ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেভাবে পাবেন অবসরভাতা


এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেভাবে পাবেন অবসরভাতা

দীর্ঘদিন ধরে পাওনা বঞ্চিত এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণের উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ বিতরণ কার্যক্রম আগামী ১৫ আগস্ট ৬৪ জেলায় একযোগে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) যুগান্তরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের প্রায় ৭০ হাজার ও কল্যাণ ট্রাস্টের ৪৪ হাজার অর্থাৎ মোট ১ লাখ ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী অর্থ পেতে যাচ্ছেন।

এবার অবসরভাতার টাকা পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টা সঠিক পথে পরিচালনা করতে, প্রথমবারের মতো আইবাস++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

ফলে এবার কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সহায়তা নেয়া প্রয়োজন হবে না।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে পাওনা না পেয়ে দুর্ভোগের মধ্যে থাকা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানোর মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

অবসর সুবিধা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদন নিষ্পত্তির কাজ চলমান রয়েছে।

এই পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার ১১৫টি আবেদনের নিষ্পত্তির পরিকল্পনা রয়েছে। চাকরিকালে প্রধান বেতনের ৬ শতাংশ হারে জমা দেয়া চাঁদার ভিত্তিতে অবসর সুবিধার অর্থ নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন: চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, একজন শিক্ষক বা কর্মচারী সর্বোচ্চ প্রায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এই পর্যায়ের আবেদন নিষ্পত্তিতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমা হওয়া প্রায় ৪৪ হাজার আবেদনের নিষ্পত্তির কাজ চলছে।

কল্যাণ সুবিধার জন্য চাকরিকালে মূল বেতনের ৪ শতাংশ হারে চাঁদা জমা প্রদান করা হয়। এর ভিত্তিতে একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী সর্বাধিক প্রায় আড়াই লাখ টাকা এবং নিম্নে প্রায় ৫০ হাজার টাকা পেতে পারেন। এই পর্যায়ের আবেদন নিষ্পত্তিতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট মিলিয়ে ১ লাখ ১৪ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা রয়েছে। সব আবেদন সম্পূর্ণভাবে নিষ্পত্তির জন্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডের প্রায় ৭০ হাজার আবেদন নিষ্পত্তিতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তিতে প্রয়োজন ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

অর্থাৎ, সরকারের দেওয়া ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে বড় একটি অংশের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হলেও, দীর্ঘদিনের পুরো জটিলতা একবারে শেষ হবে না। বাকি আবেদনকারীদের পাওনা পরিশোধে ভবিষ্যতে আরও অর্থ খরচ হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থের বড় অংশই শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিকালে জমা দেওয়া চাঁদা থেকে আসে। অবসর সুবিধার জন্য মূল বেতনের ৬ শতাংশ এবং কল্যাণ সুবিধার জন্য ৪ শতাংশ হারে অর্থ কেটে রাখা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসর তহবিলে এবং ৩০ টাকা কল্যাণ তহবিলে জমা হয়।

যাহোক, প্রতি মাসে যে পরিমাণ আবেদন জমা পড়ছে, তা নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের তুলনায় তহবিলের আয় কম। ফলে প্রতি মাসই অর্থের ঘাটতি তৈরি হয় এবং আবেদন জমতে থাকে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

অবসর সুবিধা বোর্ডের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পুরোনো সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়ায় ডিজিটালভাবে আবেদন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে পড়েছিল। ফলে অনেক আবেদন হাত দিয়ে যাচাই করতে হচ্ছে, এ কারণে নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় বেশি সময় লাগছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ আগস্ট এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন। এরপর ১৫ আগস্ট ৬৪ জেলায় একযোগে অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পাওনা পরিশোধে সরকারের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অবশিষ্ট আবেদনকারীরা তাদের পাওনা কবে পাবেন, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ মারিবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ মারিবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত ১০

ইয়েমেনের কৌশলগত একটি প্রদেশে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় শুক্রবার অন্তত ১০ জন মারা গেছেন। দেশটির এক মন্ত্রী ও সামরিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তেলসমৃদ্ধ মারিব অঞ্চলে বিদ্রোহীরা হামলা আরও জোরদার করেছে।

এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র পক্ষ থেকে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথি এবং সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের মধ্যে ২০২২ সালে সংঘটিত যুদ্ধবিরতি গত মাসে ভেঙে গেছে। এর পর বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সরকারি বাহিনীর অন্তত ৫৮ সদস্য মারা গেছেন।

ইয়েমেনে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘২০২২ সালের এপ্রিল মাসে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে যেকোনো সময়ের তুলনায় আজ ইয়েমেন বড় ধরনের সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি উভয় পক্ষকে ‘সংযম’ প্রদর্শন এবং ‘সদিচ্ছার সঙ্গে আলোচনায়’ ফিরে আসার আহ্বান জানান।

একটি সামরিক সূত্র’বাবে এএফপিকে জানানো হয়েছে যে, মারিবে সর্বশেষ হুথিদের হামলায় সরকারি বাহিনীর আট সদস্য মারা গিয়েছেন এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।

সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হুথিরা মারিব শহরের আবাসিক এলাকা ও বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে গোলাবর্ষণ পরিচালনা করেছে। এর ফলে অন্তত দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

হুথিরা দাবি করেছে, তারা মারিব প্রদেশে সরকারি বাহিনীর একটি সামরিক শিবিরে হামলা চালিয়েছে। হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, ‘সৌদি শত্রু তাদের বাহিনীকে সংগঠিত ও উসকানি দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এই বাহিনী এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার, যানবাহন ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে সাহন আল-জিন শিবিরে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাসেম বুহাইবেহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘শুক্রবার সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়া মারিব শহরের আবাসিক এলাকা ও বাস্তুচ্যুতদের শিবির লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করেছে। প্রাথমিক হিসাবে এতে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং বিভিন্ন মাত্রায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।’

এক সামরিক সূত্র অনুযায়ী, হুথিরা মারিব প্রদেশের সামরিক শিবিরগুলো লক্ষ্য করে ১০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও সাতটি একমুখী হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোন হামলা করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রটি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসা সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথিদের হামলায় ‘চুপ করে বসে থাকবে না’।সূত্রটি জানায়, মারিব তাদের জন্য একটি ‘লাল রেখা’ বা ‘চূড়ান্ত সীমা।’

সূত্রটি সতর্ক করে উল্লেখ করে যে, ‘জোট উত্তেজনা বাড়াতে চায় না’, ‘তবে হুথিদের মারিব প্রদেশ দখল সৌদি কর্তৃপক্ষ মেনে নেবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই

হুথিদের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সহিংসতার প্রেক্ষাপটে শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে রিয়াদ চেষ্টা করছে। এই যুদ্ধের গণ্ডিতে আশপাশের কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র। এছাড়া, ইরান ইয়েমেনের তাদের মিত্র হুথিদের আরও সক্রিয় করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবে হামলাই চালিয়েছে। একই সময়ে, বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে ক্রমেই কম নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে।

চুক্তিতে তিন দেশ ‘সমষ্টিগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং অঞ্চল ও এর বাইরেও শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়’ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী যদি কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হয়, তাহলে সেটি তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর উদ্দেশ্য হলো ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা’।

তবে, তুরস্ক পরবর্তীতে জানিয়েছে যে, চুক্তিটি ‘কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়’। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের যোগাযোগ পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তুর্কি সরকারের অপতথ্যবিরোধী সংস্থাও এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে বলেছে, ‘ন্যাটোর মূল অঙ্গীকারসহ তুরস্কের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জোটগুলোর প্রতি কর্তব্যের সঙ্গে এই চুক্তি সাংঘর্ষিক নয়।’

রিয়াদও পরিষ্কার করে বলেছে, ‘এই চুক্তি কোনো সামরিক জোট বা সাম্প্রদায়িক বলয় গঠনের উদ্যোগ নয়।’ সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি এক্সে বলেন, ‘এটি কোনো পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা অস্ত্র প্রতিযোগিতার সাথে যুক্ত নয়; বরং টেকসই সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি এই অঞ্চলের কোনো দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ খাঁন

গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথমেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেইমানি করেছেন বলেই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে নিজগ্রাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ মিয়ার দালান পরিদর্শনের পর, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনার সঙ্গে প্রথম বেইমানিটি করেছেন জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত একদম সঠিক পথেই ছিলেন। তবে তিনি যে মুহূর্তে জামায়াতে ইসলামীর ফাঁদে পা দিয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি বিপথগামী হয়েছেন।’

এ সময় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় এক জালেই ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


কুয়াকাটায় এক জালেই ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরার ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ। নিলামে এসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা দীর্ঘদিন পর জেলেদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে আলমগীর মাঝির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ট্রলারটি মাছ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে পৌঁছালে মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়।

আড়ত সূত্রে জানা যায়, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২ হাজার ৮৭৫ টাকা) দরে বিক্রি হয়ে ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে প্রতি কেজি ২ হাজার ৩৭৫ টাকা হারে বিক্রি হয়েছে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছি। একবার জাল ফেলতেই প্রায় দুই হাজার ২০০ পিস ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিনের লোকসানের পর এমন মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

মনোয়ারা ফিশের ম্যানেজার সগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম অনেক বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বড় আকারের ইলিশ একসঙ্গে পাওয়া যায় না।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশির ভাগ মাছ ধরার বোটেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা পাচ্ছে না। তবে এরই মধ্যে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর এবং জেলেদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি আরও বলেন, একদিনের এই বেশি আহরণকে সামগ্রিকভাবে ইলিশের প্রাচুর্যের সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বিষয়টি ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। ইলিশের এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে জেলেদের সচেতনতা, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের খরা ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আরও বেশি ইলিশ মিলতে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%