আহমেদ আক্তার রানা প্রতিনিধি কুলাউড়া উপজেলা
০১:১৪ পি.এম
বাংলাদেশের সংসদীয় কূটনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের (আসন-২৭) সাংসদ ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী এমপি। গত সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।
সংসদ সূত্রে জানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সম্মতির ভিত্তিতে চিফ হুইপ সংসদে এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। মৌলভীবাজারের বড়লেখা অঞ্চল থেকে প্রথম নারী সংসদ সদস্য হিসেবে ইতিহাস গড়ার পর, তিনি এবার নতুন গুরুত্বপূর্ণ এই স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী রাজনীতিতে যোগদানের পূর্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান 'বাংলালিংক'-এর ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (ডেপুটি সিইও) হিসেবে দীর্ঘকাল অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়নে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
তিনি শিক্ষা ও পেশাগত যোগ্যতায় অত্যন্ত সমৃদ্ধ এক ব্যাকগ্রাউন্ডের অধিকারী। যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি (বার-অ্যাট-ল) ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য। তিনি মৌলভীবাজারের ৪ বারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর সুযোগ্য কন্যা। বাবার হাত ধরে এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের পথ ধরে তিনি আজ জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন।
সংসদীয় কূটনীতিতে নতুন মাত্রা: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক গভীর জ্ঞান ও বহুজাতিক প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা দেশের সংসদীয় কূটনীতিতে নতুন গতিশীলতা আনবে। বর্তমানে জটিল বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে তার এই করপোরেট ও আইনি ব্যাকগ্রাউন্ড অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কৃতি সন্তানের এই গৌরবময় অর্জনে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পৌরসভা এলাকায় অবৈধ পার্কিং এবং স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত যানবাহন রাখা, পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের ফলস্বরূপ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে মোট ৮টি মামলার মাধ্যমে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্ত্বাবধানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালীন কুলাউড়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পার্কিং, স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত যানবাহন রাখা এবং সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়। একই সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৮টি মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে যানজট মোকাবেলা, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সরকারি জায়গা দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আরেকটি ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় আছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামলেই দেশটির হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক হয়ে যাবেন তিনি।
সেমিফাইনালটি হবে মার্টিনেজের বিশ্বকাপে ১৪তম ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে ভেঙে যাবে ৪৮ বছরের পুরোনো একটি রেকর্ড। এতদিন ১৩ ম্যাচ নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গোলরক্ষক উবালদো ফিলোল। বর্তমানে ফিলোলের সঙ্গে যৌথভাবে এই রেকর্ডের মালিক মার্টিনেজ।
ফিলোল ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ১৯৮২—টানা তিনটি বিশ্বকাপে খেলেছিলেন। সেই তিন আসরে তিনি মোট ১৩টি ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট সামলান। অন্যদিকে, মার্টিনেজ মাত্র দুটি বিশ্বকাপ—২০২২ ও ২০২৬—খেলেই সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন।
এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সাবেক গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে তিনি খেলেছিলেন ১২টি ম্যাচ। চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেই রোমেরোকে পেছনে ফেলেন মার্টিনেজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দলের সোনার পদক জয় একটি নতুন ইতিহাস স্থাপন করেছে।
এই বিজয়ী দলের প্রশিক্ষক হিসেবে ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটিং ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম খান কাজ করেছেন।
রোববার (১২ জুলাই) আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় সোনার পদক জয়ের পর বাংলাদেশ দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত হন। সাক্ষাৎকালে, প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে এআই খাতে বাংলাদেশের অর্জনে অংশগ্রহনকারী ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ড. মোহাম্মদ আজম খানের দিকনির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ এই আন্তর্জাতিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ড. মোহাম্মদ আজম খান এবং বিজয়ী বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ‘ব্লু স্কাই’ স্কুল পরিদর্শন করেছেন।
‘ব্লু স্কাই’, যা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল, সেটি পরিদর্শন করেন তিনি সোমবার (১৩ জুলাই)।
এই পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (BAFWWA) ও আদার্স' উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন ক্লাবের (OWCC) সভাপতি সালেহা খান বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিএএফ লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেনস ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও।
পরিদর্শনের সময় প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষা কার্যক্রম, বিভিন্ন থেরাপি সেবা এবং শিশুদের সার্বিক বিকাশমূলক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় বিমান বাহিনী প্রধান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, থেরাপি ও সার্বিক বিকাশে ‘ব্লু স্কাই’র আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি শিক্ষক, থেরাপিস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টারও ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়া ভবিষ্যতে শিশুদের সর্বোত্তম বিকাশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
এই পরিদর্শন উপলক্ষে ‘ব্লু স্কাই’র শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন), সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (প্রশাসন), বিমান সদরের এর এয়ার অধিনায়ক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, অভিভাবকগণ ও অন্যান্য পদবীর সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ