ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জলবায়ু পরিবর্তনে দেশ হারালে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: মোহাম্মদ নাশিদ


জলবায়ু পরিবর্তনে দেশ হারালে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: মোহাম্মদ নাশিদ

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে পৃথিবী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এই বিষয়টি তুলে ধরে মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ মন্তব্য করেছেন যে, "পৃথিবীর সবকিছুই টাকার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু সেই টাকা ব্যবহার করতে হলে আগে তো মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে।" তিনি বলেন, এমন উন্নয়ন কৌশল প্রয়োজন, যা একই ধরনের অর্থনৈতিক সুফল প্রদান করবে, কিন্তু গ্রহ ও পরিবেশের ক্ষতি কমাবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর সমাপনী দিনে তিনি এসব কথা বলেন। নাশিদ আরও বলেন, "আমি সমৃদ্ধি বুঝি, আমি বাণিজ্য বুঝি, আমি ফাইন্যান্স বুঝি। আমি জানি, পৃথিবীর সবকিছুই টাকার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু সেই টাকাকে ব্যবহার করতে হলে আগে তো আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের এমন একটি উন্নয়ন কৌশল দরকার, যা আপনাকে সমমানের অর্থনৈতিক ফলাফল দেবে, কিন্তু আমাদের গ্রহ বা পরিবেশের ক্ষতি অনেক কম করবে।" জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবনযাপনের অভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে নাশিদ বলেন, "গ্রহটি যখন বদলে যাচ্ছে, তখন মানুষেরও নিজেদের অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত।" তবে তিনি সতর্ক করেন যে, "শুধু গ্রহকে বাঁচানোর জন্য মানুষকে দরিদ্র হয়ে থাকতে বলা যায় না।"

আরও পড়ুন: চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, "আমি আমাদের মানুষকে দরিদ্র হয়ে থাকতে বলতে পারি না, কেবল এ জন্য যে আমরা গ্রহকে বাঁচাতে কৃচ্ছ্রসাধন করতে চাই। আমরা তা করতে পারি না।" তিনি উল্লেখ করেন, কিছু দেশ পৃথিবীর সম্পদ নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে ধনী হয়েছে, আর এর মূল্য দিতে হয়েছে অন্যদের। নেপালের মানুষ এমন কিছু করেনি, যার কারণে দেশটিতে ভয়াবহ বন্যা হতে পারে। একইভাবে, মালদ্বীপের মানুষও এমন কিছু করেনি, যার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে, এর খেসারত কাউকে না কাউকে দিতে হবে।

নাশিদ বলেন, "আমরা এখনও কেবল নিজেদের বেঁচে থাকার তাগিদেই এই গ্রহকে ইকোসিস্টেমের সেবা দিয়ে যাচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, মালদ্বীপসহ যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাবের মুখোমুখি হচ্ছে, তারা কোনো দান-খয়রাত চায় না। তারা অনুদান বা সাহায্যও চাইছে না। "আমরা যে পরিবেশগত সেবা দিয়ে যাচ্ছি, তার বিনিময়ে ন্যায্য পাওনা চায়।"

তিনি বলেন, "আমরা এই গ্রহকে একটি পরিবেশগত সেবা দিচ্ছি। আর তাই আমরা আশা করতেই পারি, এর বিনিময়ে আমাদের মূল্য দেওয়া হবে। তবে আমরা কোনো দান-খয়রাত চাইছি না। আমরা কোনো অনুদান বা সাহায্য প্রার্থনা করছি না। আমরা কেবল একটি ন্যায্য বা সঠিক পাওনা চাইছি।" জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমুদ্রসীমা নিয়ে ভবিষ্যতে যে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে, সেটিও তুলে ধরে নাশিদ বলেন, "প্রকৃতিকে রক্ষা করা না গেলে মানুষও বেঁচে থাকতে পারবে না।"

তিনি প্রশ্ন তোলেন, "কোনো রাষ্ট্র জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তলিয়ে গেলে কী হবে?" তিনি বলেন, "মানুষ হয়তো বেঁচে থাকবে, ধরা যাক আমরা বেঁচে গেলাম, কিন্তু দেশটি তো হারিয়ে গেল।" সমুদ্র আইন অনুযায়ী উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একটি দেশের রাজনৈতিক সীমানা নির্ধারিত হয়। নাশিদ প্রশ্ন করেন, "সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার কারণে যদি কোনো দেশের তটরেখা তলিয়ে যায়, তাহলে সেই দেশ কি তার জায়গা বা সীমানা হারাবে?"

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

তিনি উল্লেখ করেন, মালদ্বীপের ২০০ নটিক্যাল মাইলের একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে এবং ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তারা সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পায়। এসব হিসাব উপকূল বা তটরেখা থেকে নির্ধারিত হয়। এখন সমুদ্রের পানি বেড়ে উপকূল তলিয়ে গেলে কী হবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও প্রয়োজন। নাশিদ বলেন, "আমাদের কারণে নয়, বরং আপনারা যা করেছেন তার কারণে আমরা আমাদের দেশকে হারিয়ে ফেলতে পারি না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা যে ধরনের ভবিষ্যৎ বা পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি, এটি তারই একটি বাস্তব রূপ।"

জলবায়ু পরিবর্তনকে শুধু অন্যদের সমস্যা মনে করার প্রবণতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এটি একটি ভুল ধারণা।" অনেকে মনে করেন, মালদ্বীপ হারিয়ে যাবে। কিন্তু মালদ্বীপ হারিয়ে যাওয়ার আগেই অন্য দেশের ভূখণ্ড বা দেশ হারিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, "এটি সবার সঙ্গেই ঘটছে। তাই দয়া করে জেগে উঠুন। এতটা নির্বোধ হবেন না, এতটা অজ্ঞ হবেন না। আসুন আমরা পুনর্বিবেচনা করি।"

এ সময় সমুদ্র আইন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের সীমানা ও সমুদ্রসীমার সংজ্ঞা নতুন করে বিবেচনার আহ্বান জানান মালদ্বীপের সাবেক এ প্রেসিডেন্ট।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া অপসারণের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলো সরকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, মার্কিন মেরিন সেনা আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


জাপানের হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, মার্কিন মেরিন সেনা আটক

জাপানের ওকিনাওয়া অঞ্চলের একটি হোটেল থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর সন্দেহভাজন হিসেবে এক মার্কিন মেরিন সেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিসি সূত্রে জানা যায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই ঘটনার বর্ণনা করেছেন ‘নৃশংস ও জঘন্য’ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ড হিসেবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাদের ওপর আরও কঠোর শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে।

জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানায়, নিহত নারীর নাম ইয়াগি আন্না, যিনি ৩৯ বছর বয়সী। সন্দেহভাজন সেনার নাম ডেভিন জ্যাকব ব্যালার্ড, যিনি ২০ বছর বয়সী এবং মার্কিন মেরিন কোরের ফুতেনমা বিমানঘাঁটিতে কর্মরত।

মার্কিন মেরিন কোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, তারা জাপানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে একজন মেরিন সেনার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে। নিহত নারীর পরিবারের প্রতি তারা সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানান, শনিবার ভোরে ওকিনাওয়ার রাজধানী নাহা শহরের একটি হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, ওকিনাওয়া জাপানের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।

কোইজুমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, মার্কিন সেনাদের জড়িত কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

টোকিওতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানায়, তারা জাপান সরকার ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে। এ ঘটনায় আলোচনার জন্য রবিবার জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জর্জ গ্লাসকে তলব করেছে।

ওকিনাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ওকিনাওয়ার গভর্নর জেন্তা কোজা বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রদেশটি বারবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তার মতে, এবারের ঘটনার মাধ্যমে মার্কিন সেনাদের মধ্যে শৃঙ্খলার ঘাটতির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটায় সেনাদের শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এটি ওকিনাওয়ায় মার্কিন সেনাদের জড়িত থাকার সর্বশেষ ঘটনা। জাপানে দায়িত্ব পালন করা প্রায় ৫৪ হাজার মার্কিন সেনার অর্ধেকের বেশি ওকিনাওয়ায় অবস্থান করছেন।

এর আগে মার্কিন সেনাদের জড়িত বিভিন্ন ঘটনায় ওকিনাওয়ায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯৫ সালের একটি ঘটনা বড় বিক্ষোভের জন্ম দেয়, যখন ১২ বছর বয়সী এক মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছিল।

২০২৪ সালেও ওকিনাওয়ায় মার্কিন সেনাদের জড়িত চারটি যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য ব্রেনন ওয়াশিংটনের ঘটনাও ছিল, যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক এক মেয়েকে ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কা আইএমএফের কাছ থেকে ৩৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


শ্রীলঙ্কা আইএমএফের কাছ থেকে ৩৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে যে, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তারা একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর ফলে দেশটি আইএমএফের ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা কর্মসূচি থেকে প্রায় ৩৪৫ মিলিয়ন ডলার পেতে সক্ষম হবে।

তবে আইএমএফ সতর্ক করে বলেছে যে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, এল নিনো আবহাওয়াজনিত প্রভাব এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এটি সর্বশেষ একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

২০২২ সালে দেশটি ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হওয়ার পর সংকট চরমে পৌঁছেছিল।

এরপর ২০২৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি চার বছরের জন্য ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ সহায়তা প্যাকেজ পেয়েছে।

আইএমএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একের পর এক ধাক্কার পরও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে।’

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২২ সালে অর্থনীতি ৭ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হওয়ার পর টানা ১১টি প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

তবে আইএমএফ সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কতদিন চলবে এবং এর তীব্রতা কতটা হবে, বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতি ও এল নিনোর প্রভাব—এসব বিষয়ে অনিশ্চয়তা শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি হয়ে রয়েছে।

এ মাসের শুরুতে শ্রীলঙ্কা সরকার ১২৬ মিলিয়ন ডলারের ডিজেল ভর্তুকি আবার চালু করায় আইএমএফ সমালোচনা করেছে।

সংস্থাটি বলেছে, জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমন্বয় করা উচিত। একই সঙ্গে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আইএমএফ আরও বলেছে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে যদি মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বিতীয় দফায় চাপ তৈরি হয়, তাহলে শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রানীতি আরও কঠোর করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি সুদের হার ১০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় আরও সুদের হার বাড়ানোর আহ্বান তারা এখনো প্রত্যাখ্যান করছে।

সর্বশেষ এই সমঝোতার ফলে শ্রীলঙ্কা আইএমএফের বর্তমান কর্মসূচির শেষের আগের কিস্তি পাওয়ার পথে এগোল। কর্মসূচিটির মেয়াদ আগামী মার্চে শেষ হওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলভেস্টার স্ট্যালোন: ‘প্রত্যেকের জীবনেই গল্প, প্রকাশের সুযোগ মেলে না সবার’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


সিলভেস্টার স্ট্যালোন: ‘প্রত্যেকের জীবনেই গল্প, প্রকাশের সুযোগ মেলে না সবার’

হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোন সম্প্রতি তার জীবনের সংগ্রামের গল্প কেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘রকি’-র মাধ্যমে পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছিলেন, তা জানিয়েছেন। চ্যাট শো ‘দ্য টুনাইট শো স্টাররিং জিমি ফ্যালন’-এ উপস্থিত হয়ে তিনি নিজের জীবনের নানা চড়াই-উতরাই এবং এই সিনেমার পেছনের ভাবনার কথা শেয়ার করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপক জিমি ফ্যালন তার ১৩ বছরের মেয়ের সঙ্গে ‘রকি’ সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, রকির কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের গল্প আজও নতুন প্রজন্মকে একইভাবে মুগ্ধ করে। স্ট্যালোন এই মন্তব্যের জবাবে বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনেই একটি গল্প থাকে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অনেকেই তা প্রকাশ করার সুযোগ পান না। আমার কাছে সেই সুযোগটি এসেছিল।’

নিজের দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘আমার জীবন অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। ভাবলাম, আমার এই অভিজ্ঞতাগুলো মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত। এতে হয়তো কেউ এই শিক্ষা পাবেন যে, জীবনের পথ যতই কঠিন হোক লড়াই চালিয়ে যেতে হবে এবং এই লড়াইয়ে কেউ একা নন।’

এদিকে স্ট্যালোনের এই বাস্তব জীবনের অনুপ্রেরণাদায়ক লড়াই নিয়েই নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘আই প্লে রকি’। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রকি বালবোয়া চরিত্রটি বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে ওঠার আগে তিনি কিভাবে সামান্য অর্থ আর সীমিত সুযোগ নিয়ে একজন সংগ্রামী অভিনেতা থেকে শীর্ষ অ্যাকশন তারকায় পরিণত হয়েছিলেন, তা তুলে ধরা হবে এই চলচ্চিত্রে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালালে অগ্নিনির্বাপক মহড়া, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


শাহজালালে অগ্নিনির্বাপক মহড়া, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিমান দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।

এই মহড়া সোমবার (৫ অক্টোবর) বিমানবন্দরের নির্ধারিত এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মহড়ায় একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করে উড়োজাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বাস্তবায়ন করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তাদের উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম প্রদর্শন করে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং প্রয়োজনে যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়।

এছাড়া, জরুরি মুহূর্তে বিভিন্ন সংস্থার তাৎক্ষণিক সাড়া, যোগাযোগব্যবস্থা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের সক্ষমতা যাচাই করা হয়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিয়মিত এ ধরনের মহড়া আয়োজন করা হয় বিমানবন্দরে। এর মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মীদের প্রস্তুতি যাচাই করা ছাড়াও উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, প্রযুক্তি এবং জরুরি যোগাযোগব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মহড়ার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে তা চিহ্নিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এসব ঘাটতি দূর করে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা সম্ভব হয়।

শাহজালালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ চলাচল করে, তাই দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহড়ায় বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%