বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩১ পি.এম
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন বিভাগের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে কুয়ালালামপুরের ই-এসকেএল ভবনসংলগ্ন এলাকা ও ভবনের নিচতলায় অবস্থানরত কিছু প্রবাসী বাংলাদেশিকে সাময়িকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, বিষয়টি জানার পর তারা তাৎক্ষণিকভাবে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেন।
আরো পড়ুন
অক্টোবরে টানা ৫ দিনের ছুটি, যেভাবে পাবেন
জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সেবা প্রত্যাশী বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট-সংক্রান্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ দেখতে চান। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পর প্রবাসীদের মধ্যে অযথা উদ্বেগ তৈরি না হওয়ার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন দাপ্তরিক কাজে চলাচলের সময় প্রয়োজনীয় ও বৈধ নথিপত্র সঙ্গে রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
হাইকমিশন আরও জানায়, বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার জন্য বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে আবারও যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস, যিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।
তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
তিনি উল্লেখ করেন, "নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।"
এর আগে, গত ২ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আসেন মির্জা আব্বাস। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর তিনি দেশে ফিরেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল শহর নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে আট মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও জোহরান মামদানি এখনো ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাননি। এই তথ্য বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
মামদানি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নিউইয়র্ক শহরের প্রায় ৮৫ লাখ মানুষের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ এবং অন্যান্য হুমকিসংক্রান্ত গোপন তথ্য সম্পর্কে তাকে অবহিত করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
তবে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এতটা সময় লাগা ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার’ অংশ।
মামদানি আরও বলেন, ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। প্রশাসনের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছাড়পত্র লাভ করেছেন। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ নিয়মিতভাবে তাকে এমন গোয়েন্দা তদন্তের বিষয়ে অবহিত করে, যেগুলো ফেডারেলভাবে গোপনীয় তথ্যের আওতাভুক্ত নয়।
নিউইয়র্কের কোনো মেয়রের ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র নিয়ে জটিলতা এবারই প্রথম নয়। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক মেয়র বিল ডি ব্লাসিও ২০১৪ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর একই সময়ের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাননি। প্রথম মেয়াদের শুরুতে তিনি এ ছাড়পত্রের জন্য আবেদনও করেননি। পরে তাকে ছাড়পত্র দিতে ফেডারেল সরকারের এক বছরের কিছু বেশি সময় লেগেছিল।
অন্যদিকে সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস ২০২৪ সালে ফেডারেল ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হওয়ার পর নিউইয়র্কের প্রথম দায়িত্বশীল মেয়র হিসেবে তার নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র দেওয়ার দায়িত্বে থাকা এফবিআইয়ের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রথমবারের মতো সরকারি দায়িত্বে আসা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
মামদানির জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ছাড়পত্র না থাকার বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহরটিতে আসছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ গোপন তথ্য পাওয়ার সুযোগ না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে মেয়রের তাৎক্ষণিক সরকারি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে এবং আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতেও বিলম্ব হতে পারে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমানে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য আকাবা-ব্যবস্থার বৈধকরণ ও নিয়মিতকরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে হবে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে। গৃহকর্মীসহ ওমানে অবস্থানরত সকল অবৈধ বিদেশি কর্মী এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এছাড়া, ভিজিট ভিসায় আগত বিদেশিরাও এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে, পরিবারের সদস্যরা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন না।
এই ব্যবস্থার অধীনে কর্মস্থল বা কফিল পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। এর জন্য পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তার অনুমতি বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না।
দূতাবাস জানায়, যারা বর্তমানে এএসইজেডএ জোনে কাজ করছেন, তারা যদি বর্তমান বা নতুন নিয়োগকর্তার সঙ্গে ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বিলম্বজনিত জরিমানা সম্মুখীন হন, তবে তারা পুরোপুরি মওকুফের সুযোগ পাবেন। তবে, এজন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে হবে।
এছাড়া, যারা জর্দান সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে যেতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য জরিমানা মওকুফের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অবৈধ বিদেশি কর্মীদের সুবিধা প্রদানের জন্য এএসইজেডএ তাদের অফিসের নিয়মিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত সময় সেবা প্রদান করছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা এবং শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সেবা দেওয়া হচ্ছে। পূর্বে যারা এ ধরনের সুবিধা গ্রহণ করেছেন, তারাও পুনরায় এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, এ বিষয়ে আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে সরাসরি এএসইজেডএ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দূতাবাসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীর বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করা হয়েছে। এই তথ্য ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে সিভিল সার্জনের অফিসের সূত্রে নিশ্চিত করা হয়। এর আগে,
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর পদায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশ বাতিল করা হয়।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারকমূলে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীকে ওএসডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা থেকে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব), ফরিদপুর হিসেবে বদলি/পদায়নের ক্ষেত্রে তাঁর জন্য প্রযোজ্য অংশ নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন বাতিলের দাবিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন ছাত্র সমাজ। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ তুলে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। তাঁরা একই সঙ্গে তাঁকে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে না রাখার দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই সময় নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের উপস্থিতিও দেখা যায়। পরে আপাতত অবরোধ স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সতর্ক করেন।
এর দুই দিন পরই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি পদায়নের আদেশ বাতিলের কথা জানানো হলো।
প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ফরিদপুরের সিভিল সার্জন/সহকারী পরিচালক এবং জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ