শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত হতে পারে।
সম্ভাব্য প্রকাশের তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রজ্ঞাপনের খসড়া বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে স্কেল-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গেজেট প্রকাশে কোনো বিলম্ব করতে চাই না। প্রক্রিয়াগত কারণে যতটুকু সময় লাগছে, সেটুকুই। আশা করছি, চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’
সোমবার মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এর কার্যকারিতা শুরু হবে।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি চলতি সপ্তাহে পে স্কেলের আদেশ জারির কথা জানিয়েছিলেন। তবে প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুটা সময় বেশি লাগছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণা করেছে। মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির হিসেবে তাঁর নাম শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার একটি মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশ করা হয়।
সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের জন্য আয়োজিত দুই দিনের শিক্ষা শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "নগরবাসীর নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং সিলেটকে ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে প্রার্থী করা হয়েছে।"
তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধুমাত্র উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
জনগণের অধিকার, নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাও তাঁর দায়িত্ব। তাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় সততা, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিক চরিত্র ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
এ সময় ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে সততা ও যোগ্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর পক্ষে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও পরিবারের কাছে দলের প্রার্থী ও পরিকল্পনার বার্তা পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন, ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং জেলা জামায়াত নেতা ও সাবেক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে ‘হয়রানির’ অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে অনবরত ট্যাগ করে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে একজন শিবির সমর্থক বা শিবিরের সঙ্গে যুক্ত, ক্লাসের মেয়েদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। সেই হয়রানির তালিকায় তাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অবগত হওয়ার পর, তিনি জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
এর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান এই শিক্ষিকা। তিনি বলেন, ‘অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। টিপ্পনী কেটে, কথা শোনানো হচ্ছে। তা-ও আবার ঢাবির ছেলেদের দ্বারা।’
মোনামী আরও বলেন, ‘পলিটিক্যাল রাইভেল যেহেতু, তার ওপর আমি যেহেতু আগে শিবিরকে ভালো বলেছি। তাই আমাকে এখন আবার নতুন করে নাজেহাল না করলে কি রাত কাটবে?’
তিনি বলেন, ‘এরা হয় ডাইরেক্ট হ্যারাস করবে, নয়তো ইন্ডাইরেক্টলি। কিন্তু তাদের যা দরকার তা হলো একজন নারীকে হয়রানি করা, সে যে-ই হোক না কেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আলাদিনের চেরাগ নেই যে ঘষা দিলেই গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি—সব চলে আসবে।"
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার কর্মসূচিতে তিনি এই কথা বলেন।
ডিএসসিসির প্রশাসক আরও বলেন, "গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সবকিছু একসঙ্গে সমাধান করে দেওয়ার মতো কোনো ‘আলাদিনের চেরাগ’ নেই।"
তিনি উল্লেখ করেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে লং মার্চ করে কোনো লাভ নেই।
বরং এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে যে পেট্রল বা গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও অপচয় হচ্ছে।’
আব্দুস সালাম আরও বলেন, ‘ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসেই সরকার রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করেছে।’ এ জন্য সরকারকে বিরোধী দলের ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে উন্মুক্ত সিনেমা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছে। এই বিশেষ প্রদর্শনীটি সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও প্রয়াত নায়কের ভক্তদের জন্য বিএফডিসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিএফডিসির একটি বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, বিশেষ এ আয়োজনটি বিএফডিসির ভিআইপি প্রজেকশন হলে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে সিনেমা প্রদর্শনী।
প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে দর্শকরা সালমান শাহ অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমাগুলি উপভোগ করতে পারবেন। প্রদর্শনীর প্রথম দিন ৬ সেপ্টেম্বর দেখানো হবে নায়ক অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’।
পরের দিন ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় দর্শকরা দেখতে পাবেন সালমান শাহ ও মৌসুমী অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। আর আয়োজনের শেষ দিন ৮ সেপ্টেম্বর একই সময়ে প্রদর্শিত হবে সালমান শাহ ও শাবনূর অভিনীত ‘তোমাকে চাই’।
উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়ক ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর অকালমৃত্যু আজও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
প্রতিবছর ৬ সেপ্টেম্বর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় প্রয়াত এই তারকাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ