পারভিন আক্তার, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা,
১০:৪২ পি.এম
একজন রেডিওলজি টেকনোলজিস্টের মৃত্যুর পর থেকে এক্স-রে বিভাগ বন্ধ রয়েছে প্রায় ৮ মাস। এতদিন পরেও কি একজন নতুন টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি?
শিল্পী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে সস্তায় চিকিৎসা পাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বহু রোগীকে বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময় রোগীদের নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে (একটি মেডিক্যাল সেন্টার) পাঠানোর এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট নিতে অনীহা প্রকাশের অভিযোগও উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি।
দীর্ঘদিন ধরেই এসব বিষয় নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে।
মাননীয় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি মহোদয়, কয়েক দিন আগে আপনি হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে সভা করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। তাই এই বিষয়ে আপনার কঠোর হস্তক্ষেপ চান। সভায় সন্তুষ্ট না হয়ে, আমরা চাই আপনি দায়িত্বে থাকা লোকজনকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনুন।
এক্স-রে বিভাগ দ্রুত চালু করতে, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিতে এবং হাসপাতালের অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।
ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল কোনো সিন্ডিকেট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, এটা আমরা দেখতে চাই না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজেকে দলের একজন কর্মী থেকে দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেছেন তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন এবং প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার। এভাবে কাজ করতে গিয়ে বহু মামলার আসামি হয়েছেন, যা সবারই জানা।
সাভার_সদর_ইউনিয়ন_স্বেচ্ছাসেবক_লীগের সভাপতি হিসেবে যে মানুষটিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই মানুষটি আর কেউ নন—সাভারের এক সময়ের জনপ্রিয় ব্যক্তি। কোনো পদ-পদবির জন্য নয়, বরং দলের ভাবমূর্তিকে অনন্য উচ্চতায় নিতে একজন কর্মীর মতো কাজ করে গেছেন তিনি। তিনি হলেন সাভার_ইউনিয়ন_স্বেচ্ছাসেবক_লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি #সুজন_আহমেদ।
৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায় থেকে নিম্ন পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণির নেতৃবৃন্দের নামে একাধিক মামলা ও হামলার পাশাপাশি তিনিও মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানান। বসবাসরত এলাকায় মবের শিকার হওয়ার আতঙ্কে দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
দেশের বাইরে থেকে সুজন আহমেদ জানান, “আমি দলীয় পদ পাওয়ার পর থেকে এবং তার আগেও দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করেছি। কিন্তু কখনোই দলের নাম ভাঙিয়ে অসৎভাবে অর্থ উপার্জন করিনি। খারাপ কোনো কিছু আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি। বরং আমি যেমন নিজে পরিশ্রম করেছি, একই সঙ্গে নিজের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেছি। জনগণের সেবা করেছি, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “হয়তো আমি দেশের বাইরে চলে এসেছি, তবে কোনো ভয় বা কারও ভীতির কারণে নয়। এলাকায় থাকলে মব সৃষ্টি হতে পারে, কোনো কিছু না করলেও প্রতিহিংসার শিকার হতে পারি—এই আশঙ্কায় বাইরে আছি। দলের জন্য সবসময় ছিলাম, আছি এবং থাকব।”
তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মানুষের ক্ষতি করিনি, বরং দলকে সামনে রেখে মানুষের উপকারে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি। দলের জন্য, জনগণের জন্য যারা ভালো কাজ করেছে, জনগণও তাদের পাশে থাকবে। আশা করি, আগামীতেও দলের হয়ে কাজ করব এবং জনগণের পাশে থাকব।”
তিনি আরও জানান, বিদেশে অবস্থান করলেও নিজের পরিশ্রমের অর্থ থেকে দলের কর্মীদের প্রতি মাসে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। সেবার মাধ্যমে যেভাবে জনগণের ভালোবাসা অর্জন করেছি, আগামীতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।
ইনশাআল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয় শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তারা রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে এবং তাদের কথাগুলি শোনার জন্য তারা সেখানে উপস্থিত হন।
শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে, সার্জিও গরের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পরে, দুপুর ২ টার দিকে, প্রতিনিধি দলটি উখিয়ার ৮-ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছান। ক্যাম্পটির ওয়াচ টাওয়ার থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তারা। প্রায় ২০ মিনিট সেখানে পর্যবেক্ষণ করার পর, ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিডিআরসিএস পরিচালিত হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম দেখতে যান। সেখানে হাসপাতালের রোগী, নার্স এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এরপর সন্ধ্যায়, বিকাল সাড়ে ৩টায়, উচ্চ পর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধি দলটি উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর পরিচালিত রেজিস্টেশন সেন্টার পরিদর্শনে যান। সেখানে দলের সদস্যরা কার্যক্রমের খোঁজ-খবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করেন। পরে বিকাল সোয়া ৪ টায়, উখিয়ার ৪-এক্সটেনশন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (ডব্লিউএফপি) পরিচালিত খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে যান। সেখানে তারা খাদ্য বিতরণের কার্যক্রম দেখে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংস্থাটির সংশ্লিষ্টদের সাথেও আলাপ করেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সার্বিক পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর, বিকাল পৌণে ৫ টায়, উখিয়া উপজেলা সদরের নর্থ এন্ড ক্যাফেতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সার্জিও গর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সহ প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক শেষে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ দাতা দেশ হিসেবে সহায়তা করে আসছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অনুদানগুলো কিভাবে রোহিঙ্গাদের সহায়তা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে তা সরেজমিনে দেখতে মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই সফর। ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
এদিকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সফরের সময়, রোহিঙ্গারা জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের তত্ত্বাবধানে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন। এসময় তারা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্লেকার্ড প্রদর্শন করে নানা দাবি জানিয়েছেন।
রোহিঙ্গারা জানাচ্ছেন, নিরাপত্তার সাথে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা পেলে তারা স্বদেশে ফিরে যাবেন।
সন্ধ্যায় প্রতিনিধি দলটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
তিন দিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গর। সফরের শেষ দিন শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মো. আতিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে। তিনি এসব মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি, প্রকৃত সত্য সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
ওসি এলএসডি মো. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে ওই অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি তার পছন্দের ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাল কিনছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক মিথ্যা। এটি খাদ্য বিভাগের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অজ্ঞতার একটি প্রকাশ।
তিনি আরো বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) মহোদয় স্থানীয় চালকল মালিকদের সাথে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চাল কেনার চুক্তি সম্পাদন করেন। কোন মিলার কতটুকু চাল সরকারি গুদামে সরবরাহ করবেন, তা জেলা খাদ্য বিভাগ ও চুক্তির ওপর নির্ভর করে। ফলে, উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি এলএসডি) নিজের পছন্দ-অপছন্দ, হাত বা একক কর্তৃত্ব খাটানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।
তিনি আরও বিস্তারিতভাবে মন্তব্য করেছেন, "একজন ওসি এলএসডি হিসেবে, আমার মূল দায়িত্ব হলো জেলা কার্যালয় থেকে অনুমোদিত এবং চুক্তিবদ্ধ মিলারদের কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক সঠিক মানের চাল নিয়মানুযায়ী গ্রহণ করা। আমি সরকারের সেই নির্দেশনা ও দায়িত্বই সততার সাথে পালন করে আসছি।"
মো. আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, খাদ্য বিভাগের চাল সংগ্রহের চেইন অব কমান্ড ও আইনি প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে, কিছু মিডিয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এতে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও হয়রানিমূলক সংবাদে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিডিয়া গুলোর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশও জারি করেছে দলটি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এনসিপির দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মতো মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে তাকে অবিলম্বে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী কেন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা নোটিশ পাওয়ার দুই কার্যদিবসের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও ব্যাখ্যাও এই সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ