করা সম্ভব নয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশ যখনই স্থিতিশীল অবস্থার দিকে যায় তখনই পলাতক স্বৈরাচাররা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসব আরেক দল বলে সরকার পতন করে ফেলবে।" এসব বলার কোনো লাভ হবে না। তিনি জানান, "আপনারা যে রাজপথের ভয় আমাদের দেখাচ্ছেন, আমরা সেই রাজপথ থেকে সংসদে ও মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, "আজকে রূপগঞ্জের মানুষ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। তাদের ঠকানো হচ্ছে।" তিনি বলেন, "নিরীহ এসব মানুষের নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত করতে হবে।" তিনি আরও জানান, "একশ্রেণির লোকেরা সরকারি জমিগুলো দখল করে রেখেছে। আজকে ছেলেমেয়েদের খেলাধুলার মাঠ নেই।" ওইসব সরকারি জমি উদ্ধার করে খেলাধুলার জন্য মাঠ তৈরি করার দাবি জানান তিনি।
তারাবো পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সহসভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপন, আফজাল কবীরসহ রূপগঞ্জ থানা ও তারাবো পৌর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. আবদুস সালাম সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন জুলাইয়ের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের সঙ্গে কোনোভাবেই বেঈমানি করা যাবে না।’
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পার্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আবদুস সালাম এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসির প্রশাসক হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে যাত্রাবাড়ীতে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি ছিল সব রাজনৈতিক দলের। ইতোমধ্যে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান। স্বৈরাচাররা আমাদের ওপর কীভাবে গুলি চালিয়েছে, তা আমরা সহজে ভুলে যাইনি।’ আবদুস সালাম জানান, অভ্যুত্থানের ছয় মাসও পার হয়নি। এর মধ্যেই সংসদের বিরোধী দল আন্দোলনের নামে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে উৎখাত করে গণতন্ত্রের পথে হাঁটার সূচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই যাত্রা ও অর্জন ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
যাত্রাবাড়ীতে জুলাইয়ের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে আবদুস সালাম বলেন, ‘এখানে আমাদের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরেছে। আমরা সেই রক্তের ত্যাগকে বৃথা যেতে দিতে পারি না।’
তিনি বলেন, দেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে না। আবদুস সালাম প্রশ্ন করেন, ‘যারা সরকারের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা না করে লংমার্চ ও রোডমার্চের নামে উসকানি দিচ্ছেন, তারা কি আবার সেই ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনতে চান?’
বিএনপি কখনো জনগণের সঙ্গে বেঈমানি করেনি দাবি করে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিলেন। পরে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।’
আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘১৭ বছর আমরা গণতন্ত্রহীন ছিলাম। আজ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কারো অনুকম্পায় তিনি এ পদে আসেননি।’
তিনি মন্তব্য করেন, সরকারকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা বিএনপি রাজপথে মোকাবেলা করবে। এ জন্য দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, ওলামা দল, মুক্তিযোদ্ধা দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘দেশ রক্ষার দায়িত্ব একা কারো নয়, এই দায়িত্ব আমাদের সবার। বিএনপি অন্যায় ও অবৈধ পথে বিশ্বাস করে না। অতীতে বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা হলেও তা কখনো সফল হয়নি।’
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র নবীউল্লা নবীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বানারীপাড়ায় শ্রমিকদল নেতার বিস্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের ১০ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক শেখ ফারুক হোসেন শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জামিনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।
জামিন না পাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সলিয়াবাকপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ফারুক সরদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনির হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন সরদার, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মনির বিশ্বাস, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মহসিন ফকির, বাইশারী ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গির হোসেন বেপারী, সৈয়দকাঠীর সাবেক ইউপি সদস্য রিপন বড়াল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল মাল এবং বন্দর বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুমন পোদ্দার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়ে তারা বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক শেখ ফারুক হোসেন জামিনের আবেদন মঞ্জুর না করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জামিনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন বিচারক।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রাসেল বাদী হয়ে তার বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে গত ২১ জুন বানারীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনি এবং বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানাসহ ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কিছু এলাকায় আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্যাস সরবরাহ পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, যা গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য করা হচ্ছে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি কর্তৃপক্ষ একটি বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দক্ষিণ পাইকপাড়া, সোনালী নগর, বটতলার পূর্বাংশ ও পশ্চিমাংশসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, তিতাস জানায় যে, এসব এলাকার আশপাশে গ্যাসের স্বল্পচাপও থাকতে পারে।
গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের কারণে এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম প্রতিরোধ এবং তদারকি জোরদার করার লক্ষ্যে। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের জবাব, কারণ দর্শানোর নোটিশের ব্যাখ্যা অথবা এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র পাঠাতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কর্মকর্তার (ক্যামেলকো) যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ (এএমএলডি) এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে। সার্কুলারটি দেশের সকল ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ও বিশেষ পরিদর্শন পরিচালিত হয়। পরিদর্শনের সময় যদি কোনো অনিয়ম বা অসংগতি ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে জবাব চাওয়া হয় অথবা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এসব গুরুত্বপূর্ণ চিঠির জবাবে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা এমডির সরাসরি স্বাক্ষর অনুপস্থিত থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের জবাব, বিশেষ আর্থিক হিসাবসংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং কারণ দর্শানোর নোটিশের ব্যাখ্যা এমডি বা সিইও এবং ক্যামেলকোর যৌথ স্বাক্ষরে জমা দিতে হবে।
যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে এমডি পদ শূন্য থাকে অথবা এমডি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আইন অনুযায়ী যিনি ওই পদে দায়িত্ব পালন করছেন তার স্বাক্ষর নিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব জবাব ও নথিতে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যৌথ স্বাক্ষর থাকলে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে তদারকি আরো কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ