ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন


পটুয়াখালীতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা।

বুধবার সকালের প্রথমে সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে শেষ হয় ঝাউতলা সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠের মেলা প্রাঙ্গণে।

এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের স্লোগান, কালকিনি-ডাসারে আলোচনা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এরপর উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন কর্মকর্তা নুরুন্নাহারের সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককেও তাঁর নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমানো, অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

জেলা প্রশাসন ও উপকূলীয় বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বৃক্ষমেলা চলবে ১৫ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। মেলায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ২৫টি স্টলে ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছের বিভিন্ন প্রজাতির চারা প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পোরশায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় নারীদের মাঝে ৩৬টি শাড়ি বিতরণ করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পোরশা উপজেলা শাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সারা শহরজুড়ে দুর্গন্ধ, নাক চেপে চলতে হচ্ছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


‘সারা শহরজুড়ে দুর্গন্ধ, নাক চেপে চলতে হচ্ছে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেড্ডা এলাকায় শহরের সড়কের পাশে রয়েছে ময়লার স্তূপ। সম্প্রতি তোলা হয়েছে ছবি।

হ্যান্ডেলবার থেকে হাত সরিয়ে হঠাৎ নাক চেপে ধরলেন রিকশাচালক হারুণ মিয়া। কথার মাঝে হঠাৎ তিনি চুপ হয়ে গেলেন।

প্রায় একশ গজ যাওয়ার পর তিনি বললেন, ‘আর কইয়েন না। সারাডা শহরে গন্ধ আর গন্ধ। গন্ধ মানে পচা গন্ধ। নাক চাইপ্পা চলন লাগে।

খালি আমি না, হগলেঅই দেখবেন নাহে ধইরা যায়। কেউ কেউ দেখবেন মাস্ক লাগায়া রাখছে।’

হারুণ মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধের অবস্থা নিয়ে কথা বলছিলেন। মেড্ডায় (সিও অফিস) অবস্থিত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় এই কথাবার্তা হচ্ছিল।

মেড্ডার বাসিন্দা চয়ন বিশ্বাস তার অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। তিনি বলেন, ‘ঘর থেকে বের হলেই চোখে ময়লা পড়ে। সড়কের পাশে ফেলে রাখা ময়লার জায়গাটুকু আগে থেকেই শ্বাস বন্ধ করে পার হই। কখনো কখনো আগে মনে না থাকলে দুর্গন্ধ নাকে গিয়ে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।’

সম্প্রতি সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সড়ক, রেলপথ কিংবা নৌপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসা হোক না কেন, সড়কের পাশে ময়লার স্তূপ দুর্দান্তভাবে চোখে পড়বে।

এ ধরনের ময়লা থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধে পৌর এলাকায় চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সড়কপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে এলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অদূরে কাউতলী এলাকায় ময়লার স্তূপ চোখে পড়ে। রেলপথের স্টেশন থেকে শহরে আসার পথে ডানদিকে একাধিক ময়লার স্তূপ দেখতে পাওয়া যায়। আবার নৌপথে গোকর্ণঘাটে নামলে রয়েছে বিশাল ময়লার ভাগাড়। এলাকাবাসী মানববন্ধন করলেও এতে কোনো ফল মেলেনি।

বিভিন্ন কার্যালয়ের সামনে থাকা ময়লা-আবর্জনা মানুষকে আরো বেশি অস্বস্তিতে ফেলছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে একাধিক ময়লার স্তূপ পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা জানিয়ে দিচ্ছে।

শহরের ব্যস্ততম সড়ক টিএ রোডের মঠের গোড়ার সামনেই একটি ডাস্টবিন রয়েছে। এছাড়া হালদারপাড়া, মৌলভীপাড়া, মধ্যপাড়া, পাইকপাড়া, শিমরাইলকান্দি সহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত অর্ধশত ময়লার স্তূপ চোখে পড়ে।

জানতে পারা গেছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ময়লা আনার প্রক্রিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় অনেকটাই সীমিত ও অনিয়মিত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাসিন্দারা বিভিন্ন স্থানে দিয়ে রাখা ডাস্টবিনে ময়লা ফেলেন। আবার কিছু জায়গায় কেউ ময়লা ফেললে সেখানে অন্যরাও ময়লা ফেলেন। এর ফলে শহরের শতাধিক স্থান ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

পৌরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

নদী, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের সংগঠন তরী বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় স্বস্তির নিঃশ্বাসও ফেলা যায় না। শহরজুড়ে এখন ময়লার দুর্গন্ধ রয়েছে। বলা যায় যে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একেবারে ভেঙে পড়েছে।’

এক প্রশ্নের উত্তরে শামীম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা নানা অজুহাত দেখান। কখনো বলেন লেবার সংকট, কখনো বলেন গাড়ি কম। সব মিলিয়ে শহরের মানুষের জন্য দুর্বিষহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের পাশে ফেলে রাখা ময়লা ড্রেনে ঢুকে মেড্ডা, ফুলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে।’

সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানালেন শামীম আহমেদ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক উপসচিব শরিফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, ‘কিছু এলাকার ময়লা-আবর্জনা নিষ্কাশনের বিষয় আমি নিজেই তদারকি করি। মূলত আমাদের লোকবলের অভাব রয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতিও নেই। মানুষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্যও বাড়ছে। এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা: বৃষ্টি নিয়ে যা জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা: বৃষ্টি নিয়ে যা জানা গেল

 

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকা সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ৫ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, এর ফলে বুধবার (১৫ জুলাই) দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও, সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে (১৭ ও ১৮ জুলাই) বৃষ্টিপাতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। এর আগে বুধবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া পূর্বাভাস থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)

এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই)

এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শনিবার (১৮ জুলাই)

এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রবিবার (১৯ জুলাই)

আগামী রবিবার সকালে ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারি বর্ষণে সড়ক ধস, হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ভারি বর্ষণে সড়ক ধস, হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলস্বরূপ, ঢেউখালী ইউনিয়নের পিয়াজখালী হাটসংলগ্ন পিয়াজখালী-চন্দ্রপাড়া সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। এর ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

জানা গেছে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পিয়াজখালী বাজার থেকে চন্দ্রপাড়া হয়ে ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। এছাড়াও, পিয়াজখালী এলাকার শয়তানখালী ঘাট থেকে বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই ধসে গেছে। যে অংশটি অবশিষ্ট রয়েছে সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে এবং যেকোনো মুহূর্তে সেটিও ধসে পড়তে পারে।

এতে পুরো সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, এবং একই সঙ্গে সড়কসংলগ্ন কয়েকটি পাকা দোকানঘরও হুমকির মুখে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাঈদ বলেন, ‘অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সড়কটি ধসে গেছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চালকদের দুর্ভোগ আরো বাড়বে।’

অটোরিকশাচালক সালাম শেখ জানিয়েছেন, ‘বলাশিয়া ঘাট থেকে বিভিন্ন মালামাল এই সড়ক দিয়ে পিয়াজখালী হাটে আনা-নেওয়া করা হয়। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে গেলে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’

ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি বলেন, ‘প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে এই স্থানে রাস্তা ভেঙে যায়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তারা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’

সদরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সড়ক ধসের বিষয়টি আমরা জেনেছি। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যা আর না হয়। খুব দ্রুতই কাজ শুরু করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের বহুমুখী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন ঘাঁটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ইরানের বহুমুখী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন ঘাঁটি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইরানের উপকূলীয় অঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ধারাবাহিক মার্কিন হামলার জবাবে এবার কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে তেহরান। এই হামলাগুলো পরিচালনা করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনী (আর্তেশ) যৌথ অভিযানের মাধ্যমে।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাদের বিশেষ সামরিক অভিযান ‘নাসর-২’ এর অংশ হিসেবে কুয়েতের মিনা আবদুল্লাহ এলাকায় অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রধান লজিস্টিক ও সাপোর্ট সেন্টার ‘কেজেএল’ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আইআরজিসি দাবি করেছে, এই কেন্দ্রটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর রসদ সরবরাহের প্রধানতম হাব ছিল এবং সফল হামলায় এটি আগুনে পুড়ে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর একটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা, একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যাটারি এবং হিমার্স লঞ্চার লক্ষ্য করেও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলার পর কুয়েতের জনগণের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় আইআরজিসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কুয়েতের সাথে তাদের কোনো শত্রুতা নেই; তবে মার্কিন আগ্রাসন রুখতে কুয়েতের মাটি থেকে মার্কিন ঘাঁটি অপসারণের জন্য দেশটির জনগণের সোচ্চার হওয়া উচিত।

একই সময়ে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের (ফিফথ ফ্লিট) সদর দফতরেও বড় ধরনের আঘাত হেনেছে ইরান। আইআরজিসির ১২তম বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, বাহরাইনে মার্কিন নৌবহরের জাতীয় নিরাপত্তা তথ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, কমান্ড ও কন্ট্রোল ইউনিট, যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রাংশের বিশাল গোডাউন এবং জ্বালানি ডিপোগুলোতে নিখুঁত নিশানা হেনেছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো। হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ ও আঞ্চলিক জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার মার্কিন চেষ্টার জবাবে এই পাল্টা আঘাত আনা হয়েছে উল্লেখ করে ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আঞ্চলিক তেল ও গ্যাস রপ্তানির সুবিধা হয় সবাই ভোগ করবে, অন্যথায় কেউ করতে পারবে না। মার্কিন আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কঠোরভাবে বন্ধ রাখা হবে বলেও ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোতে ধ্বংসাত্মক হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড। আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে তীব্র হামলা চালিয়ে মার্কিন বাহিনীর এফ-১৫, এফ-১৬ ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের বিশেষ হ্যাঙ্গার এবং বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ স্ট্র্যাটেজিক ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে। এর পরপরই ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী তাদের নিজস্ব সামরিক অভিযান ‘সায়েকাহ-৮’ এর অধীনে একই বিমানঘাঁটিতে দ্বিতীয় দফায় ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ও ভারী সামরিক সরঞ্জামের বিশাল হ্যাঙ্গারগুলোকে নিশানা করা হয়। জর্ডানের নাগরিকদের প্রতিও ইরান ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিয়ে বলেছে, জর্ডানের পবিত্র ভূমিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি যেন কোনোভাবেই ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%