শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৯ এম
রাশিয়ার কামচাতকা উপদ্বীপে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের ভিলিউচিনস্ক শহর থেকে প্রায় ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং এর গভীরতা ছিল ১৪০ কিলোমিটার।
স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এই ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, এই কম্পনের ফলে কোনো ঝুঁকি নেই।
ভূমিকম্পের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
বিএনও নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) ভুলবশত ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের একটি আগাম সতর্কতা জারি করেছিল। এতে জাপানের বড় একটি অংশে তীব্র কম্পনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, অথচ তাদের নিজস্ব পরিমাপে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৯।
যদি এই সতর্কতা সঠিক হতো, তবে এটি হতো এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
কামচাতকা উপদ্বীপটি ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত একটি টেকটোনিক বলয়ের ওপর অবস্থিত, যা প্রশান্ত মহাসাগরের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং এটি ভূমিকম্পপ্রবণ একটি অঞ্চল।
গত বছরের জুলাই মাসে এই অঞ্চলের উপকূলে ৮.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে একটি উপকূলীয় গ্রামের কিছু অংশ সমুদ্রে তলিয়ে যায়। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট বাহিনী দাবি করেছে যে, হামলাটি আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি।
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে আসা ড্রোনটি শনাক্ত হওয়ার পর তা আকাশেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়। তবে ড্রোনটি কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনার ফলে কোনো হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ড্রোনটি কে বা কোন গোষ্ঠী উৎক্ষেপণ করেছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল দেশটির জ্বালানি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদন ও জ্বালানি অবকাঠামো রয়েছে। তাই অঞ্চলটিকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের আকাশপথের হুমকি নিরাপত্তার দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
তবে ড্রোনটি প্রতিহত করার ঘটনা এবং এর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না আসা পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য বা এর সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন দেশটির নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসট্রেনসেন। অনুষ্ঠানে ব্যবসা, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরাও, যারা কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) শেরিফ অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের আয়োজনে এবং আনন্দ মেলার পৃষ্ঠপোষকতায় এই মতবিনিময় ও পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রদূতের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং রাষ্ট্রদূতও তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন। পুরো অনুষ্ঠানটি শেরিফ অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে উপস্থাপনা করেন জিয়া শাওন।
অনুষ্ঠানে সিনেরী টিউরিয়েলের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রদূতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রশ্ন করেন এবং রাষ্ট্রদূত তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অনুষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। বরং আলোচনার মূল বিষয় ছিল ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নানা প্রশ্ন ও সম্ভাবনা।
অনুষ্ঠান শেষে আনন্দ মেলা লস অ্যাঞ্জেলেসের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসট্রেনসেনকে একটি সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছাবে। তবে, বর্তমান অবস্থায় তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে মাত্র ৪০ কোটি। ফলে, প্রায় ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়, সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উন্নয়ন অর্থায়নের প্রচলিত কাঠামোয় পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভার প্লেনারি অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে অজয় বাঙ্গা উল্লেখ করেন, "কর্মসংস্থান শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি মানুষের মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।" তাই, কর্মসংস্থানের ঘাটতি মোকাবেলাকে বৈশ্বিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
অজয় বাঙ্গার মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি এবং বেসরকারি পুঁজির ব্যাপক সম্প্রসারণ প্রয়োজন। একই সঙ্গে, উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব সক্ষমতার বাইরে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, প্রকল্প প্রস্তুতির গড় সময় ১৯ মাস থেকে কমিয়ে নয় মাসে আনা হয়েছে। জটিল মূল্যায়নব্যবস্থার পরিবর্তে ২২টি সুনির্দিষ্ট সূচকের মাধ্যমে কাজের ফলাফল পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে যৌথ অর্থায়নের পরিসরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
তিন বছরে বেসরকারি অর্থায়নে বড় অগ্রগতি হয়েছে, এমন তথ্যও দেন অজয় বাঙ্গা। ২০২২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি মূলধন সংহত করতে সক্ষম হয়েছিল। গত অর্থবছরে তা বেড়ে ১১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নসহ মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ২৩০ বিলিয়ন ডলার।
এই অর্থায়নের উল্লেখযোগ্য অংশ বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, কৃষি ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন ও উৎপাদনশিল্পের মতো কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাতে যাচ্ছে। এ ছাড়া, এক বছরে রেকর্ড ৯৬ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু অর্থায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৮ বিলিয়ন ডলার এসেছে বেসরকারি খাত থেকে।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের লক্ষ্য হলো সরকারি অর্থায়ন দিয়ে এমন প্রকল্প ও অবকাঠামো গড়ে তোলা, যা বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে। বাজার যেখানে এখনো বিনিয়োগের উপযোগী হয়ে ওঠেনি, সেখানে সরকারি অর্থ ও উন্নয়ন সহযোগিতা কাজে লাগানো হবে। অন্যদিকে, যেখানে বেসরকারি পুঁজি কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বাড়াতে পারে, সেখানে সেই বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হবে।
প্রকল্প প্রস্তুতির সময় কমেছে এবং ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, এমন তথ্যও জানান অজয় বাঙ্গা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির ব্যালান্স শিটের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (আইবিআরডি) আগামী এক দশকে অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
একই সঙ্গে, অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ অর্থায়নের পাইপলাইন তিন গুণ বেড়ে ২৫০টি প্রকল্পে পৌঁছেছে। এসব প্রকল্পে মোট ১৩৮ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন অর্থায়নের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নিম্ন আয়ের দেশগুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো।
অজয় বাঙ্গা জানান, ৩৫টি দেশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে আইবিআরডির পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি দেশ এখন আইডিএতে অনুদান প্রদানকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। এই হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও, ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে যে তাঁরা নিরাপদে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত আল-মাশিক প্রাসাদে এই হামলা সংঘটিত হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে। ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-ইরিয়ানি জানিয়েছেন, প্রাসাদ লক্ষ্য করে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলায় প্রধানমন্ত্রী শায়া আল-জিন্দানি এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে নিহত ও আহতদের মধ্যে প্রাসাদ কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মী এবং বেসামরিক কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হামলার পর প্রাসাদ এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
এদিকে, হুতি বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রাসাদ কমপ্লেক্সে সৌদি কর্মকর্তাদের পরিচালিত সামরিক অভিযানের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ ধরনের হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, ইয়েমেনের মারিব প্রদেশেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদেশটির আবাসিক এলাকাগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে। তবে হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী এবং হুতি যোদ্ধাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করার পর, দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দক্ষিণাঞ্চলীয় এডেনকে তাদের প্রধান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। সরকারকে সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে প্রতিবেশী সৌদি আরব।
অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত হুতিদের সঙ্গে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর সংঘাত দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলায় ইয়েমেনের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ