সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা।
রোববার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বাবু, প্রধান শিক্ষক আজমল হাসান টিপু, সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শিবুপদ বিশ্বাস, প্রকল্প কর্মকর্তা মটর কুমার মণ্ডলসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হামিদুল ইসলাম হামিদ বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।" তিনি আরও বলেন, "সরকার পাঁচ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।"
শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যদি একটি করে গাছ লাগিয়ে সেটি পরিচর্যা করে বড় করে তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে এর সুফল পুরো সমাজ পাবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমল হাসান টিপু বলেন, "শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করে তোলা আমাদের দায়িত্ব। আজ যারা গাছের চারা সংগ্রহ করেছে, তারা যদি নিয়মিত গাছগুলোর পরিচর্যা করে, তাহলে এই ছোট উদ্যোগ একসময় বড় একটি সবুজ কর্মসূচিতে পরিণত হবে।"
সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শিবুপদ বিশ্বাস বলেন, "শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি এবং বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তোলাই আমাদের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। শুধু চারা বিতরণ নয়, শিক্ষার্থীরা যেন গাছগুলো রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করে এবং অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করে সেদিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য ট্রোম্যান খীসা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।
নৌবাহিনী একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ট্রোম্যান খীসার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার আত্মত্যাগ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গৌরবময় অবদানের একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনাত আর নেই। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মুহাম্মদ আল্লাইয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা চানগাঁওয়ের একটি ছয় তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দেন ইবনাত। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) তিনি একটি চলন্ত রিকশা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, প্রায় এক বছর আগে বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে নদীতে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালালে আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। সে সময় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া সফরের পূর্বে ভারত ‘এ’ দলের হেডকোচ হিসেবে সাবেক পেসার লক্ষ্মীপতি বালাজিকে নিয়োগ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই)। ভারত ‘এ’ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পুদুচেরিতে শুরু হবে। বালাজির কোচিংয়ে ভারতীয় দল দুটি মাল্টি-ডে ম্যাচ ও তিনটি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলবে।
৪৪ বছর বয়সী লক্ষ্মীপতি বালাজির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ২০০২ সালে। তিনি ভারতের হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছেন। ২০১২ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবার মাঠে নামেন এই সাবেক পেসার। অবসরের পর গত এক দশক ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বালাজি।
ভারত ‘এ’ দলের মাল্টি-ডে ম্যাচে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে অধিনায়ক এবং সাই সুদর্শনকে সহ-অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ওয়ানডে দলে নেতৃত্ব দেবেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়।
আইপিএলেও কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে বালাজির। তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসের মতো দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের শুরুতে বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে কোচ হিসেবে যোগ দেন। এবার তিনি প্রথমবার ভারত ‘এ’ দলের হেডকোচের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। এর আগে তামিলনাড়ুর ঘরোয়া দলেরও প্রধান কোচ ছিলেন বালাজি।
ভারতের হয়ে ৮ টেস্ট, ৩০ ওয়ানডে এবং ৫ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন বালাজি। ২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরে তাঁর নজরকাড়া পারফরম্যান্স অনেকের মনে রয়েছে। আইপিএল ইতিহাসে প্রথম হ্যাটট্রিক করার নজিরও তাঁর দখলে। সব মিলিয়ে ৭৩ আইপিএল ম্যাচে ৭৬ উইকেট রয়েছে তাঁর নামের পাশে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া ‘এ’-র বিরুদ্ধে সিরিজের আগে ভারতীয় দলে একটি পরিবর্তন ঘটেছে। বিপ্রজ নিগমের জায়গায় স্কোয়াডে ঢুকেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের অফস্পিনার টি বিজয়। শর্তসাপেক্ষে ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, তবে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে তাঁকে।
মাল্টি-ডে স্কোয়াড : আমন মোখাড়ে, আয়ুষ পান্ডে, দেবদত্ত পাড়িক্কল (অধিনায়ক), সাই সুদর্শন (সহ-অধিনায়ক), যশ রাঠোর, শেখ রশিদ, কুমার কুশাগ্র, শামস মুলানি, তনুশ কোটিয়ান, তুষার দেশপান্ডে, অংশুল কম্বোজ, প্রফুল্ল হিঙ্গে, এন জগদীশন, নচিকেত ভুটে, ভি বৈশ্য।
ওয়ানডে স্কোয়াড : প্রিয়াংশ আর্য, সাই সুদর্শন, দেবদত্ত পাড়িক্কল, রুতুরাজ গায়কোয়াড় (অধিনায়ক), রজত পতিদার, কুমার কুশাগ্র, নিশান্ত সিন্ধু, টি বিজয়, অর্শিন কুলকার্নি, আর্শাদ খান, নমন ধীর, হার্দিক পাণ্ডিয়া*, প্রভসিমরন সিং, গুরজপনীত সিং, যশ ঠাকুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই অবস্থান তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ‘বিএনপি গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে সংস্কারের পরিবর্তে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান ও ১১-দলীয় ঐক্যের বক্তব্য তুলে ধরার লক্ষ্যে’। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের বর্তমান উদ্যোগ ১১-দলীয় ঐক্য প্রত্যাখ্যান করেছে, যা গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। গতকাল জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি জুলাই সনদে সই করা রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে। ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের এই মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ কয়েকটি দল অংশ নেয়নি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ১১-দলীয় ঐক্য মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়Ñএই তিনটির প্রতি সম্মান দেখানোই বর্তমান সাংবিধানিক মতপার্থক্য নিরসনের গণতান্ত্রিক পথ। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) দু’টি শপথ নেয়ার কথা। এর একটি এমপি হিসেবে, অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। তবে নির্বাচনের পর বিরোধী দলের এমপিরা দু’টি শপথ নিলেও বিএনপির এমপিরা শুধু সংসদ সদস্যের শপথ নিয়েছেন। এখানে বর্তমান সাংবিধানিক সংকটের মূল প্রশ্ন চিহ্নিত হয়েছে।
তিনি মন্তব্য করেন, সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ক্ষমতা এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে জনগণের গণভোটে অর্পিত গাঠনিক ক্ষমতা এক নয়। একই ব্যক্তি দু’টি প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে পারেন, তবে প্রতিষ্ঠান দু’টির ক্ষমতার উৎস, আইনগত পরিচয় ও দায়িত্ব ভিন্ন। জাতীয় সংসদ সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে সংবিধানের মৌলিক পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নে জনগণই চূড়ান্ত সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো ও অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, গণরায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বিষয়টিকে সীমিত পরিসরে সাধারণ সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গণভোটে জনগণ যে প্রক্রিয়া অনুমোদন করেছে, তাকে পাশ কাটিয়ে কোনো বিকল্প প্রক্রিয়াকে জনগণের ম্যান্ডেটের সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ জাতীয় সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিলেও তা সীমাহীন নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা গেলেও জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের এখতিয়ার নেই। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বিভিন্ন সংশোধনী বাতিল হওয়ার দৃষ্টান্ত টানেন। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সংশোধনী আনা হয়েছে কি না, সেটি মৌলিক প্রশ্ন নয়। প্রশ্ন হলো, যে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেই ক্ষমতার উৎস কী, আর জনগণ কোন প্রক্রিয়ায় সেই ম্যান্ডেট দিয়েছে।
১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। এগুলো হলোÑ গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিষদ কার্যকর করা।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সরকারকে একতরফাভাবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন আনার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক সংস্কারকে জনগণের প্রত্যাশা, গণভোটের রায় ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ