১১:৪৪ এম
সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকার রাইন নদীর তীর থেকে পুলিশ একটি ব্যক্তির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। ২৪ অক্টোবর তার নিখোঁজ হওয়ার খবর পরিচিতজনেরা পুলিশকে জানান। এরপর ২৫ অক্টোবর রাইন নদীর তীর থেকে লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলটি তাদের বসবাসের আশ্রয়কেন্দ্রের নিকটবর্তী।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেহের বিভিন্ন অংশ কেটে আলাদা করা হয়েছিল। সেগুলো আবর্জনার ব্যাগে ভরে রাইন নদীতে এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট পরে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে চলতি বছরে অষ্টম পোলিও রোগী শনাক্ত, আক্রান্ত ১৩ মাসের শিশু
আর্গাউ ক্যান্টন পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে। আশ্রয়কেন্দ্রের কিছু বাসিন্দার আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র এবং লাশ উদ্ধারের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।
তদন্তে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে সন্দেহ জোরালো হয়। তিনি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
রাইনফেলডেন-লাউফেনবুর্গ জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় এই ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখার আবেদনও করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা, সময়ক্রম এবং উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। এ ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: জার্মানি সফরে আজ যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি
এদিকে, সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।
আইনের দৃষ্টিতে আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সূত্র: ব্লু নিউজ
আরএ
আরও পড়ুন: কাতারের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে মার্কিন এলএনজি নিয়ে ভারতের নজর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন