বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৭ পি.এম
রাঙ্গামাটি জেলায় আজ ১৮-এপিবিএনের উদ্ধার করা অর্থ ও হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার সকালে রাঙ্গামাটির ১৮ এপিবিএন কার্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের হাতে ৪২টি মোবাইল ফোন এবং ৭৭ হাজার টাকা তুলে দেন ১৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. রেজাউল করিম।
এই অনুষ্ঠানে ১৮ এপিবিএনের সহ অধিনায়ক মো. এনায়েত করিম (পিপিএম-সেবা), এ্যাডজুটেন্ট মো. মশিয়ার রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইত্তেখায়রুল ইসলামসহ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সাইবার ক্রাইম সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. রেজাউল করিম বাসস’কে জানান, ‘জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। শুধুমাত্র অপরাধী গ্রেপ্তার নয়, একজন অসহায় মানুষের হারানো আমানত ফিরিয়ে দেয়ার মধ্যেই পুলিশের সেবার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে।’
তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারে সাধারণ জনগণকে আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও সাইবার ক্রাইম সেলের দক্ষতার মাধ্যমে ভুলবশত বিকাশে চলে যাওয়া ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় ৪২টি মোবাইল ফোনও। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে উপস্থিত মালিকদের হাতে এসব তুলে দেন কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া অর্থ ও মোবাইল ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা এপিবিএনকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুটি পৃথক মামলায় সাবেক হুইপ এবং পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে গ্রেফতার দেখিয়েছে আদালত।
আজ পুলিশ তাকে কারাগার থেকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাকে এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত পরবর্তীতে ফিরোজকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আসামিদের গুলিতে আন্দোলনকারী নাইম হাওলাদার (১৭) নিহত হন। এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। একই দিনে যাত্রাবাড়ী থানায় আসামিদের গুলিতে আহত হন আন্দোলনকারী তারেক চৌকিদার (২৪)। এই ঘটনার পর ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঢাকার বনানী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এআইয়ের দায়িত্বশীল, নীতিগত ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়নের পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘কোন ধরনের কাজ বা গবেষণায় এআই ব্যবহার করা যাবে, কোথায় যাবে না এবং ঠিক কতটুকু ব্যবহার করা যাবে তা নীতিমালায় স্পষ্ট থাকা উচিত। এআই শিক্ষা ও গবেষণাকে দ্রুত করলেও এটি ভুল তথ্য ও পক্ষপাত ছড়াতে পারে। এআই চালিত 'লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল' কোনো উত্তরের দায় নেবে না। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের চূড়ান্ত দায়ভার ও স্বচ্ছতা আমাদেরকেই নিতে হবে।’
আজ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাকাডেমিক অ্যান্ড রিসার্চ ইন্টিগ্রিটি কনক্লেভ ২০২৬’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গবেষণায় স্বচ্ছতা রক্ষায় ‘এআই ডিসক্লোজার স্টেটমেন্ট’ চালুর প্রস্তাব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, নীতিমালায় কোন এআই টুল কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং তথ্য বিষয়ে কীভাবে সত্যতা যাচাই করা হয়েছে, তা গবেষককে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
এআই যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মূল্যায়নে প্রথাগত ধারার পরিবর্তনের ওপর তিনি জোর দেন। শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তা, মৌখিক পরীক্ষা, গবেষণার খসড়া নথি সংরক্ষণ ও বাস্তব সমস্যা সমাধানের মতো পদ্ধতি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি, কেবল এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর না করে।
একাডেমিক অসততা বন্ধে শিক্ষকদের পদোন্নতিতে গবেষণার সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেন ড. মামুন আহমেদ। তিনি বলেন, পাঁচটি নিম্নমানের প্রকাশনার চেয়ে একটি উচ্চমানের গবেষণাপত্র অধিক মূল্যবান। গবেষণাপত্র বাড়ানোর অন্ধ প্রতিযোগিতার সুযোগে প্রিডেটরি জার্নালে প্রকাশনা এবং এআই দিয়ে ভুয়া ডাটা তৈরির যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা রোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহিতা থাকা আবশ্যক।
শিক্ষার্থীদের গবেষণার সততা নিশ্চিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের আগেই সব শৃঙ্খলা বা বিভাগের জন্য ‘গবেষণার নৈতিকতা ও সঠিক উদ্ধৃতি’ সংক্রান্ত একটি বাধ্যবাধকতামূলক কোর্স চালুর পরামর্শ দেন ইউজিসি প্রধান। তিনি চৌর্যবৃত্তি, লেখকত্ব, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও এআই ব্যবহারের সীমা নির্ধারণে একটি জাতীয় কাঠামো তৈরির ওপরও জোর দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য রাশেদা কে চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ এম ইউসুফ হায়দার, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান টার্নিটিনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক চৈতালি মিত্র এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, গবেষক ও শিক্ষাবিদগণ এতে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারী দল আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে নিখোঁজ স্পিডবোটের সন্ধানে, যেটিতে আটজন ছিলেন, তাদের মধ্যে পাঁচ সাংবাদিকও রয়েছেন। এই সাংবাদিকরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন।
দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থা বাসারনাস এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানা যায়।
বাসারনাসের তথ্য অনুযায়ী, আটজনের দলটি সোমবার বিকেলে জাকার্তার পশ্চিমাঞ্চলের একটি এলাকা থেকে স্পিডবোটে যাত্রা শুরু করে। যাত্রার কিছু সময় পর বোটের মালিকের সঙ্গে নৌযানটির ক্রুদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পাঁচজন ইন্দোনেশীয় সাংবাদিক মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সেখানে যাচ্ছিলেন। ইন্দোনেশিয়ায় চলমান অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং জাকার্তাসহ দেশের বিভিন্ন শহর আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ঢেকে গেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে ছিলেন বোটের দুই কর্মী ও একজন গাইড। মঙ্গলবার বিকেলে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান শুরু হলেও, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রবল ঢেউ ও কম দৃশ্যমানতার কারণে অভিযানটি স্থগিত করা হয়।
বুধবার উদ্ধারকারী দল অনুসন্ধান এলাকা আরও বিস্তৃত করেছে। বাসারনাস জানিয়েছে, অভিযানে পুলিশ, সামরিক বাহিনী, জেলে ও স্বেচ্ছাসেবকসহ কয়েক ডজন উদ্ধারকর্মী অংশ নিচ্ছেন।
এক বিবৃতিতে বাসারনাস বলেছে, ‘উদ্ধার ও অনুসন্ধানকারী যৌথ দল প্রয়োজনীয় জনবল, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে যাবে।’
উদ্ধার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ সাংবাদিকদের একজন সোমবার বিকেল ৩টার দিকে এক সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। হঠাৎ করেই কিছু পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, ‘মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন রুনা লায়লা’ বলে।
এমন ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিল্পীর একমাত্র মেয়ে তানি লায়লা। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের ছবি শেয়ার করে তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তানি অভিযোগ করেন যে, সামান্য অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে এআই দ্বারা তৈরি ভিডিও, ছবি ও ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে।
তানি লিখেছেন, ‘সামান্য কিছু অর্থ উপার্জনের লোভে এ ধরনের পোস্ট, এআই দিয়ে তৈরি ইউটিউব ভিডিও এবং ভুয়া খবর ছড়ানোর বিষয়টি দেখে আমি সত্যিই বিরক্ত ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি! আমি ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের কন্টেন্টগুলোর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করা শুরু করব—একটা একটা করে, যতক্ষণ না এই সব মাথামোটা লোক তাদের এই বাজে কাজ বন্ধ করে।’
তানি লায়লা আরও বলেন, ‘আমার মা তাঁর জীবনের ছয়টি দশক সংগীতের সেবায় উৎসর্গ করেছেন, অথচ মানুষ এখনো তাঁকে এভাবেই অসম্মান করে চলেছে—কী চরম লজ্জার ও অপমানের বিষয় আমাদের জন্য! আমার মা সম্পূর্ণ সুস্থ ও জীবিত আছেন; কেউ মারা যাননি বা মৃত্যুর মুখেও নেই—এসবই এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি ভিডিও ও ছবি। গণমাধ্যমের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে তথ্য যাচাই করুন এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করুন।’
শেষে তানি লায়লা লেখেন, ‘আর সহ্য করা যাচ্ছে না... যারা রুনা লায়লাকে অনুসরণ করেন, দয়া করে এ ধরনের অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করুন। ধন্যবাদ, আমার ক্ষোভ প্রকাশ এখানেই শেষ।’
রুনা লায়লাকে নিয়ে এমন গুজব এবারই প্রথম নয়। চার মাস আগে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একই ধরনের ভুয়া খবরের শিকার হয়েছিলেন। সেবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর মৃত্যুর খবর। পরে বিষয়টি যে পুরোপুরি গুজব, তা নিজেই নিশ্চিত করেন রুনা লায়লা। তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের তাঁর সুস্থতার খবর জানান।
রুনা লায়লা লিখেছিলেন, ‘আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে। আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে, আমি বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, এ ধরনের কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।’
ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রুনা লায়লার অসুস্থতা কিংবা মৃত্যুর যে খবর ছড়িয়েছে, তা নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে তানি লায়লা। একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য ও এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো অ্যাকাউন্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ